চিত্র A-তে মানুষ, চিত্র B-তে একটি বৃক্ষ এবং চিত্র C-তে Paramecium দেখানো হয়েছে।
[A, B ও C প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
ব্যাকটেরিয়ার কোষে সুগঠিত ও পর্দাবেষ্টিত নিউক্লিয়াস এবং ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু নেই; এর DNA নিউক্লিওয়েডে অবস্থান করে।
এরা এককোষী প্রোক্যারিওট এবং দ্বিবিভাজনে বংশবৃদ্ধি করে; এই মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য ব্যাকটেরিয়াকে মনেরা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
চিত্র A-এর জীব মানুষ; এর বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens এবং এটি Animalia রাজ্যের উন্নত কর্ডাটা প্রাণী।
এর শ্রেণিবিন্যাস: রাজ্য—Animalia, পর্ব—Chordata, উপপর্ব—Vertebrata, শ্রেণি—Mammalia এবং বর্গ—Primates।
আরও নিম্ন ধাপে পরিবার—Hominidae, গণ—Homo এবং প্রজাতি—Homo sapiens; দ্বিপদ নামে গণের প্রথম অক্ষর বড় ও প্রজাতির নাম ছোট অক্ষরে লেখা হয়।
চিত্র B-এর বৃক্ষ চিত্র C-এর Paramecium-এর তুলনায় অধিক উন্নত, কারণ B-তে বহুকোষিতা ও সুস্পষ্ট টিস্যু-অঙ্গ গঠন রয়েছে।
Paramecium প্রোটিস্টা রাজ্যের এককোষী ইউক্যারিওট; একটি কোষই চলন, পুষ্টি, রেচন, শ্বসন ও প্রজননের সব কাজ সম্পন্ন করে এবং প্রকৃত টিস্যু বা অঙ্গ নেই।
বৃক্ষ Plantae রাজ্যের বহুকোষী জীব; এতে মূল, কাণ্ড, পাতা, পরিবহন টিস্যু, স্থায়ী টিস্যু ও প্রজনন অঙ্গের সুস্পষ্ট কার্যবিভাজন আছে এবং ভ্রূণীয় বিকাশ ঘটে।
কোষের বিশেষায়ন, টিস্যু-অঙ্গতান্ত্রিক সংগঠন ও জটিল জীবনচক্রের জন্য B-এর বৃক্ষ C-এর এককোষী Paramecium-এর চেয়ে অধিক উন্নত।
চিত্র A-তে অ্যাস্টার রশ্মিসহ এক জোড়া সেন্ট্রিওল, চিত্র B-তে অসমভাবে পুরু প্রাচীরযুক্ত কোলেনকাইমা কোষ এবং চিত্র C-তে আবরণী টিস্যু দেখানো হয়েছে।
[A, B ও C প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
বিভিন্ন প্রাণীর চোখের গঠন, আলোকগ্রাহী কোষের ধরন ও সংখ্যা এবং সংবেদনশীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর এক নয়।
মানুষের ত্রিবর্ণদৃষ্টি ও ক্যামেরা-সদৃশ চোখ থাকলেও অনেক প্রাণীর যৌগিক চোখ, রাতের দৃষ্টির উপযোগী রড বা অতিবেগুনি আলো শনাক্তকারী কোষ থাকে; তাই একই দৃশ্যমান বস্তু তাদের কাছে মানুষের মতো দেখা যায় না।
চিত্র A হলো সেন্ট্রোজোম; এটি প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে অবস্থিত এক জোড়া পরস্পর লম্বভাবে বিন্যস্ত সেন্ট্রিওল ও পার্শ্ববর্তী সেন্ট্রোস্ফিয়ার দিয়ে গঠিত।
প্রতিটি সেন্ট্রিওল ফাঁপা নলাকার এবং নয়টি ত্রয়ী মাইক্রোটিউবিউল দিয়ে গঠিত; বিভাজনের আগে সেন্ট্রিওল জোড়া প্রতিলিপি হয়ে দুই মেরুতে সরে যায়।
কোষ বিভাজনে এটি অ্যাস্টার রশ্মি ও স্পিন্ডল তন্তু গঠন করে ক্রোমোজোমের সুষ্ঠু বণ্টনে সাহায্য করে; সিলিয়া ও ফ্লাজেলার বেসাল বডি গঠনেও অংশ নেয়।
চিত্র B-এর কোলেনকাইমা ও C-এর আবরণী টিস্যু গঠনগতভাবে ভিন্ন হলেও উভয়ই সংশ্লিষ্ট জীবদেহকে সুরক্ষা ও কাঠামোগত সহায়তা দেয়।
কোলেনকাইমা জীবন্ত, লম্বাটে উদ্ভিদকোষে গঠিত; কোষপ্রাচীরের কোণে সেলুলোজ-পেকটিন অসমভাবে পুরু হয়ে কচি কাণ্ড ও পত্রবৃন্তকে নমনীয় দৃঢ়তা দেয়।
