অধ্যায়-৬: কৃষি সমবায়

এসএসসি · কৃষিশিক্ষা

অধ্যায়-৬: কৃষি সমবায় - কৃষিশিক্ষা বহুনির্বাচনি ও বোর্ড সমাধান

৩টি প্রশ্ন রয়েছে। নিচে কয়েকটি নমুনা দেখো; সব প্রশ্ন, উত্তর ও ব্যাখ্যা পেতে সাবস্ক্রাইব করো।

অমল বোস যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দুধ উৎপাদনের জন্য একটি গবাদিপশুর খামার প্রতিষ্ঠা করেছেন। কাঁচা ঘাসের চাহিদা পূরণের জন্য তিনি ভুট্টার আবাদ করে ভুট্টা গাছ হতে বিশেষ ধরনের গো-খাদ্য তৈরি করেন। কাঁচা ঘাসের সংকট দেখা দিলে তিনি এ ধরনের খাদ্য গবাদিপশুকে খাওয়ান। অধিক পুষ্টি উৎপাদনের সহায়ক হওয়ায় আশে-পাশের অন্যান্য খামারিরাও এ পদ্ধতিতে ঘাস সংরক্ষণের উদ্যোগ নেন।
১. রেশন কী?
মাছ চাষের পুকুর থেকে রাক্ষুসে মাছ অপসারণ করতে হয় কেন?
অমল বোসের কাঁচা ঘাস সংরক্ষণের পদ্ধতিটির ধাপগুলো বর্ণনা কর।
অমল বোসের তৈরি গো-খাদ্য জনপ্রিয় হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।
সমাধান ও উত্তর
(ক)
কোনো পশু বা পাখিকে ২৪ ঘণ্টায় সরবরাহ করা বা তার গ্রহণ করা মোট খাদ্যের পরিমাণকে রেশন বলে।
(খ)

শোল, গজার ও বোয়ালের মতো রাক্ষুসে মাছ চাষের ছোট মাছ ও পোনা খেয়ে ফেলে। এরা পুকুরের স্থান ও অক্সিজেনসহ বিভিন্ন সম্পদেরও অংশ নেয়।

ফলে মজুদ পোনার বেঁচে থাকার হার ও কাঙ্ক্ষিত মাছের উৎপাদন কমে যায়। তাই পরিকল্পিত মাছচাষের পুকুরে পোনা ছাড়ার আগে রাক্ষুসে মাছ অপসারণ করা প্রয়োজন।

(গ)

অমল বোস ভুট্টাগাছকে বায়ুরোধী অবস্থায় গাঁজনের মাধ্যমে সাইলেজ হিসেবে সংরক্ষণ করেন। এর ধাপগুলো হলো—

১. উপযুক্ত পরিপক্বতার সবুজ ভুট্টাগাছ সংগ্রহ: গাছের শুষ্ক পদার্থ প্রায় ৩০–৩৫% হলে সাইলেজ তৈরির উপযোগী হয়। জমি থেকে প্রায় ১০–১২ সেমি উপরে কেটে সংগ্রহ করা যায়।

২. কুচি করা: সংগ্রহ করা গাছ ছোট টুকরা করতে হবে। এতে ভালোভাবে চেপে রাখা সহজ হয় এবং গাঁজনের জন্য শর্করা সহজলভ্য হয়।

৩. সাইলো প্রস্তুত ও ভরা: পরিষ্কার সাইলোপিট বা অক্ষত উপযুক্ত পলিথিন ব্যাগে কুচি গাছ স্তরে স্তরে ভরে ভালোভাবে চেপে বাতাস বের করতে হবে।

৪. বায়ুরোধী করে রাখা: মুখ শক্তভাবে বন্ধ করতে হবে, যেন বাতাস ও বৃষ্টির পানি প্রবেশ না করে। অক্সিজেনস্বল্প অবস্থায় গাঁজনে ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি হয়ে খাদ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে।

৫. ব্যবহার: গাঁজন সম্পন্ন হলে প্রয়োজনমতো অংশ বের করে অবশিষ্ট অংশ আবার বায়ুরোধী করতে হবে। ছত্রাকধরা বা পচা সাইলেজ খাওয়ানো যাবে না। এভাবে ঘাসের সংকটের সময়ে সংরক্ষিত খাদ্য ব্যবহার করা যায়।

(ঘ)

অমল বোসের তৈরি খাদ্যটি সাইলেজ। দুধের খামারে মৌসুমভেদে কাঁচা ঘাসের সরবরাহ কমবেশি হয়; সাইলেজ এই ঘাটতি সামলাতে সাহায্য করে বলেই অন্য খামারিদের কাছে জনপ্রিয় হয়েছে।

