শ্রেণিবিন্যাস জীবের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য অনুযায়ী বিপুল জীববৈচিত্র্যকে সুশৃঙ্খল দলে সাজিয়ে শনাক্তকরণ ও অধ্যয়ন সহজ করে।
এটি জীবদের পারস্পরিক সম্পর্ক, বিবর্তনীয় ইতিহাস ও নতুন জীবের অবস্থান নির্ণয়ে সাহায্য করে এবং বিশ্বব্যাপী একই বৈজ্ঞানিক পরিচয় ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
পাউরুটি ফুলাতে ব্যবহৃত জৈব উপাদানটি ইস্ট; এটি Fungi রাজ্যের Saccharomyces গণের এককোষী ছত্রাক।
ইস্ট ইউক্যারিওটিক, ক্লোরোফিলহীন ও পরভোজী; এর কাইটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর, সুগঠিত নিউক্লিয়াস, ভ্যাকুওল ও অন্যান্য অঙ্গাণু থাকে এবং সাধারণত কুঁড়ি সৃষ্টির মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
অক্সিজেনের অভাবে ইস্ট শর্করাকে গাঁজন করে ইথানল ও CO₂ উৎপন্ন করে; আটার মধ্যে আটকে থাকা CO₂ বুদ্বুদ সৃষ্টি করায় পাউরুটি ফুলে ওঠে।
প্রাণিজগতে মানুষকে সবচেয়ে উন্নত জীব বলা যুক্তিসংগত, কারণ মানুষের দেহে উচ্চমাত্রার অঙ্গতান্ত্রিক সংগঠন এবং অসাধারণ মস্তিষ্কনির্ভর বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা রয়েছে।
মানুষ কর্ডাটা ও স্তন্যপায়ী প্রাণী; দেহে বিশেষায়িত টিস্যু-অঙ্গতন্ত্র, উন্নত স্নায়ুতন্ত্র, দ্বিপদ চলন, বিপরীতমুখী বৃদ্ধাঙ্গুলি ও সূক্ষ্ম কাজের উপযোগী হাত আছে।
বৃহৎ সেরিব্রাম মানুষকে বিমূর্ত চিন্তা, ভাষা, স্মৃতি, বিচার, পরিকল্পনা, শিক্ষা, প্রযুক্তি নির্মাণ ও সামাজিক সংস্কৃতি প্রজন্মান্তরে সঞ্চারের ক্ষমতা দেয়।
শুধু দেহগঠন নয়, আত্মসচেতনতা, জ্ঞান সঞ্চয় ও পরিবেশকে পরিকল্পিতভাবে পরিবর্তনের সম্মিলিত সক্ষমতায় মানুষ অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় সর্বাধিক উন্নত।
চিত্র P-তে নিউরন, চিত্র M-তে লোহিত রক্তকণিকা এবং চিত্র N-তে শ্বেত রক্তকণিকা দেখানো হয়েছে।
[P, M ও N প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
ফ্লোয়েমের সিভনল ও সঙ্গীকোষ পাতায় প্রস্তুত জৈব খাদ্য উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও সঞ্চয়স্থলে পরিবহন করে।
উৎস থেকে গ্রাহক অংশে দ্রবীভূত খাদ্যের এই স্থানান্তর ঊর্ধ্বমুখী বা নিম্নমুখী হতে পারে; তাই ফ্লোয়েমকে পরিবহণ টিস্যু বলা হয়।
উদ্দীপকের P হলো নিউরন; এর প্রধান দুটি অংশ হলো কোষদেহ এবং প্রলম্বিত অংশ—ডেনড্রাইট ও অ্যাক্সন।
কোষদেহে নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম, নিস্ল দানা, মাইটোকন্ড্রিয়া ও অন্যান্য অঙ্গাণু থাকে; বহু ছোট শাখাযুক্ত ডেনড্রাইট উদ্দীপনা গ্রহণ করে।
একটি দীর্ঘ অ্যাক্সন কোষদেহ থেকে স্নায়ু-উদ্দীপনা দূরে বহন করে; অনেক অ্যাক্সন মায়েলিন আবরণ ও র্যানভিয়ারের পর্বযুক্ত এবং প্রান্তে সিন্যাপটিক নব থাকে।
চিত্র M-এর লোহিত রক্তকণিকা গ্যাস পরিবহন এবং N-এর শ্বেত রক্তকণিকা রোগপ্রতিরোধে ভূমিকা রাখে; উভয়েই রক্তের অপরিহার্য কোষীয় উপাদান।
