| রাজ্য | জীব |
|---|---|
| P | Penicillium |
| Q | Corchorus |
| R | Copsychus |
[P, Q ও R প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
Nostoc-এর কোষে সুগঠিত ও পর্দাবেষ্টিত নিউক্লিয়াস এবং ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু নেই।
এর DNA নিউক্লীয় পর্দাবিহীন নিউক্লিওয়েডে থাকে এবং 70S রাইবোজোম বিদ্যমান; তাই Nostoc-কে প্রোক্যারিওটা সুপার কিংডমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
উদ্দীপকের Q রাজ্য হলো Plantae এবং এর জীব পাট; লিনিয়াসের দ্বিপদ নামকরণে এর বৈজ্ঞানিক নাম Corchorus capsularis।
বৈজ্ঞানিক নাম দুটি ল্যাটিন বা ল্যাটিনকৃত শব্দে গঠিত হয়; প্রথমটি গণের নাম Corchorus এবং দ্বিতীয়টি প্রজাতির নাম capsularis।
মুদ্রণে দুটি শব্দই বাঁকা হরফে, হাতে লিখলে আলাদাভাবে দাগ দিয়ে লিখতে হয়; গণের প্রথম অক্ষর বড় ও প্রজাতির সব অক্ষর ছোট হয়, প্রয়োজনে শেষে নামদাতা বিজ্ঞানীর সংক্ষিপ্ত নাম লেখা যায়।
উদ্দীপকের P রাজ্যের Penicillium-এর তুলনায় R রাজ্যের Copsychus বা দোয়েল অধিক উন্নত—এ সিদ্ধান্ত যথার্থ।
Penicillium একটি ইউক্যারিওটিক ছত্রাক; এর দেহ হাইফা ও মাইসেলিয়ামে গঠিত, কাইটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর আছে এবং শোষণ পদ্ধতিতে পুষ্টি গ্রহণ করে, কিন্তু প্রকৃত টিস্যু ও অঙ্গতন্ত্র নেই।
Copsychus বহুকোষী কর্ডাটা প্রাণী; এর কোষে কোষপ্রাচীর নেই এবং টিস্যু, অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্রের সুস্পষ্ট বিভাজন, স্নায়ুতন্ত্র, চলন, সংবেদন ও জটিল প্রজনন দেখা যায়।
অঙ্গতান্ত্রিক সংগঠন, কার্যবিভাজন ও পরিবেশে সক্রিয় সাড়াদানের উচ্চমাত্রার জন্য Animalia রাজ্যের Copsychus, Fungi রাজ্যের Penicillium-এর চেয়ে অধিক উন্নত।
কচুরিপানার প্যারেনকাইমা কোষগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে বড় বড় বায়ুকুঠুরি সৃষ্টি হয়ে অ্যারেনকাইমা গঠিত হয়।
বায়ুকুঠুরিগুলো উদ্ভিদের আপেক্ষিক ঘনত্ব কমিয়ে প্লবতা বাড়ায় এবং গ্যাস সঞ্চালনে সহায়তা করে; তাই কচুরিপানা পানিতে ভেসে থাকে।
উদ্দীপকের X হলো প্যারেনকাইমা টিস্যু এবং A অংশটি কোষকেন্দ্র; সংযুক্ত চিত্রে এর প্রধান অংশগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
কোষকেন্দ্র দ্বিস্তরী নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দিয়ে আবৃত; ঝিল্লিতে নিউক্লিয়ার রন্ধ্র থাকে এবং ভেতরের নিউক্লিওপ্লাজমে ক্রোমাটিন জালিকা ও এক বা একাধিক নিউক্লিওলাস অবস্থান করে।
