শুভজিত মেডিকেলের একজন মেধাবী ছাত্র। সে লেখাপড়ার পাশাপাশি একটি ধর্মীয় সংগঠনের সাথে জড়িত। মেডিকেলের চূড়ান্ত পরীক্ষার সময় তার সংগঠন থেকে ধর্মপ্রচারণার কাজে ডাক পেল। সে মেডিকেলের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে ধর্ম প্রচারের কাজে অংশগ্রহণ করে। অন্য দিকে সুমন বাবু এরাকায় একটি বালিকা বিদ্যালয় এবং একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাছাড়া এলাকার নারীদের জন্য একটি কুটির শিল্পও প্রতিষ্ঠা করেন।
১.
বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর পিতার নাম কী?
'সত্যই সকল ধর্মের ভিত্তি'-বুঝিয়ে লেখ।
শুভজিতের মধ্যে কোন মহাপুরুষের আচরণিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
'নারী জাগরণে সুমন বাবুর অবদান স্বামী বিবেকানন্দের অবদানের অনরূপ'-মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
সমাধান ও উত্তর
(ক)
বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর পিতার নাম আনন্দকিশোর গোস্বামী।
(খ)
বিবেকানন্দ বলতেন, সত্যই সকল ধর্মের ভিত্তি। সৎ হওয়া আর সৎ কর্ম করা ধর্মের অঙ্গ। তিনি অথর্ববেদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, 'অসত্য নয়, সত্যেরই জয় হয়; একমাত্র সত্যের মধ্য দিয়েই ঈশ্বর লাভের পথ প্রসারিত হয়।' যে ব্যক্তি জগতের জন্য তার ক্ষুদ্র 'আমিকে' ত্যাগ করতে পারে, সে দেখে সমস্ত জগৎ তার। যে ব্যক্তি পবিত্র এবং সাহসী, সেই সব কিছু করতে পারে।
(গ)
শুভজিতের মধ্যে শ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর আচরণিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়।
ধর্ম প্রচার ও মানবতার সেবায় যে সকল মনীষী স্মরণীয় হয়ে আছেন তাদের মধ্যে শ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী অন্যতম। কলকাতার সংস্কৃত কলেজে কিছুকাল পড়ার পর বিষয়কৃষ্ণ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। এই সময় ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে বিজয়কৃষ্ণের যোগাযোগ ঘটে। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কেশবচন্দ্রের বক্তৃতা শুনে তার মনে পরিবর্তন আসে। তিনি ব্রাহ্মধর্মের প্রতি অনুরক্ত হন এবং ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন।
বিজয়কৃষ্ণের মেডিকেলের চূড়ান্ত পরীক্ষা যখন সামনে তখন ব্রাহ্মসমাজ থেকে ধর্ম প্রচারের ডাক এল। চিকিৎসক জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে বিজয়কৃষ্ণ ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি হলেন ব্রাহ্মসমাজের আচার্য বিজয়কৃষ্ণ। ঢাকা, বরিশাল, যশোর, খুলনা এবং ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে তিনি ব্রাহ্মধর্ম প্রচার করেন। অনেককে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষাও দেন।
ধর্মপ্রচারে বিজয়কৃষ্ণ শ্রীক্ষেত্র পুরী গেলে স্থানীয় কিছু ধর্মব্যবসায়ী ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে বিষমিশ্রিত লাড্ডু খেতে দিয়ে হত্যা করে। তেমনি বিরাজ উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেও নিজের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন অঞ্চলে অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ান এবং তাদেরকে ধর্মপথে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু অসৎ ধর্মব্যবসায়ীরা তার প্রতি বিদ্বেষী হয়ে তাকে সুকৌশলে হত্যা করে।
উদ্দীপকে শুভজিত মেডিকেলের একজন মেধাবী ছাত্র। সে লেখা-পড়ার পাশাপাশি একটি ধর্মীয় সংগঠনের সাথে জড়িত। মেডিকেলের চূড়ান্ত পরীক্ষার সময় তার সংগঠন থেকে ধর্মপ্রচারণার কাজে ডাক পেল। সে মেডিকেলের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে ধর্ম প্রচারের কাজে অংশগ্রহণ করে। যা শ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর কর্মকাণ্ডের সাথে মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, শুভজিতের মধ্যে শ্রীবিজয় কৃষ্ণ গোস্বামীর আচরণিক বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে।
ধর্ম প্রচার ও মানবতার সেবায় যে সকল মনীষী স্মরণীয় হয়ে আছেন তাদের মধ্যে শ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী অন্যতম। কলকাতার সংস্কৃত কলেজে কিছুকাল পড়ার পর বিষয়কৃষ্ণ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। এই সময় ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে বিজয়কৃষ্ণের যোগাযোগ ঘটে। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কেশবচন্দ্রের বক্তৃতা শুনে তার মনে পরিবর্তন আসে। তিনি ব্রাহ্মধর্মের প্রতি অনুরক্ত হন এবং ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করেন।
