-
ত্রিপুরা
-
মিজোরাম রাজ্য
-
মিয়ানমার
-
মেঘালয়
এসএসসি · ভূগোল ও পরিবেশ
ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪
৪১টি প্রশ্ন রয়েছে। নিচে কয়েকটি নমুনা দেখো; সব প্রশ্ন, উত্তর ও ব্যাখ্যা পেতে সাবস্ক্রাইব করো।
-
শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া
-
নদীর দুতীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি করা
-
সহজে স্থানান্তরযোগ্য বসতি তৈরি করা
-
নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা
উদ্দীপকের চিত্রটি লক্ষ করো এবং ৩ ও ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও:
মানচিত্রে 'X' চিহ্নিত স্থানটি বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতির কোন অংশকে নির্দেশ করে?
-
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
-
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
-
লালমাই পাহাড়
-
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
সঠিক উত্তর: খ (দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ)
ব্যাখ্যা:
এনসিটিবি (NCTB) নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ পাঠ্যবইয়ের দশম অধ্যায় (‘বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ - ভূ-প্রকৃতি: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ’)-এর আলোকে:
১. মানচিত্রে 'X' চিহ্নিত স্থান শনাক্তকরণ:
- উদ্দীপকের মানচিত্রে প্রদর্শিত 'X' চিহ্নিত অংশটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলকে (রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলা) নির্দেশ করছে।
২. ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল ও বৈশিষ্ট্য:
- ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ ও উৎপত্তি অনুসারে এ অঞ্চলটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহের অন্তর্গত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ নামে পরিচিত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত এবং এগুলো উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত ও ভাঁজ পর্বতের সমগোত্রীয়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিংডং (বিজয় - ১২৩১ মিটার) এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কিওক্রাডং (১২৩০ মিটার) এ অঞ্চলেই অবস্থিত।
অতএব, মানচিত্রে 'X' চিহ্নিত স্থানটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ-কে নির্দেশ করে (বিকল্প খ)।
উদ্দীপকের মানচিত্রে 'Y' চিহ্নিত স্থানের বৈশিষ্ট্য হলো—
i. মাটির স্তর খুব গভীর
ii. ভূমি খুবই উর্বর
iii. মাটির রং লালচে ও ধূসর
নিচের কোনটি সঠিক?
-
i ও ii
-
i ও iii
-
ii ও iii
-
i, ii ও iii
সঠিক উত্তর: ক (i ও ii)
ব্যাখ্যা:
এনসিটিবি (NCTB) নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ পাঠ্যবইয়ের দশম অধ্যায় (‘বাংলাদেশের ভৌগোলিক বিবরণ - সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি’)-এর আলোকে:
১. মানচিত্রে 'Y' চিহ্নিত অঞ্চল শনাক্তকরণ:
- উদ্দীপকের মানচিত্রে প্রদর্শিত 'Y' চিহ্নিত অংশটি বাংলাদেশের মধ্যভাগ ও নদীবিধৌত সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি (Recent Floodplain) অঞ্চলকে নির্দেশ করে। এটি বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮০% এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
২. উক্তিগুলোর যথার্থতা বিশ্লেষণ:
- উক্তি (i) সঠিক (মাটির স্তর খুব গভীর): প্রতি বছর বন্যায় পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও অন্যান্য নদ-নদী দ্বারা বাহিত পলিমাটি স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে এখানে অত্যন্ত গভীর নরম পলল বা পলল মাটির স্তরের সৃষ্টি হয়েছে।
- উক্তি (ii) সঠিক (ভূমি খুবই উর্বর): নিয়মিত নতুন পলি সঞ্চয়ের ফলে এ সমভূমির মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং ধান, পাট, গম, ডাল, শাকসবজিসহ প্রায় সকল প্রকার কৃষিজ ফসল উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
- উক্তি (iii) সঠিক নয় (মাটির রং লালচে ও ধূসর): লালচে ও ধূসর বর্ণের মাটি দেখা যায় মূলত বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়ের মতো প্লাইস্টোসিন কালের চত্বর বা সোপানসমূহে। প্লাবন সমভূমির সাম্প্রতিক পলিমাটি সাধারণত উর্বর ধূসর ও সূক্ষ্ম দোআঁশ প্রকৃতির হয়।
অতএব, মানচিত্রে 'Y' চিহ্নিত সাম্প্রতিক প্লাবন সমভূমির সঠিক বৈশিষ্ট্য হলো i ও ii (বিকল্প ক)।