ক্রোমাটিনে DNA ও জিন থাকায় কোষকেন্দ্র কোষের বিপাক, বৃদ্ধি, প্রোটিন সংশ্লেষ ও বিভাজন নিয়ন্ত্রণ করে এবং বংশগত বৈশিষ্ট্য অপত্যকোষে সঞ্চারিত করে।
উদ্দীপকের T হলো স্ক্লেরেনকাইমা; উদ্ভিদদেহে দৃঢ়তা, যান্ত্রিক শক্তি ও সুরক্ষা প্রদানই এর প্রধান শারীরবৃত্তীয় গুরুত্ব।
এর পরিণত কোষ মৃত, লম্বা বা অনিয়মিত এবং লিগনিনযুক্ত গৌণ প্রাচীর অত্যন্ত পুরু; কোষগহ্বর সংকীর্ণ হওয়ায় চাপ ও টান সহ্য করতে পারে।
স্ক্লেরেনকাইমা তন্তু কাণ্ড, পাতা ও ভাস্কুলার বান্ডলকে দৃঢ় রাখে, আর স্ক্লেরাইড বীজ ও ফলের শক্ত আবরণ তৈরি করে কোমল অংশকে আঘাত থেকে রক্ষা করে।
ফলে উদ্ভিদ সোজা থাকতে, বাতাস ও ভারজনিত চাপ সহ্য করতে এবং বীজ-ফলকে রক্ষা করতে পারে; তাই T টিস্যু উদ্ভিদের স্থায়িত্বে অপরিহার্য।
চিত্র-A: একটি 2n মাতৃকোষ বিভাজিত হয়ে দুটি 2n অপত্যকোষ সৃষ্টি করছে।
চিত্র-B: তুলাগাছের S অংশে অগ্রমুকুল এবং T অংশে প্রজনন অঙ্গ/ফল নির্দেশ করা হয়েছে।
উদ্ভিদকোষে টেলোফেজের শেষে গলজি বস্তুজাত ভেসিকল কোষের বিষুবীয় অঞ্চলে সারিবদ্ধ ও পরস্পর যুক্ত হয়ে কোষপ্লেট গঠন করে।
কোষপ্লেট কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে বাড়তে বাড়তে মাতৃকোষের প্রাচীরের সঙ্গে মিলিত হয় এবং মধ্যপর্দা ও দুই অপত্যকোষের নতুন কোষপ্রাচীর সৃষ্টি করে।
চিত্র-A-তে 2n মাতৃকোষ থেকে দুটি 2n অপত্যকোষ সৃষ্টি হওয়ায় প্রক্রিয়াটি মাইটোসিস; এর চতুর্থ ধাপ টেলোফেজ।
টেলোফেজে অপত্য ক্রোমোজোম দুই মেরুতে পৌঁছে সরু ও লম্বা হয়ে ক্রোমাটিন জালিকায় পরিণত হয়; স্পিন্ডল তন্তু বিলুপ্ত এবং প্রতিটি মেরুতে নিউক্লিয়ার ঝিল্লি ও নিউক্লিওলাস পুনর্গঠিত হয়।
সংযুক্ত চিত্রে দুই মেরুতে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস ও মাঝখানে গঠিতব্য কোষপ্লেট দেখানো হয়েছে; পরে সাইটোকাইনেসিসে সমসংখ্যক ও সমগুণসম্পন্ন দুটি 2n অপত্যকোষ তৈরি হয়।
চিত্র-B-এর S অগ্রমুকুলে মাইটোসিস এবং T প্রজনন অংশে মিয়োসিস ঘটে; জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে T-এর মিয়োসিস ভূমিকা রাখে।
S-এর মাইটোসিসে DNA একবার প্রতিলিপি ও একবার বিভাজনের ফলে মাতৃকোষের সমসংখ্যক ও প্রায় অভিন্ন ক্রোমোজোমযুক্ত দুটি কোষ তৈরি হয়; এটি বৃদ্ধি ঘটায়, বৈচিত্র্য নয়।
T-এর মিয়োসিসের প্রোফেজ-I-এ সমসংস্থ ক্রোমোজোমের মধ্যে ক্রসিং ওভার এবং মেটাফেজ-I-এ স্বাধীন বিন্যাস ঘটে; দুই ধারাবাহিক বিভাজনে ভিন্ন জিনসমন্বয়যুক্ত হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট সৃষ্টি হয়।
