এসএসসি · ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
অধ্যায়-৭: মূলধন ব্যয় - ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বহুনির্বাচনি ও বোর্ড সমাধান
৪টি প্রশ্ন রয়েছে। নিচে কয়েকটি নমুনা দেখো; সব প্রশ্ন, উত্তর ও ব্যাখ্যা পেতে সাবস্ক্রাইব করো।
জনাব আব্দুল্লাহর সাধারণ শেয়ার ছিল।
সাধারণ শেয়ার সহজে হস্তান্তরযোগ্য ও শেয়ারবাজারে বিক্রয়যোগ্য হওয়ায় তুলনামূলকভাবে তারল্যসম্পন্ন। আব্দুল্লাহ প্রয়োজনের সময় শেয়ারগুলো বিক্রি করে চিকিৎসার অর্থ সংগ্রহ করেছেন—এটি সাধারণ শেয়ারের বাজারযোগ্যতা ও তারল্যের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মুনাফা, সম্পদের ওপর দাবি ও জামানতের বিবেচনায় ‘খ’ কোম্পানিতে বিনিয়োগ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
‘ক’ কোম্পানির বিনিয়োগপত্রটি বন্ড: এর ধারক সুদ ও কোম্পানি অবসায়নের সময় সম্পদ বিক্রির অর্থে অগ্রাধিকার পান এবং সাধারণত সম্পদের জামানত থাকে। ‘খ’ কোম্পানির বিনিয়োগপত্রটি ডিবেঞ্চার: নির্দিষ্ট সুদ দিলেও এর বিপরীতে স্থায়ী সম্পদ বন্ধক নেই। ফলে কোম্পানি ব্যর্থ হলে ‘খ’-এর বিনিয়োগকারীর পাওনা আদায়ের নিরাপত্তা কম। তাই রফাতুল্লাহর জন্য ‘খ’ কোম্পানির ডিবেঞ্চার অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
টেবিল তৈরির জন্য কাঠ ক্রয় কার্যকরী মূলধন বা স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত।
কাঠ উৎপাদনের কাঁচামাল এবং এটি অল্প সময়ের মধ্যে ব্যবহৃত হয়ে প্রস্তুত পণ্যে রূপ নেয়। তাই কাঠ কেনায় ব্যয়িত অর্থ চলতি সম্পদে বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য হয়; এটি স্থায়ী সম্পদে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ নয়।
জনাব আদিল অগ্রাধিকার শেয়ার ক্রয় করেছেন।
অগ্রাধিকার শেয়ারে সাধারণত নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পাওয়ার অগ্রাধিকার থাকে, কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় ভোটাধিকার ও সাধারণ সভায় অংশগ্রহণের অধিকার থাকে না। উদ্দীপকে আদিল নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পেলেও এসব অধিকার পাননি—যা অগ্রাধিকার শেয়ারের বৈশিষ্ট্য।
জনাব আদিল অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডার, আর জনাব সাহেদ সাধারণ শেয়ারহোল্ডার হওয়ায় তাদের ভোটাধিকার ভিন্ন।
অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডার নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ ও মূলধন ফেরতে অগ্রাধিকার পেলেও সাধারণত কোম্পানির পরিচালনা-সংক্রান্ত ভোট দিতে পারেন না। বিপরীতে সাধারণ শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির প্রকৃত মালিক; তিনি সাধারণ সভায় অংশ নেন এবং শেয়ারসংখ্যা অনুযায়ী ভোট দিয়ে পরিচালক নির্বাচনসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে মত দেন। তাই আদিল ভোটাধিকার না পেলেও সাহেদ ভোটাধিকার পেয়েছেন।
শায়লার বিনিয়োগ সাধারণ শেয়ারে, আর রুমানার বিনিয়োগ অগ্রাধিকার শেয়ারে। শায়লার আয় অনির্দিষ্ট, কিন্তু ভোটাধিকার আছে এবং কোম্পানির বেশি মুনাফায় বেশি লভ্যাংশ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি।
রুমানা নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পান এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডারের আগে লভ্যাংশ ও অবসায়নে মূলধনের দাবি মেটানো হয়, কিন্তু সাধারণত ভোটাধিকার নেই। তাই আয়, ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণ—তিন ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ দুটি ভিন্ন।