আবরণী টিস্যু প্রাণীদেহে ঘনভাবে সজ্জিত এক বা একাধিক স্তরের কোষ দিয়ে গঠিত; এটি দেহপৃষ্ঠ ও অঙ্গের গহ্বর ঢেকে যান্ত্রিক আঘাত, জীবাণু ও পানি হারানো থেকে রক্ষা করে।
অতএব কোষপ্রাচীর, বিন্যাস ও অবস্থান আলাদা হলেও B উদ্ভিদকে নমনীয় সমর্থন-সুরক্ষা এবং C প্রাণীদেহকে আবরণ-সুরক্ষা প্রদান করে—কার্যগত সাদৃশ্য এখানেই।
পর্যায়-A: প্রতিটি ক্রোমোজোম থেকে দুটি ক্রোমাটিড দৃশ্যমান হয়।
পর্যায়-B: ক্রোমোজোমগুলো স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করে।
পরাগধানীর পরাগমাতৃকোষ ও ডিম্বকের ডিম্বকমাতৃকোষে মিয়োসিসের ফলে 2n ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে n-সংখ্যক রেণু সৃষ্টি হয়।
নিষেকে দুটি n গ্যামেট মিললে আবার 2n সংখ্যা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়; তাই প্রজন্মে ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থির রাখা এই বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয়।
পর্যায়-A প্রোফেজ এবং পর্যায়-B মেটাফেজ; এদের মধ্যবর্তী পর্যায়টি প্রো-মেটাফেজ।
প্রো-মেটাফেজে দুই মেরুবিশিষ্ট স্পিন্ডল যন্ত্র গঠিত হয়, নিউক্লিয়ার ঝিল্লি ও নিউক্লিওলাস বিলুপ্ত হতে থাকে এবং ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার আকর্ষণ তন্তুর সঙ্গে যুক্ত হয়।
সংযুক্ত চিত্রে মেরুদ্বয়, স্পিন্ডল তন্তু এবং সেন্ট্রোমিয়ারে যুক্ত ক্রোমোজোম দেখানো হয়েছে; ক্রোমোজোমগুলো তখন বিষুবীয় অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়।
উদ্দীপকের প্রোফেজ ও মেটাফেজ মাইটোসিসের পর্যায়; দেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও অযৌন প্রজননে এ বিভাজন অপরিহার্য।
মাইটোসিসে একটি মাতৃকোষ থেকে সমসংখ্যক ও সমগুণসম্পন্ন ক্রোমোজোমযুক্ত দুটি অপত্যকোষ তৈরি হওয়ায় জিনগত স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।
বহুকোষী জীবের জাইগোট থেকে দেহ গঠন, ক্ষতস্থান পূরণ, পুরোনো কোষ প্রতিস্থাপন এবং উদ্ভিদের অঙ্গজ প্রজনন মাইটোসিসের মাধ্যমে হয়।
কোষসংখ্যা বাড়ানো ও ক্রোমোজোমের বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত রাখার যুগপৎ ভূমিকার জন্য জীবের বৃদ্ধি, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রজাতির ধারাবাহিকতায় মাইটোসিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
A+6O₂ → 6CO₂+6H₂O+B
শর্ত: এনজাইম
[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
মাটিতে পানি কমলে মূলের পানি শোষণ হ্রাস পায় এবং পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে পাতায় CO₂ প্রবেশ কমে যায়।
পানি সালোকসংশ্লেষণের কাঁচামাল ও আলোক পর্যায়ের ইলেকট্রন-প্রোটনের উৎস; এর ঘাটতিতে ক্লোরোপ্লাস্টের ক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়।
উদ্দীপকে A হলো গ্লুকোজ ও B হলো ATP; অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি এবং ক্রেবস চক্র—এই দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপ মিলিয়ে 30 ATP উৎপন্ন হয়।
দ্বিতীয় ধাপে দুই পাইরুভেট থেকে 2 NADH₂ হয়
ATP সমতুল্য = 2×3 = 6 ATP
তৃতীয় ধাপে 6 NADH₂, 2 FADH₂ ও 2 GTP হয়
ATP সমতুল্য = 6×3+2×2+2 = 24 ATP