এসব গ্যামেটের দৈব নিষেকে নতুন জিনসমন্বয় তৈরি হয়; তাই S-এর মাইটোসিসের তুলনায় T অংশের মিয়োসিসই জীবের জিনগত বৈচিত্র্যের উৎস।
(i) 6CO₂+12H₂O → C₆H₁₂O₆+6H₂O+6O₂
শর্ত: M ও N
(ii) X+6O₂ → 6CO₂+6H₂O+Y
শর্ত: এনজাইম
[X ও Y প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
ক্যালভিন চক্রে CO₂ স্থিতিকরণের প্রথম স্থায়ী যৌগটি তিন কার্বনবিশিষ্ট ফসফোগ্লিসারিক এসিড।
এই তিন-কার্বন যৌগকে কেন্দ্র করে পরবর্তী বিক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হয় বলে ক্যালভিন চক্রকে C₃ গতিপথ বলা হয়।
উদ্দীপকের (ii)-এ X হলো গ্লুকোজ এবং Y হলো ATP; দুই অণু গ্লুকোজের শ্বসনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপ থেকে শক্তিসমতুল্য মোট 60 অণু ATP পাওয়া যায়।
এক অণু গ্লুকোজের দ্বিতীয় ধাপে 2 NADH₂ উৎপন্ন হয়
প্রতি NADH₂ থেকে 3 ATP হিসেবে = 2×3 = 6 ATP
তৃতীয় ধাপে 6 NADH₂, 2 FADH₂ ও 2 GTP উৎপন্ন হয়
ATP সমতুল্য = 6×3+2×2+2 = 24 ATP
এক অণু X-এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের মোট Y = 6+24 = 30 ATP
দুই অণু X-এর মোট Y = 2×30 = 60 ATP
উদ্দীপকের (i) প্রক্রিয়া সালোকসংশ্লেষণ; M ও N অর্থাৎ আলো ও ক্লোরোফিল ছাড়াও CO₂, পানি, তাপমাত্রা, খনিজ লবণ ও পাতার অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য এর গতি নিয়ন্ত্রণ করে।
CO₂ ক্যালভিন চক্রের কাঁচামাল এবং পানি আলোক পর্যায়ে ইলেকট্রন ও H⁺ সরবরাহ করে; এদের ঘাটতি হলে স্টোমাটা বন্ধ বা বিক্রিয়ার উপাদান কমে হার হ্রাস পায়।
সালোকসংশ্লেষণের এনজাইমগুলো অনুকূল তাপমাত্রায় সর্বাধিক সক্রিয় থাকে; অতিরিক্ত কম বা বেশি তাপমাত্রা, ক্লোরোফিল তৈরির জন্য Mg ও প্রোটিন তৈরির জন্য N-এর ঘাটতি প্রক্রিয়াকে মন্থর করে।
পাতার বয়স, পত্ররন্ধ্রের সংখ্যা, ক্লোরোপ্লাস্টের পরিমাণ ও উৎপন্ন খাদ্য অপসারণও সীমাবদ্ধকারী প্রভাবক; তাই আলো ও ক্লোরোফিল থাকলেই সর্বোচ্চ হার নিশ্চিত হয় না।
| প্রতীক | উদ্ভিদ |
|---|---|
| M | জবা |
| N | ধুতুরা |
| P | পেঁপে |
[M, N ও P প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
চালতার ফল গঠনে শুধু ডিম্বাশয় নয়, বৃতি ও অন্যান্য পুষ্পাংশও অংশ নেয়।
ডিম্বাশয় ছাড়া ফুলের অতিরিক্ত অংশ থেকে ফলের মাংসল অংশ সৃষ্টি হওয়ায় চালতাকে অপ্রকৃত ফল বলা হয়।
উদ্দীপকের M হলো জবা; এর ফুলে বৃতি, দল, পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক—চারটি স্তবক থাকে এবং প্রত্যেকটির নির্দিষ্ট কাজ আছে।