প্রথমত, প্রচুর ঘাস উৎপাদনের সময়ে তা কেটে সংরক্ষণ করলে সংকটের সময় ব্যবহার করা যায়। ফলে সারা বছর খাদ্য সরবরাহ তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে।

দ্বিতীয়ত, উপযুক্তভাবে তৈরি ভুট্টার সাইলেজ শক্তিসমৃদ্ধ ও রুচিকর খাদ্য। সুষম রেশনের অংশ হিসেবে এটি গাভীর দেহরক্ষা ও দুধ উৎপাদনের পুষ্টিচাহিদা পূরণে সহায়ক। তবে এটি একা সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে না।

তৃতীয়ত, সঠিক বায়ুরোধী সংরক্ষণে পুষ্টির অপচয় কম হয় এবং হে তৈরির মতো সম্পূর্ণ রোদে শুকানোর প্রয়োজন পড়ে না। তাই আর্দ্র আবহাওয়াতেও এ পদ্ধতি কাজে লাগে।

চতুর্থত, সময়মতো ভুট্টা কেটে জমিতে পরবর্তী ফসল চাষ করা এবং উদ্বৃত্ত ঘাসের অপচয় কমানো সম্ভব হয়। ফলে জমি ও শ্রমের কার্যকর ব্যবহার হয়।

অতএব সাইলেজের সুবিধা হলো বিদ্যমান খাদ্য ও পুষ্টি সংরক্ষণ করে সংকটে কাজে লাগানো; গাঁজনের মাধ্যমে নতুন করে সব পুষ্টি সৃষ্টি বা সম্পূর্ণ ক্ষতিহীন সংরক্ষণ নিশ্চিত করা নয়। ভালো মান, উপযুক্ত রেশন ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণই এর সফলতার শর্ত।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাসে খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করছিল। পরবর্তীতে কৃষি শিক্ষক তাদেরকে খাদ্যের গুণগত মান রক্ষার বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও জানালেন।
২. দানাদার খাদ্য কাকে বলে?
ভূমিক্ষয়ের ক্ষতিকর দিকসমূহ উল্লেখ কর।
শিক্ষক যে বিষয়ে জানালেন তা কোন কোন নিয়ামকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়? ব্যাখ্যা কর।
শিক্ষার্থীরা ক্লাসে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিল তার প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ কর।
সমাধান ও উত্তর
(ক)
যে পশুখাদ্যে আঁশ তুলনামূলক কম এবং সহজপাচ্য শক্তি বা আমিষ তুলনামূলক বেশি থাকে, তাকে দানাদার খাদ্য বলে। যেমন—শস্যদানা, ভুসি ও খৈল।
(খ)

ভূমিক্ষয়ে পুষ্টি ও জৈব পদার্থসমৃদ্ধ উপরিভাগের মাটি সরে যায়। ফলে জমির উর্বরতা ও উৎপাদনক্ষমতা কমে এবং ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

ক্ষয়প্রাপ্ত মাটি নদী, খাল ও জলাশয়ে জমে সেগুলোর গভীরতা ও পানি ধারণক্ষমতা কমায়। এতে জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ে এবং সেচ, নিষ্কাশন ও নৌচলাচল বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

(গ)

শিক্ষক খাদ্যের গুণগত মান রক্ষার কথা বলেছেন। সংরক্ষণ ও গুদামজাতকালে প্রধানত পাঁচটি নিয়ামক এই মান ক্ষতিগ্রস্ত করে।

১. খাদ্যের আর্দ্রতা: অতিরিক্ত পানি থাকলে ছত্রাক ও অন্যান্য জীবাণুর বৃদ্ধি সহজ হয়। খাদ্য পচে, দলা বাঁধে এবং কিছু ছত্রাক বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করতে পারে।

২. বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা: স্যাঁতসেঁতে বাতাস থেকে শুকনো খাদ্য আর্দ্রতা শোষণ করতে পারে। ফলে সংরক্ষিত খাদ্যের মান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

৩. তাপমাত্রা: অনুপযুক্ত উচ্চ তাপমাত্রা পুষ্টি উপাদানের অবক্ষয় এবং পোকামাকড় ও জীবাণুর কার্যক্রম বাড়াতে পারে। পোকা খাদ্য খেয়ে ও মলমূত্র মিশিয়ে ওজন ও মান উভয়ই কমায়।

৪. সূর্যালোক: দীর্ঘ সময় সরাসরি আলোতে রাখলে আলোকসংবেদনশীল ভিটামিন ও অন্যান্য উপাদান নষ্ট হতে পারে।