মোট = 6+24 = 30 ATP
সবাত শ্বসনের A বা গ্লুকোজ এবং O₂-এর সঠিক ব্যবহার ও CO₂, H₂O ও শক্তি উৎপাদন সালোকসংশ্লেষণের সঙ্গে পরিপূরক সম্পর্ক তৈরি করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণে CO₂ ও H₂O ব্যবহার করে গ্লুকোজ ও O₂ তৈরি করে; জীবেরা শ্বসনে সেই গ্লুকোজ ও O₂ ব্যবহার করে ATP উৎপন্ন করে আবার CO₂ ও H₂O ফিরিয়ে দেয়।
উৎপাদক ও ভোক্তার এই পরস্পরনির্ভর অনুপাত বায়ুমণ্ডলে O₂–CO₂ ভারসাম্য, কার্বনচক্র এবং জীবের জন্য খাদ্য-শক্তির ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
অতিরিক্ত শ্বসন-দহন বা উদ্ভিদহ্রাসে CO₂ বাড়ে ও O₂ উৎপাদন কমে জলবায়ু ও জীবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়; তাই বিক্রিয়ার উপাদান ও উৎপাদের ভারসাম্য বাস্তুতন্ত্রের স্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
চিত্রে ফুলের পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ডে পরাগ স্থানান্তরের Z প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট X ও Y জনন উপাদান নির্দেশ করা হয়েছে।
[X, Y ও Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
লাউগাছে পুংফুল ও স্ত্রীফুল একই গাছে পৃথকভাবে জন্মে বলে লাউ একলিঙ্গ ও সহবাসী উদ্ভিদের ফুল।
প্রতিটি ফুলে পুংস্তবক অথবা স্ত্রীস্তবকের যেকোনো একটি থাকে, উভয়টি থাকে না; তাই লাউ ফুল অসম্পূর্ণও বটে।
উদ্দীপকের Z হলো পরপরাগায়ন; একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে এ প্রক্রিয়া ঘটে।
এক উদ্ভিদের পরাগধানী থেকে পরিপক্ব পরাগরেণু বায়ু, পানি, কীটপতঙ্গ, পাখি বা অন্য বাহকের মাধ্যমে একই প্রজাতির অন্য উদ্ভিদের ফুলের গর্ভমুণ্ডে পৌঁছে।
উপযুক্ত গর্ভমুণ্ডে পরাগ অঙ্কুরিত হয়ে পরাগনালি সৃষ্টি করে; পরাগনালি গর্ভদণ্ড দিয়ে ডিম্বকে পৌঁছে পুংগ্যামেট বহন করে এবং পরবর্তী নিষেকের পথ তৈরি করে।
উদ্দীপকের X পরাগরেণু ও Y গর্ভমুণ্ডের সংযোগ শুধু পরাগায়ন; এ সংযোগ সরাসরি নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করে না, তবে নিষেকের সূচনা করে।
গর্ভমুণ্ডে উপযুক্ত পরাগরেণু অঙ্কুরিত হয়ে পরাগনালি গঠন করে এবং পুংগ্যামেট ভ্রূণথলিতে পৌঁছায়।
এক পুংগ্যামেট ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে 2n জাইগোট এবং অন্যটি সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়ে 3n সস্যকেন্দ্র গঠন করে; এটিই দ্বিনিষেক।
জাইগোট থেকে ভ্রূণ, ডিম্বক থেকে বীজ এবং বীজের অঙ্কুরোদ্গমে নতুন উদ্ভিদ হয়; তাই X–Y সংযোগ একা যথেষ্ট নয়, সফল নিষেক ও অঙ্কুরোদ্গম হলে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হবে।
মানবদেহের একটি 2n কোষ বিভাজিত হয়ে দুটি 2n কোষ সৃষ্টি করছে। প্রতিটি কোষে A=44টি অটোসোম এবং B=2টি লিঙ্গ-ক্রোমোজোম দেখানো হয়েছে।
[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
প্লাটিপাস স্তন্যপায়ীর মতো লোম, স্তনগ্রন্থি ও উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট হলেও সরীসৃপের মতো ডিম পাড়ে এবং ক্লোয়াকা থাকে।
একই দেহে সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী—দুই গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য বহন করে তাদের বিবর্তনীয় যোগসূত্র নির্দেশ করায় প্লাটিপাসকে কানেকটিং লিংক বলা হয়।