বৃতি কুঁড়ি অবস্থায় ফুলকে রক্ষা করে, আর রঙিন দল কীটপতঙ্গকে আকর্ষণ করে পরাগায়নে সহায়তা করে।
পুংস্তবকের পরাগধানীতে পরাগরেণু বা পুংগ্যামেট তৈরি হয়; স্ত্রীস্তবকের গর্ভমুণ্ড পরাগ গ্রহণ, গর্ভদণ্ড পরাগনালি পরিবহন এবং ডিম্বাশয়ের ডিম্বক নিষেকের পর বীজ গঠনে অংশ নেয়।
উদ্দীপকের N ধুতরায় প্রধানত স্বপরাগায়ন এবং P পেঁপেতে পরপরাগায়ন ঘটে; প্রজাতির দীর্ঘমেয়াদি অস্তিত্ব রক্ষায় পেঁপের পরপরাগায়ন অধিক কার্যকর।
স্বপরাগায়নে একই ফুল বা একই উদ্ভিদের ফুলের পরাগ ব্যবহৃত হয় বলে বিশুদ্ধ বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে ও পরাগ অপচয় কম, কিন্তু নতুন জিনসমন্বয় ও অভিযোজন ক্ষমতা কমে।
পেঁপে সাধারণত একলিঙ্গ ও ভিন্নবাসী হওয়ায় এক উদ্ভিদের পুংফুলের পরাগ অন্য উদ্ভিদের স্ত্রীফুলে যায়; এতে ভিন্ন বংশগত উপাদান মিলিত হয়ে বৈচিত্র্যময় ও অনেক সময় সবল অপত্য সৃষ্টি হয়।
জিনগত বৈচিত্র্য পরিবর্তিত পরিবেশ, রোগ ও প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে নির্বাচনের উপাদান দেয়; তাই কিছু পরাগ অপচয় হলেও P-এর পরপরাগায়ন প্রজাতির অস্তিত্ব রক্ষায় N-এর স্বপরাগায়নের চেয়ে কার্যকর।
চিত্র P-তে DNA-এর দ্বিসূত্রক কুণ্ডলী এবং চিত্র Q-তে জিনবাহী ক্রোমোজোম দেখানো হয়েছে।
[P ও Q প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
DNA-এর নির্দিষ্ট অংশ বা STR বিন্যাস বিশ্লেষণ করে ব্যক্তির স্বতন্ত্র জিনগত পরিচয় নির্ণয়ের পরীক্ষাকে DNA টেস্ট বা DNA ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বলে।
সন্তানের পিতৃত্ব-মাতৃত্ব নির্ণয়, অপরাধী শনাক্তকরণ এবং মৃতদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যক্তির নমুনার DNA-বিন্যাস তুলনা করা হয়।
উদ্দীপকের P হলো DNA; এর অনুলিপন অর্ধরক্ষণশীল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়, ফলে প্রতিটি নতুন DNA-তে একটি পুরোনো ও একটি নতুন সূত্র থাকে।
প্রথমে DNA হেলিকেজ হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে দ্বিসূত্রককে খুলে দেয়; পৃথক প্রতিটি সূত্র ছাঁচ হিসেবে কাজ করে এবং মুক্ত নিউক্লিওটাইড A–T ও G–C পরিপূরক নিয়মে যুক্ত হয়।
DNA পলিমারেজ নতুন সূত্র দীর্ঘ করে ও লাইগেজ খণ্ডগুলো যুক্ত করে; শেষে একটি মাতৃ DNA থেকে সমগঠনবিশিষ্ট দুটি DNA অণু সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকের Q হলো জিনবাহী ক্রোমোজোম; এর ত্রুটিপূর্ণ জিন বা অস্বাভাবিকতা গ্যামেটের মাধ্যমে প্রজন্মে সঞ্চারিত হলে সৃষ্ট রোগগুলো জিনতাত্ত্বিক।
