-
সিন্ধু
-
মিশরীয়
-
গ্রিক
-
রোমান
এসএসসি · বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা
অধ্যায়-২: বিশ্বসভ্যতা - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বহুনির্বাচনি ও বোর্ড সমাধান
১২৬টি প্রশ্ন রয়েছে। নিচে কয়েকটি নমুনা দেখো; সব প্রশ্ন, উত্তর ও ব্যাখ্যা পেতে সাবস্ক্রাইব করো।
-
১৮৪৬
-
১৮৪৭
-
১৯১৪
-
১৯২২
নিচের চিত্রগুলো লক্ষ্য করো এবং ১৮ ও ১৯ নং প্রশ্নের উত্তর দাও:
চিত্রগুলো কোন সভ্যতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়?
-
গ্রিক
-
রোমান
-
মিশরীয়
-
সিন্ধু
সঠিক উত্তর: গ (মিশরীয়)
ব্যাখ্যা:
উদ্দীপকের চিত্রে তিনটি মৌলিক জ্যামিতিক আকৃতি—ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ (আয়তক্ষেত্র) এবং বৃত্ত প্রদর্শিত হয়েছে।
এনসিটিবি (NCTB) নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পাঠ্যবইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় (‘বিশ্বসভ্যতা - মিশরীয় সভ্যতা: বিজ্ঞান, গণিত ও জ্যামিতি’)-এর আলোকে:
• প্রাচীন মিশরে প্রতি বছর নীল নদের বন্যায় ফসলি জমির সীমানা ও আইল মুছে যেত। ফলে বন্যা শেষে জমি পরিমাপ ও জরিপ করার তাগিদ থেকেই মিশরীয়রা প্রথম জ্যামিতিক পরিমাপ ও সূত্রের উদ্ভাবন করে।
• তারাই সর্বপ্রথম ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ এবং বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র ও পদ্ধতি আবিষ্কার করে। এছাড়া তাদের সুবিশাল পিরামিড, মন্দির ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে এই জ্যামিতিক জ্ঞান অপরিহার্য ছিল।
অতএব, জ্যামিতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী এই জ্যামিতিক চিত্রগুলো প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
উক্ত সভ্যতার অধিবাসীরা ছিল—
i. ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত
ii. একেশ্বরবাদের ধারক
iii. প্রথম পঞ্জিকার আবিষ্কারক
নিচের কোনটি সঠিক?
-
i ও ii
-
i ও iii
-
ii ও iii
-
i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: খ (i ও iii)
ব্যাখ্যা:
উদ্দীপকে নির্দেশিত সভ্যতাটি হলো মিশরীয় সভ্যতা।
এনসিটিবি (NCTB) নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা পাঠ্যবইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায় অনুযায়ী:
• ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত (বিবৃতি i সঠিক): মিশরীয়দের সমগ্র জীবনধারা, স্থাপত্য, পিরামিড ও শাসনব্যবস্থা গভীরভাবে ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত ছিল। তারা পরকাল ও পুনর্জন্মে বিশ্বাস করত বলেই মৃতদেহ মমি করে পিরামিডে সংরক্ষণ করত।
• প্রথম পঞ্জিকার আবিষ্কারক (বিবৃতি iii সঠিক): কৃষিকাজ ও নীল নদের বন্যার সময় নির্ধারণের সুবিধার্থে মিশরীয় পণ্ডিতরা প্রথম বছরকে ৩৬৫ দিন এবং ১২ মাসে ভাগ করে একটি অত্যন্ত নিখুঁত সৌর পঞ্জিকা (সোলার ক্যালেন্ডার) আবিষ্কার করেন।
• একেশ্বরবাদের ধারক নয় (বিবৃতি ii ভুল): সাধারণ মিশরীয়রা ছিল বহু-ঈশ্বরবাদী বা বহু দেব-দেবীর পূজারি (যেমন: সূর্যদেব আমন-রা, ওসিরিস ইত্যাদি)। কেবল ফারাও চতুর্থ আমেনহোতেপ (ইখনাটন) সাময়িকভাবে সূর্যদেব আতেনের একত্ববাদী উপাসনা চালুর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তার মৃত্যুর পর তা সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত হয়। ফলে সামগ্রিকভাবে মিশরীয়রা একেশ্বরবাদের ধারক ছিল না।
অতএব, মিশরীয় সভ্যতার অধিবাসীদের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য হলো i ও iii।