-
হার্ট অ্যাটাক
-
থাইরয়েড গ্রন্থির ক্যান্সার
-
কিডনি রোগ
-
পিত্তথলির পাথর
এসএসসি · পদার্থবিজ্ঞান
অধ্যায়-১৪: জীবন বাঁচাতে পদার্থবিজ্ঞান - পদার্থবিজ্ঞান বহুনির্বাচনি ও বোর্ড সমাধান
১০টি প্রশ্ন রয়েছে। নিচে কয়েকটি নমুনা দেখো; সব প্রশ্ন, উত্তর ও ব্যাখ্যা পেতে সাবস্ক্রাইব করো।
ইসিজি ও ইটিটির দুটি প্রধান পার্থক্য:
১. ইসিজি সাধারণত বিশ্রামরত অবস্থায় হৃদ্যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের লেখচিত্র ধারণ করে; ইটিটি ট্রেডমিলে ধাপে ধাপে ব্যায়াম করিয়ে হৃদ্যন্ত্রের প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে।
২. ইসিজি বিশ্রামকালীন ছন্দ ও বৈদ্যুতিক অস্বাভাবিকতা শনাক্তে ব্যবহৃত হয়; ইটিটি পরিশ্রমের সময় রক্তস্বল্পতা, বুকে ব্যথা বা হৃদ্যন্ত্রের কর্মক্ষমতার সমস্যা মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়।
মুখ্য কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা np = ৫০, গৌণ কুণ্ডলীর পাকসংখ্যা ns = ১০০ এবং মুখ্য ভোল্টেজ Vp = ২২০ V। আদর্শ ট্রান্সফর্মারে,
Vs/Vp = ns/np।
Vs = ২২০ × ১০০/৫০ = ৪৪০ V।
অতএব, গৌণ কুণ্ডলীর ভোল্টেজ ৪৪০ V।
আদর্শ ট্রান্সফর্মারে,
Ip/Is = ns/np
= ১০০/৫০ = ২।
অতএব, Ip : Is = ২ : ১।
এখানে ns > np এবং Vs > Vp; তাই এটি উচ্চধাপী বা step-up ট্রান্সফর্মার। বিদ্যুৎকেন্দ্রে সঞ্চালনের আগে ভোল্টেজ বাড়িয়ে তড়িৎপ্রবাহ ও I²R শক্তিক্ষয় কমাতে এটি ব্যবহৃত হয়। এক্স-রে যন্ত্রের মতো উচ্চ ভোল্টেজ প্রয়োজন এমন যন্ত্রেও উচ্চধাপী ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।
ট্রান্সফর্মারের জন্য,
Vₛ/Vₚ = nₛ/nₚ।
অতএব, Vₛ = Vₚ × nₛ/nₚ
= ২১০ × ১০০/৩০
= ৭০০ V।
আদর্শ ট্রান্সফর্মারে ইনপুট ক্ষমতা ও আউটপুট ক্ষমতা সমান।
Pₚ = VₚIₚ
= ২১০ × ৫০
= ১০৫০০ W = ১০.৫ kW।
কারখানার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ১০ kW। যেহেতু ১০.৫ kW > ১০ kW, আদর্শ অবস্থা ধরে চিত্র-১-এর ট্রান্সফর্মারটি কারখানা পরিচালনার জন্য উপযোগী। তখন গৌণ প্রবাহের সর্বোচ্চ মান Is = ১০৫০০/৭০০ = ১৫ A। বাস্তবে ক্ষতি থাকলে অন্তত ১০/১০.৫ × ১০০% ≈ ৯৫.২৪% কর্মদক্ষতা প্রয়োজন হবে।
৫৬ Ω ও ১৪ Ω রোধ সমান্তরালে যুক্ত। তাই,
১/Rp = ১/৫৬ + ১/১৪ = ৫/৫৬
Rp = ৫৬/৫ = ১১.২ Ω।
মূল প্রবাহ I = ০.৫ A। কোষের তড়িচ্চালক শক্তি,
E = IRp = ০.৫ × ১১.২ = ৫.৬ V।
২ নম্বর বর্তনীতে R₁ ও R₂ শ্রেণিতে, তাই Rs = ১৫ + ২৫ = ৪০ Ω। এটি R₃ = ১০ Ω-এর সঙ্গে সমান্তরালে।
Rp = (৪০ × ১০)/(৪০ + ১০) = ৮ Ω।
R₄ = ৭ Ω শ্রেণিতে থাকায় মোট রোধ R = ৮ + ৭ = ১৫ Ω। তাই A₂-এর পাঠ বা মূল প্রবাহ,
I₂ = ৪৮/১৫ = ৩.২ A।
সমান্তরাল অংশে বিভব,
Vp = ৪৮ − I₂R₄ = ৪৮ − ৩.২ × ৭ = ২৫.৬ V।
R₁–R₂ শাখায় A₁-এর পাঠ,
I₁ = ২৫.৬/৪০ = ০.৬৪ A।
অতএব, I₂/I₁ = ৩.২/০.৬৪ = ৫; অর্থাৎ A₂-এর পাঠ A₁-এর পাঠের ৫ গুণ।