ক্রোমোজোমের DNA-তে জিন থাকে; জিনের মিউটেশন হলে প্রোটিন বা এনজাইমের গঠন-কার্য বদলে বর্ণান্ধতা, হিমোফিলিয়া বা থ্যালাসেমিয়ার মতো রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
রোগবাহী জিনযুক্ত গ্যামেট নিষেকে অংশ নিলে অপত্যের ক্রোমোজোমে সেই অ্যালিল পৌঁছে যায়; আবার ক্রোমোজোমের সংখ্যা বা গঠনের ত্রুটিতে ডাউন সিনড্রোমের মতো অবস্থা দেখা দিতে পারে।
রোগের মূল কারণ DNA/ক্রোমোজোমে নিহিত এবং বংশগতির নিয়মে পিতা-মাতা থেকে সন্তানে যেতে পারে বলেই Q-এর মাধ্যমে সঞ্চারিত এসব রোগকে জিনতাত্ত্বিক রোগ বলা হয়।
ঘটনা-১ : মামুন তার নানাবাড়ি যাওয়ার পথে লক্ষ করলো, একটি সুপারি গাছকে জড়িয়ে একটি পানগাছ উপরে উঠছে।
ঘটনা-২ : পুকুরে সাঁতার কাটতে গিয়ে সে দেখলো পানিতে প্রচুর ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন, মলা মাছ, ভেটকি মাছসহ আরও কিছু জলজ প্রাণী।
ঘটনা-৩: বিকেলে হাঁটতে বের হয়ে মামুন ধান ক্ষেতে বিভিন্ন পতঙ্গ, গিরগিটি, সাপ এবং আকাশে উড়ন্ত ঈগল দেখে অভিভূত হলো।
বিয়োজক মৃত উদ্ভিদ-প্রাণী ও জৈব বর্জ্যের জটিল পদার্থকে ভেঙে সরল অজৈব পুষ্টি উপাদানে পরিণত করে।
এসব খনিজ লবণ মাটি বা পানিতে ফিরে উৎপাদক পুনরায় গ্রহণ করে; ফলে পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন হয় এবং বাস্তুতন্ত্রের পুষ্টি প্রবাহ সচল থাকে।
ঘটনা-১-এর পানগাছ ও সুপারি গাছের সম্পর্ক সহভোজিতা বা কমেনসালিজম; পানগাছ উপকৃত হলেও সুপারি গাছ উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।
পানগাছ সুপারি গাছকে কেবল আরোহণের অবলম্বন হিসেবে ব্যবহার করে উপরে উঠে বেশি আলো পায়; এটি সুপারি গাছ থেকে খাদ্য শোষণ করে না।
অতএব একটি জীব লাভবান এবং অন্যটি নিরপেক্ষ থাকায় তাদের আন্তঃক্রিয়াটি +/0 প্রকৃতির সহভোজিতা।
ঘটনা-৩-এর ধানক্ষেতের খাদ্যশৃঙ্খল ঘটনা-২-এর পুকুরের খাদ্যশৃঙ্খলের চেয়ে দীর্ঘ; তাই এতে বেশি শক্তি খরচ বা অপচয় হবে।
পুকুরের শৃঙ্খল: ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন → মলা মাছ → ভেটকি মাছ; এখানে উৎপাদকসহ তিনটি ট্রফিক স্তর আছে।
ধানক্ষেতের শৃঙ্খল: ধান → পতঙ্গ → গিরগিটি → সাপ → ঈগল; এখানে পাঁচটি ট্রফিক স্তর এবং প্রতিটি স্তরে শ্বসন, চলন ও তাপ হিসেবে অধিকাংশ শক্তি হারায়।
দশ শতাংশ সূত্র অনুযায়ী পরবর্তী স্তরে গড়ে প্রায় 10% শক্তি পৌঁছে; তাই বেশি শক্তি-স্থানান্তর ধাপবিশিষ্ট ঘটনা-৩-এর খাদ্যশৃঙ্খলে মোট শক্তি খরচ ঘটনা-২-এর তুলনায় বেশি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।