RBC-এর হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে O₂ টিস্যুতে এবং কিছু CO₂ টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করে; দ্বিঅবতল আকৃতি গ্যাস বিনিময়ের ক্ষেত্রফল বাড়ায়।
WBC অ্যামিবীয় চলনে জীবাণু গ্রাস করে, অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং প্রদাহ ও প্রতিরক্ষা প্রতিক্রিয়ায় অংশ নিয়ে দেহকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
অতএব M কোষীয় শ্বসনের উপকরণ সরবরাহ করে শক্তি উৎপাদন সচল রাখে, আর N রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহের অভ্যন্তরীণ স্থিতি ও সুস্থতা বজায় রাখে।
প্রক্রিয়া A-তে 2n কোষ থেকে n কোষ এবং প্রক্রিয়া B-তে 2n কোষ থেকে 2n কোষ সৃষ্টি হয়।
[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
গ্রেগর জোহান মেন্ডেল মটরগাছের নিয়ন্ত্রিত সংকরায়ণ ও পরিসংখ্যানের সাহায্যে বংশগতির মৌলিক সূত্র আবিষ্কার করেন।
পৃথকীকরণ ও স্বাধীন সঞ্চারণের সূত্রের মাধ্যমে বৈশিষ্ট্য কীভাবে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয় তার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্থাপন করায় তাঁকে বংশগতির জনক বলা হয়।
উদ্দীপকের B প্রক্রিয়া মাইটোসিস; এর শেষ ধাপ টেলোফেজ, যা সংযুক্ত চিত্রে দেখানো হয়েছে।
টেলোফেজে অপত্য ক্রোমোজোম দুই মেরুতে পৌঁছে সরু ও দীর্ঘ হয়ে ক্রোমাটিন জালিকা তৈরি করে; স্পিন্ডল তন্তু বিলুপ্ত এবং নিউক্লিওলাস পুনরায় দৃশ্যমান হয়।
প্রতিটি মেরুর ক্রোমাটিনকে ঘিরে নিউক্লিয়ার ঝিল্লি গঠিত হয়ে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়; পরে সাইটোকাইনেসিসে দুটি 2n অপত্যকোষ হয়।
উদ্দীপকের A মিয়োসিস ও B মাইটোসিস—দুই প্রক্রিয়াই জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ, তবে তাদের ভূমিকা ভিন্ন ও পরিপূরক।
মিয়োসিসে 2n জননমাতৃকোষ থেকে n গ্যামেট সৃষ্টি হয়; ক্রসিং ওভার ও স্বাধীন বিন্যাসে বৈচিত্র্য তৈরি এবং নিষেকে প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থির থাকে।
মাইটোসিসে সমগুণসম্পন্ন 2n অপত্যকোষ তৈরি হয়ে জাইগোট থেকে দেহ বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, কোষ প্রতিস্থাপন ও অযৌন প্রজনন সম্পন্ন হয়।
মিয়োসিস নতুন প্রজন্মের গ্যামেট ও বৈচিত্র্য দেয়, আর মাইটোসিস সেই জাইগোটকে পূর্ণ জীব হিসেবে গড়ে তোলে; তাই উভয়টিই ধারাবাহিকতার জন্য অপরিহার্য।
(i) 6CO₂+12H₂O → Q+6H₂O+6O₂
শর্ত: সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল
(ii) C₆H₁₂O₆+6O₂ → 6CO₂+6H₂O+R
শর্ত: এনজাইম
[Q ও R প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
মুথা ঘাসে CO₂ স্থিতিকরণের প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট অক্সালোঅ্যাসিটিক এসিড।
হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্রের এই C₄ যৌগ পরে ক্যালভিন চক্রে CO₂ সরবরাহ করে; তাই মুথা ঘাসকে C₄ উদ্ভিদ বলা হয়।
উদ্দীপকের (ii) প্রক্রিয়া সবাত শ্বসন এবং R হলো ATP; এক অণু গ্লুকোজ থেকে মোট 38 ATP উৎপন্ন হয়।
গ্লাইকোলাইসিস: নিট 2 ATP+2 NADH₂×3 = 8 ATP
অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি: 2 NADH₂×3 = 6 ATP
ক্রেবস চক্র: 6 NADH₂×3+2 FADH₂×2+2 GTP = 24 ATP
মোট R = 8+6+24 = 38 ATP
সঙ্গে 6CO₂ ও 6H₂O উৎপন্ন হয়।
উদ্দীপকের (i) সালোকসংশ্লেষণ ও (ii) সবাত শ্বসন পরস্পরের উপাদান-উৎপাদ ব্যবহার করে; তাই প্রক্রিয়া দুটি পরিপূরক।
সালোকসংশ্লেষণে CO₂ ও H₂O থেকে সূর্যালোকের শক্তি ব্যবহার করে গ্লুকোজ ও O₂ সৃষ্টি হয় এবং শক্তি খাদ্যে সঞ্চিত থাকে।
শ্বসনে সেই গ্লুকোজ ও O₂ জারিত হয়ে ATP, CO₂ ও H₂O তৈরি করে; ATP জীবের কাজ চালায় এবং CO₂–H₂O আবার সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
একটি শক্তি সঞ্চয় ও O₂ সরবরাহ করে, অন্যটি শক্তি মুক্ত ও CO₂ ফিরিয়ে দেয়; এ চক্র O₂–CO₂ ভারসাম্য, কার্বনচক্র ও জীবমণ্ডলের শক্তিপ্রবাহ বজায় রাখে।
চিত্র Q-তে গর্ভপত্রের ডিম্বকের ভেতর X বা ভ্রূণথলি দেখানো হয়েছে। চিত্র R-তে A দ্বারা ডিম্বাশয়/ডিম্বকবাহী স্ত্রীস্তবক এবং B দ্বারা পরাগধানী নির্দেশ করা হয়েছে।
[X, A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
স্বপরাগায়নে অল্প পরাগরেণু লাগে, বাহকের ওপর নির্ভরতা কম এবং প্রতিকূল পরিবেশেও নিষেক নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
এতে পিতৃ-মাতৃ বৈশিষ্ট্যের বিশুদ্ধতা বজায় থাকে ও সফল বীজ উৎপাদন সহজ হয়, যদিও জিনগত বৈচিত্র্য তুলনামূলক কম।
চিত্র Q-এর ডিম্বকের মেগাস্পোর মাতৃকোষ থেকে X বা ভ্রূণথলি গঠিত হয়; প্রক্রিয়াটি মেগাস্পোরোজেনেসিস ও মেগাগ্যামিটোজেনেসিসে সম্পন্ন হয়।
2n মেগাস্পোর মাতৃকোষ মিয়োসিসে চারটি n মেগাস্পোর সৃষ্টি করে; সাধারণত তিনটি নষ্ট এবং একটি কার্যকর মেগাস্পোর টিকে থাকে।
কার্যকর মেগাস্পোরের নিউক্লিয়াস তিনবার মাইটোসিসে আটটি নিউক্লিয়াস গঠন করে; বিন্যাসের পর ডিম্বযন্ত্র, তিন প্রতিপাদ কোষ ও দুই মেরু নিউক্লিয়াসসহ সাতকোষী আটনিউক্লিয়াসী ভ্রূণথলি তৈরি হয়।
চিত্র R-এর A ডিম্বাশয়/ডিম্বকবাহী স্ত্রীস্তবক এবং B পরাগধানী; যৌন প্রজননে স্ত্রী ও পুং জনন উপাদান তৈরি করে তারা পরবর্তী বংশ রক্ষা করে।
B-এর পরাগমাতৃকোষ মিয়োসিসে পরাগরেণু এবং পরে দুই পুংগ্যামেট তৈরি করে; পরাগায়নের পর পরাগনালি তাদের ডিম্বকে পৌঁছে দেয়।
A-এর ডিম্বকে ভ্রূণথলি ও ডিম্বাণু তৈরি হয়; দ্বিনিষেকের পর জাইগোট থেকে ভ্রূণ, ডিম্বক থেকে বীজ এবং ডিম্বাশয় থেকে ফল গঠিত হয়।
B পিতৃ জিন ও A মাতৃ জিন মিলিয়ে বৈচিত্র্যময় বীজ সৃষ্টি করে; সেই বীজ অঙ্কুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদ গঠন করায় উভয় অংশ প্রজাতির ধারাবাহিকতায় অপরিহার্য।
চিত্র A-তে DNA-এর দ্বিসূত্রক কুণ্ডলী এবং চিত্র B-তে জিনবাহী ক্রোমোজোম দেখানো হয়েছে।
[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
DNA-এর নির্দিষ্ট STR বিন্যাস বিশ্লেষণ করে ব্যক্তির স্বতন্ত্র জিনগত পরিচয় নির্ণয়ের পরীক্ষাকে DNA টেস্ট বা DNA ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বলে।