৫. অক্সিজেন: বাতাসের অক্সিজেনে খাদ্যের তেল-চর্বির জারণ ঘটে দুর্গন্ধ বা র‍্যানসিডিটি সৃষ্টি হয়। তাই খাদ্যের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, পাত্র ও সংরক্ষণকাল বজায় রাখতে হয়।

(ঘ)

শিক্ষার্থীরা খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করছিল। খাদ্যের মান যথাসম্ভব বজায় রেখে ভবিষ্যতে ব্যবহারের উপযোগী করে রাখাই খাদ্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্য। মাছ ও পশুপাখির খামারে এর বিশেষ প্রয়োজন আছে।

মৌসুমে প্রচুর উৎপাদিত ঘাস ও খাদ্য উপকরণ সব সময় সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করা যায় না। উপযুক্তভাবে সংরক্ষণ করলে শুষ্ক মৌসুম, বন্যা বা অন্য সংকটের সময়ও খাদ্য সরবরাহ করা যায়। এতে অপুষ্টি এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পায়।

শুকনো খাদ্য পরিষ্কার, শুষ্ক ও উপযুক্ত পাত্রে রাখলে পোকা, ইঁদুর, ছত্রাক ও পচনজনিত ক্ষতি কমানো যায়। সবুজ গোখাদ্য উপযোগী ক্ষেত্রে হে বা সাইলেজ করে রাখা যায়। তবে পচা বা ছত্রাকধরা খাদ্য পশুপাখিকে দেওয়া যাবে না।

সঠিক সংরক্ষণে খাদ্যের অপচয় কমে, নিয়মিত সুষম রেশন তৈরি সহজ হয় এবং সংকটে হঠাৎ বেশি দামে খাদ্য কেনার প্রয়োজন কমতে পারে। এর ফলে খামারের উৎপাদন ও আয় তুলনামূলক স্থিতিশীল হয়।

তাই খাদ্য সংরক্ষণ শুধু মজুদ করার কাজ নয়; এটি খাদ্যের পুষ্টিমান, নিরাপত্তা ও সরবরাহ বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ খামার ব্যবস্থাপনা।

ফজর আলী ১৫০টি ব্রয়লারের জন্য একটি পারিবারিক খামার স্থাপন করেন। মুরগির ঘর তৈরি করতে তার খরচ হয় ১৫,০০০ টাকা। স্থায়ী খরচ হয় ২০,০০০ টাকা। তিনি বছরে ১০টি ব্যাচ ব্রয়লার চাষের পরিকল্পনা করেন। প্রথম ব্যাচে ৩০ দিনে চলমান খরচ করেন ২৫,০০০ টাকা। মুরগিগুলোর গড় ওজন ১.৫ কেজি হয়েছিল এবং মৃত্যু হার ছিল ৫%।
৩. দুধ সংরক্ষণ কী?
মাছ খাবি খায় কেন? ব্যাখ্যা কর।
ফজর আলীর খামারের চলমান মোট খরচকে ছক আকারে প্রকাশ কর।
উদ্দীপকের খামারটি লাভজনক হওয়ার সম্ভাবনা বিশ্লেষণ কর।
সমাধান ও উত্তর
(ক)
দুধের গুণমান ও নিরাপত্তা বজায় রেখে নষ্ট হওয়ার গতি কমিয়ে পরবর্তী ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় রেখে দেওয়াকে দুধ সংরক্ষণ বলে।
(খ)

পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে গেলে মাছ উপরিভাগে উঠে মুখ দিয়ে খাবি খেতে পারে। অতিরিক্ত জৈব পদার্থের পচন, বেশি খাদ্য বা সার, অতিরিক্ত মজুদঘনত্ব এবং দীর্ঘ মেঘলা আবহাওয়া এ ঘাটতি ঘটাতে পারে।

তবে ফুলকার রোগ বা বিষক্রিয়াতেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তাই খাবি খেতে দেখলে দ্রুত পানির অক্সিজেন বাড়ানোর ব্যবস্থা এবং কারণ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

(গ)

উদ্দীপকে প্রথম ব্যাচের ৩০ দিনের মোট চলমান খরচ ২৫,০০০ টাকা দেওয়া আছে; আলাদা খাতের অঙ্ক দেওয়া নেই। তাই তথ্য না বানিয়ে ছকটি হবে—