উদ্দীপকের A হলো 44টি অটোসোম; প্রতিটি অটোসোমের প্রধান বংশগত উপাদান DNA, যা হিস্টোন প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্রোমাটিন ও ক্রোমোজোম গঠন করে।
DNA দুটি বিপরীতমুখী পলিনিউক্লিওটাইড সূত্রের দ্বিসূত্রক কুণ্ডলী; প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা, ফসফেট ও A, T, G বা C নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে।
সংযুক্ত চিত্রে শর্করা–ফসফেট মেরুদণ্ড এবং A–T ও G–C পরিপূরক ক্ষারক জোড় দেখানো হয়েছে; ক্ষারকের ক্রমেই অটোসোমের জিনগত সংকেত সংরক্ষিত থাকে।
উদ্দীপকের B হলো X ও Y লিঙ্গ-ক্রোমোজোম; এগুলোর জিনে মিউটেশন হলে লিঙ্গ-সংযুক্ত রোগ, প্রজনন সমস্যা ও যৌন বিকাশের অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে।
X-ক্রোমোজোমের প্রচ্ছন্ন মিউট্যান্ট জিন পুরুষের একমাত্র X-এ থাকলেই প্রকাশ পায়; তাই লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা, হিমোফিলিয়া ও ডুশেন মাসকুলার ডিস্ট্রফি পুরুষে বেশি দেখা যায়।
নারী বাহক হলে মিউট্যান্ট X পুত্রের মধ্যে রোগ এবং কন্যার মধ্যে বাহক অবস্থা সঞ্চার করতে পারে; Y-ক্রোমোজোমের জিনের ত্রুটি পুরুষত্ব নির্ধারণ বা শুক্রাণু উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে।
অতএব B-এর জিনমিউটেশন রক্তজমাট, দৃষ্টি, পেশি ও প্রজননকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হতে পারে; জিনগত পরামর্শ ও DNA পরীক্ষা ঝুঁকি নির্ণয়ে সহায়ক।
স্বর্ণলতা একটি পরজীবী উদ্ভিদ; এর হস্টোরিয়া লিচুগাছের পরিবহন টিস্যুতে প্রবেশ করে পানি ও প্রস্তুত খাদ্য শোষণ করে।
স্বর্ণলতা উপকৃত হলেও লিচুগাছ দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়; তাই তাদের আন্তঃসম্পর্ক +/− প্রকৃতির পরজীবিতা।
উদ্দীপকের ক্ষুদ্রতম খাদ্যশৃঙ্খলের একটি হলো ধানগাছ → খরগোশ → মানুষ; এতে তিনটি ট্রফিক স্তর আছে।
ধানগাছ সৌরশক্তি রাসায়নিক খাদ্যশক্তিতে রূপান্তর করে, খরগোশ ধান খেয়ে প্রথম শ্রেণির খাদক এবং মানুষ খরগোশ খেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক হিসেবে শক্তি পায়।
প্রতিটি স্তরে শ্বসন, চলন ও তাপ হিসেবে অধিকাংশ শক্তি হারায় এবং গড়ে প্রায় 10% পরবর্তী স্তরে যায়; তাই পুষ্টি ও শক্তি একমুখীভাবে উৎপাদক থেকে ভোক্তায় প্রবাহিত হয়।
উদ্দীপকের বাস্তুতন্ত্র থেকে ব্যাঙ বিলুপ্ত হলে মাজরা পোকার সংখ্যা বেড়ে ধানগাছের ক্ষতি হবে এবং ঈগলের একটি খাদ্যউৎস কমে খাদ্যজালের ভারসাম্য নষ্ট হবে।
ব্যাঙ মাজরা পোকা খেয়ে তার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে; ব্যাঙ না থাকলে পোকা দ্রুত বাড়বে, ধানের উৎপাদন ও উৎপাদক স্তরের শক্তি সঞ্চয় কমবে।
ব্যাঙ ঈগলের খাদ্য হওয়ায় ঈগলের ওপর খাদ্যসংকট তৈরি হবে; ঈগল অন্য শিকার যেমন সাপের ওপর বেশি নির্ভর করলে অন্যান্য জনসংখ্যাতেও পরোক্ষ পরিবর্তন ঘটবে।
ফলে কীটপতঙ্গের প্রাদুর্ভাব, ধান উৎপাদন হ্রাস এবং উচ্চতর ভোক্তার খাদ্যসংকট একত্রে ট্রফিক ক্যাসকেড সৃষ্টি করবে; ব্যাঙ সংরক্ষণ তাই খাদ্যজালের স্থিতির জন্য জরুরি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।