পিতৃত্ব-মাতৃত্ব নির্ণয়, অপরাধী শনাক্তকরণ ও অজ্ঞাত মৃতদেহের পরিচয় নিশ্চিত করতে বিভিন্ন নমুনার DNA-বিন্যাস তুলনা করা হয়।
উদ্দীপকের A হলো DNA; এর অনুলিপন অর্ধরক্ষণশীল পদ্ধতিতে হয়, ফলে প্রতিটি নতুন DNA-তে একটি পুরোনো ও একটি নতুন সূত্র থাকে।
হেলিকেজ হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙে দ্বিসূত্রক খুলে দেয়; প্রতিটি পুরোনো সূত্র ছাঁচ হয়ে মুক্ত নিউক্লিওটাইডকে A–T ও G–C পরিপূরক নিয়মে যুক্ত করে।
DNA পলিমারেজ নতুন সূত্র দীর্ঘ করে ও লাইগেজ খণ্ড যুক্ত করে; শেষে একটি মাতৃ DNA থেকে সমগঠনবিশিষ্ট দুটি DNA অণু সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকের B হলো জিনবাহী ক্রোমোজোম; এর ত্রুটিপূর্ণ জিন বা সংখ্যাগত-গঠনগত অস্বাভাবিকতায় সৃষ্ট রোগগুলো জিনতাত্ত্বিক।
ক্রোমোজোমের DNA-তে মিউটেশন হলে প্রোটিনের গঠন বা কাজ বদলে বর্ণান্ধতা, হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়ার মতো রোগ হতে পারে।
রোগবাহী জিনযুক্ত গ্যামেট নিষেকে অংশ নিলে অ্যালিল অপত্যের ক্রোমোজোমে যায়; আবার 21 নম্বর ক্রোমোজোমের ট্রাইসোমিতে ডাউন সিনড্রোম দেখা দেয়।
রোগের কারণ DNA বা ক্রোমোজোমে নিহিত এবং বংশগতির মাধ্যমে পিতা-মাতা থেকে সন্তানেও যেতে পারে বলেই B-এর মাধ্যমে সঞ্চারিত রোগগুলো জিনতাত্ত্বিক।
বর্জ্য পৃথকীকরণ ও পুনর্ব্যবহার, শিল্পবর্জ্য-নর্দমা শোধন, কম কীটনাশক ব্যবহার এবং যানবাহন-কারখানার ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য শক্তি, প্লাস্টিক কমানো, পরিবেশ আইন প্রয়োগ ও জনসচেতনতা একসঙ্গে বাড়ালে বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ কার্যকরভাবে কমে।
ধানক্ষেতে উল্লিখিত দ্বিতীয় প্রাণী ব্যাঙ বিলুপ্ত হলে ঘাসফড়িং বেড়ে ধানের ক্ষতি করবে এবং ব্যাঙভোজী সাপ, গুঁইসাপ ও ঈগলের খাদ্য কমে যাবে।
ব্যাঙ ঘাসফড়িং খেয়ে প্রথম শ্রেণির ভোক্তার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে; ব্যাঙ না থাকলে ঘাসফড়িংয়ের অতিবৃদ্ধিতে উৎপাদক ধানগাছ কমে শক্তির ভিত্তি দুর্বল হবে।
ব্যাঙের ওপর নির্ভরশীল উচ্চতর ভোক্তা বিকল্প শিকারের ওপর চাপ বাড়াবে বা সংখ্যায় কমবে; ফলে একাধিক ট্রফিক স্তরে পরিবর্তন ছড়িয়ে খাদ্যশৃঙ্খলের ভারসাম্য নষ্ট হবে।
উদ্দীপকের জীবগুলো দিয়ে খাদ্যজাল: ধান → ঘাসফড়িং → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল; ধান → ঘাসফড়িং → ব্যাঙ → গুঁইসাপ → ঈগল; মাছ → মানুষ এবং ধান → মানুষ।
ধান উৎপাদক হিসেবে সৌরশক্তি খাদ্যে সঞ্চিত করে; ঘাসফড়িং প্রথম শ্রেণির, ব্যাঙ দ্বিতীয় শ্রেণির এবং সাপ-গুঁইসাপ-ঈগল উচ্চতর ভোক্তা হিসেবে বিভিন্ন পথে যুক্ত থাকে।
প্রতিটি খাদ্যস্তরে শ্বসন, চলন ও তাপ হিসেবে অধিকাংশ শক্তি হারায় এবং গড়ে প্রায় 10% পরবর্তী স্তরে যায়; তাই শক্তি একমুখীভাবে প্রবাহিত ও উচ্চ স্তরে ক্রমশ কমে।
বহু বিকল্প পথ থাকায় একটি খাদ্য কমলে ভোক্তা অন্য পথ ব্যবহার করতে পারে, ফলে একক খাদ্যশৃঙ্খলের তুলনায় খাদ্যজাল শক্তিপ্রবাহ ও বাস্তুতন্ত্রকে বেশি স্থিতিশীল রাখে।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।