চলমান খরচের খাত টাকার পরিমাণ
বাচ্চা ক্রয় পৃথক অঙ্ক দেওয়া নেই
খাদ্য ক্রয় পৃথক অঙ্ক দেওয়া নেই
বিদ্যুৎ ও পানি পৃথক অঙ্ক দেওয়া নেই
টিকা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পৃথক অঙ্ক দেওয়া নেই
লিটার বা বিছানা পৃথক অঙ্ক দেওয়া নেই
শ্রম ও পরিবহন পৃথক অঙ্ক দেওয়া নেই
প্রথম ব্যাচের মোট চলমান খরচ ২৫,০০০ টাকা

সব ব্যাচে একই খরচ হলে ১০ ব্যাচের আনুমানিক চলমান খরচ = ২৫,০০০ × ১০ = ২,৫০,০০০ টাকা। ঘর তৈরির ব্যয় ও অন্য স্থায়ী বিনিয়োগ চলমান খরচের মধ্যে আবার যোগ হবে না।

(ঘ)

খামার লাভজনক কি না জানতে বিক্রয়মূল্য, প্রকৃত বেঁচে থাকা মুরগির সংখ্যা ও মোট ব্যয় প্রয়োজন। উদ্দীপকে বিক্রয়মূল্য নেই, তাই নিশ্চিত লাভের অঙ্ক নয়, লাভের শর্ত নির্ণয় করা যায়।

পরিকল্পনাগত হিসাবে বেঁচে থাকার হার = ১০০% − ৫% = ৯৫%।

প্রত্যাশিত জীবিত মুরগির সংখ্যা = ১৫০ × ০.৯৫ = ১৪২.৫টি।

এটি শতকরা হারভিত্তিক গড় হিসাব; বাস্তবে সংখ্যা পূর্ণসংখ্যা হবে, অর্থাৎ প্রায় ১৪২–১৪৩টি।

আনুমানিক বিক্রয়যোগ্য জীবন্ত ওজন = ১৪২.৫ × ১.৫ = ২১৩.৭৫ কেজি।

শুধু ২৫,০০০ টাকা চলমান খরচ ওঠার জন্য প্রতি কেজির দর = ২৫,০০০ ÷ ২১৩.৭৫ ≈ ১১৬.৯৬ টাকা।

পূর্ণ ব্যয় ধরতে ঘর ও যন্ত্রপাতির অবচয় এবং প্রযোজ্য মূলধনব্যয়ও যোগ করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে পাঠ্যবইয়ের হিসাবপদ্ধতি প্রয়োগে ২০,০০০ টাকা মোট স্থায়ী খরচের মধ্যে ঘর ১৫,০০০ টাকা এবং অন্য স্থায়ী সম্পদ ৫,০০০ টাকা ধরা হলে—

ঘরের বার্ষিক অবচয়, ৫% হিসাবে = ১৫,০০০ × ০.০৫ = ৭৫০ টাকা।

অন্য স্থায়ী সম্পদের বার্ষিক অবচয়, ১০% হিসাবে = ৫,০০০ × ০.১০ = ৫০০ টাকা।

পাঠ্যবইয়ের উদাহরণের ১৫% মূলধনব্যয়ের হার ধরলে = (২০,০০০ + ২৫,০০০) × ০.১৫ = ৬,৭৫০ টাকা।

মোট বার্ষিক অতিরিক্ত হিসাবকৃত ব্যয় = ৭৫০ + ৫০০ + ৬,৭৫০ = ৮,০০০ টাকা।

১০ ব্যাচে সমান ভাগ করলে ব্যাচপ্রতি অতিরিক্ত ব্যয় = ৮,০০০ ÷ ১০ = ৮০০ টাকা।

প্রথম ব্যাচের আনুমানিক পূর্ণ ব্যয় = ২৫,০০০ + ৮০০ = ২৫,৮০০ টাকা।

এই অনুমানে সমতা-বিক্রয়দর = ২৫,৮০০ ÷ ২১৩.৭৫ ≈ ১২০.৭০ টাকা/কেজি।

এটি বর্তমান বাজারদর নয়, পাঠ্যবইয়ের নমুনা হারনির্ভর হিসাব। প্রকৃত অবচয়, অর্থায়নব্যয় ও বিক্রয়যোগ্য ওজন বদলালে ফলও বদলাবে। সেই মোট ব্যয়ের চেয়ে বিক্রয় ও অন্যান্য নিট আয় বেশি হলে খামার লাভজনক হবে। মৃত্যু ও খাদ্যের অপচয় কমিয়ে এবং বাজারদর যাচাই করে পরিকল্পনা নেওয়া উচিত।

অধ্যায়-৬: কৃষি সমবায় আনলক করো

এই অধ্যায়টি প্রিমিয়াম প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত। সব প্রশ্ন অনুশীলন করতে সাবস্ক্রাইব করো।