বিজয়কৃষ্ণের মেডিকেলের চূড়ান্ত পরীক্ষা যখন সামনে তখন ব্রাহ্মসমাজ থেকে ধর্ম প্রচারের ডাক এল। চিকিৎসক জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে বিজয়কৃষ্ণ ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি হলেন ব্রাহ্মসমাজের আচার্য বিজয়কৃষ্ণ। ঢাকা, বরিশাল, যশোর, খুলনা এবং ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে তিনি ব্রাহ্মধর্ম প্রচার করেন। অনেককে তিনি ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষাও দেন।
ধর্মপ্রচারে বিজয়কৃষ্ণ শ্রীক্ষেত্র পুরী গেলে স্থানীয় কিছু ধর্মব্যবসায়ী ঈর্ষান্বিত হয়ে তাকে বিষমিশ্রিত লাড্ডু খেতে দিয়ে হত্যা করে। তেমনি বিরাজ উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেও নিজের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন অঞ্চলে অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ান এবং তাদেরকে ধর্মপথে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু অসৎ ধর্মব্যবসায়ীরা তার প্রতি বিদ্বেষী হয়ে তাকে সুকৌশলে হত্যা করে।
উদ্দীপকে শুভজিত মেডিকেলের একজন মেধাবী ছাত্র। সে লেখা-পড়ার পাশাপাশি একটি ধর্মীয় সংগঠনের সাথে জড়িত। মেডিকেলের চূড়ান্ত পরীক্ষার সময় তার সংগঠন থেকে ধর্মপ্রচারণার কাজে ডাক পেল। সে মেডিকেলের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে ধর্ম প্রচারের কাজে অংশগ্রহণ করে। যা শ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর কর্মকাণ্ডের সাথে মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, শুভজিতের মধ্যে শ্রীবিজয় কৃষ্ণ গোস্বামীর আচরণিক বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে।
(ঘ)
"নারী জাগরণে সুমন বাবুর অবদান স্বামী বিবেকানন্দের অনুরূপ”-মন্ত্যটি যথার্থ।
স্বামী বিবেকানন্দ নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন। নারীশিক্ষাকে তিনি জোরের সঙ্গে সমর্থন করতেন। বৈদিক যুগের মৈত্রেয়ী, গার্গী প্রমুখ বিদুষী নারীদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, "সেই যুগে নারীরা যদি এত শিক্ষা লাভ করতে পারে, তাহলে এ যুগের নারীরা তা পারবে না কেন?” তাঁর মতে, যে জাতি নারীদের সম্মান দেয় না সে জাতি কখনো বড় হতে পারে না। এমনকি আধ্যাত্ম সাধনায় নারীরা যাতে সুযোগ পায় এবং এগিয়ে আসে তাঁর জন্য তিনি সারদা দেবীর পরিচালনায় নারীদের জন্য একটি মঠ প্রতিষ্ঠারও পরিকল্পনা করেছিলেন। বাল্যবিবাহকে তিনি ঘৃণা করতেন। শুধু তা-ই নয়; তিনি বলেছেন, "ইচ্ছা না থাকলে বিবাহ না করার স্বাধীনতা সকল স্ত্রীলোকের স্বাভাবিক অধিকার বলিয়া গণ্য হওয়া উচিত।"
উদ্দীপকে সুমন বাবু এলাকায় একটি বালিকা বিদ্যালয় এবং একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাছাড়া এলাকার নারীদের জন্য একটি কুটির শিল্পও প্রতিষ্ঠা করেন। এসব কর্মকাণ্ড স্বামী বিবেকানন্দের সাথে মিল রয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, "নারী জাগরণে সুমন বাবুর অবদান স্বামী বিবেকানন্দের অনুরূপ”- উক্তিটি যথার্থ।
স্বামী বিবেকানন্দ নারী স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিলেন। নারীশিক্ষাকে তিনি জোরের সঙ্গে সমর্থন করতেন। বৈদিক যুগের মৈত্রেয়ী, গার্গী প্রমুখ বিদুষী নারীদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, "সেই যুগে নারীরা যদি এত শিক্ষা লাভ করতে পারে, তাহলে এ যুগের নারীরা তা পারবে না কেন?” তাঁর মতে, যে জাতি নারীদের সম্মান দেয় না সে জাতি কখনো বড় হতে পারে না। এমনকি আধ্যাত্ম সাধনায় নারীরা যাতে সুযোগ পায় এবং এগিয়ে আসে তাঁর জন্য তিনি সারদা দেবীর পরিচালনায় নারীদের জন্য একটি মঠ প্রতিষ্ঠারও পরিকল্পনা করেছিলেন। বাল্যবিবাহকে তিনি ঘৃণা করতেন। শুধু তা-ই নয়; তিনি বলেছেন, "ইচ্ছা না থাকলে বিবাহ না করার স্বাধীনতা সকল স্ত্রীলোকের স্বাভাবিক অধিকার বলিয়া গণ্য হওয়া উচিত।"
উদ্দীপকে সুমন বাবু এলাকায় একটি বালিকা বিদ্যালয় এবং একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাছাড়া এলাকার নারীদের জন্য একটি কুটির শিল্পও প্রতিষ্ঠা করেন। এসব কর্মকাণ্ড স্বামী বিবেকানন্দের সাথে মিল রয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, "নারী জাগরণে সুমন বাবুর অবদান স্বামী বিবেকানন্দের অনুরূপ”- উক্তিটি যথার্থ।