দিনাজপুর বোর্ড ২০২৬
১.

চিত্র P-তে বাঘ, Q-তে একটি সবুজ উদ্ভিদ এবং R-তে Amoeba দেখানো হয়েছে।

[P, Q ও R প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উদ্দীপকের ছবি
উত্তর জীবদেহের টিস্যুর গঠন, বিন্যাস ও কাজসংক্রান্ত জীববিজ্ঞানের শাখাকে হিস্টোলজি বলে।
উত্তর

ব্যাকটেরিয়া প্রোক্যারিওটা সুপার কিংডমের জীব, কারণ এর কোষে পর্দাবেষ্টিত সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু নেই।

এর DNA নিউক্লিওয়েডে উন্মুক্ত থাকে, 70S রাইবোজোম থাকে এবং কোষ বিভাজন সরল দ্বিবিভাজনে হয়; তাই এটি ইউক্যারিওটা নয়।

উত্তর

উদ্দীপকের P হলো বাঘ; এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris এবং বিজ্ঞানসম্মতভাবে এটি Animalia রাজ্যের কর্ডাটা প্রাণী।

বাঘ বহুকোষী, ইউক্যারিওটিক, কোষপ্রাচীরহীন, পরভোজী ও চলনক্ষম; ভ্রূণে নটোকর্ড এবং পরিণত অবস্থায় মেরুদণ্ড থাকে।

শ্রেণি পর্যন্ত বিন্যাস: সুপার কিংডম—Eukaryota, রাজ্য—Animalia, পর্ব—Chordata, উপপর্ব—Vertebrata এবং শ্রেণি—Mammalia; এটি লোম, স্তনগ্রন্থি ও উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট।

উত্তর

উদ্দীপকের Q-এর সবুজ উদ্ভিদ R-এর Amoeba-এর তুলনায় রাজ্যগত সংগঠনে অধিক উন্নত।

Amoeba প্রোটিস্টা রাজ্যের এককোষী ইউক্যারিওট; একটি কোষই পুষ্টি, চলন, রেচন, শ্বসন ও প্রজননের সব কাজ করে এবং প্রকৃত টিস্যু-অঙ্গ নেই।

Q Plantae রাজ্যের বহুকোষী জীব; ক্লোরোফিলযুক্ত কোষে স্বভোজী পুষ্টি, সেলুলোজ প্রাচীর, টিস্যু, মূল-কাণ্ড-পাতা ও পরিবহন ব্যবস্থার কার্যবিভাজন থাকে।

বহুকোষিতা, বিশেষায়িত টিস্যু-অঙ্গ এবং জটিল জীবনচক্রের জন্য Q, এককোষী ও অঙ্গহীন R-এর চেয়ে অধিক উন্নত।

২.

দৃশ্যকল্প-১: রূপনগরের একটি গার্মেন্টস কারখানায় আগুন লাগায় বেশ কয়েকজন গার্মেন্টস কর্মী আহত ও নিহত হন। নিহত কয়েকজনের শরীর মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করতে অসুবিধা হচ্ছিল। একটি বিশেষ পদ্ধতিতে পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

দৃশ্যকল্প-২: স্বপ্নার শাশুড়ি স্বপ্নাকে নিজের মেয়ের মতো স্নেহ করতো। কিন্তু দুই নাতনির জন্মের পর আগের মতো স্নেহ করেন না এবং মেয়ে হওয়ার জন্য তাকে দায়ী বলে মনে করেন।

উত্তর বিপরীত বৈশিষ্ট্যের দুটি অ্যালিল একসঙ্গে থাকলে যে অ্যালিলটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তাকে প্রকট জিন বলে।
উত্তর

অধিকাংশ sex-linked প্রচ্ছন্ন রোগের জিন X-ক্রোমোজোমে থাকে; মেয়েদের দুটি X থাকায় একটি স্বাভাবিক অ্যালিল অনেক সময় ত্রুটিপূর্ণ অ্যালিলকে আড়াল করে।

মেয়ের রোগ প্রকাশে সাধারণত উভয় X-এই ত্রুটিপূর্ণ অ্যালিল দরকার, কিন্তু ছেলের একমাত্র X-এ জিনটি থাকলেই রোগ প্রকাশ পায়; তাই মেয়েরা কম ভোগে।

উত্তর

দুর্ঘটনায় পুড়ে যাওয়া মৃতদেহ শনাক্ত করতে DNA টেস্ট বা DNA ফিঙ্গারপ্রিন্টিং ব্যবহার করা হয়েছিল।

দেহের অবশিষ্ট টিস্যু, হাড়, দাঁত বা চুল থেকে DNA সংগ্রহ করে STR নামের অতিবৈচিত্র্যময় অংশগুলো বিশ্লেষণ করে একটি স্বতন্ত্র DNA প্রোফাইল তৈরি করা হয়।

প্রোফাইলটি সম্ভাব্য ব্যক্তির রক্তসম্পর্কীয় স্বজন বা সংরক্ষিত নমুনার DNA-এর সঙ্গে মিলিয়ে উচ্চ নির্ভুলতায় পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।

উত্তর

মেয়ে সন্তান জন্মের জন্য স্বপ্নাকে দায়ী করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক; সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে পিতার শুক্রাণুই নির্ণায়ক।

মায়ের সব ডিম্বাণুতে 22+X ক্রোমোজোম থাকে, কিন্তু বাবার অর্ধেক শুক্রাণু 22+X এবং অর্ধেক 22+Y বহন করে।

X-বাহী শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করলে XX কন্যা এবং Y-বাহী শুক্রাণু নিষিক্ত করলে XY পুত্র হয়; উভয়ের সম্ভাবনা প্রায় সমান এবং মা কোন শুক্রাণু নিষেক করবে তা নিয়ন্ত্রণ করেন না।

অতএব শাশুড়ির মনোভাব বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল ও সামাজিকভাবে বৈষম্যমূলক; দুই নাতনির জন্য স্বপ্নাকে দোষারোপ না করে সমান মর্যাদা দেওয়া উচিত।

৩.

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও :

(i) 'G' $\xrightarrow\{\text{এনজাইম}\} \mathrm{C_2H_5OH} + 2\mathrm{CO_2} + ATP$

(ii) $\mathrm{CO_2} + \mathrm{H_2O} \xrightarrow[\text{ক্লোরোফিল}]\{\text{আলো}\} \text{'X'} + \mathrm{H_2O} + \mathrm{O_2}$

(iii) 'X' + $\mathrm{O_2} \rightarrow \mathrm{CO_2} + \mathrm{H_2O}$ + শক্তি

উত্তর আলোর প্রভাবে ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে পানির অণু ভেঙে H⁺, ইলেকট্রন ও O₂ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে ফটোলাইসিস বলে।
উত্তর

নটে গাছ C₄ উদ্ভিদ; PEP কার্বক্সিলেজের সাহায্যে কম CO₂-তেও দক্ষতার সঙ্গে CO₂ স্থির করে এবং ফটোশ্বসন খুব কম হয়।

পাতার মেসোফিল ও বান্ডল শিথ কোষে স্থানিকভাবে হ্যাচ–স্ল্যাক ও ক্যালভিন চক্র চলায় উচ্চ আলো ও তাপমাত্রায়ও CO₂ ঘনীভূত থাকে; তাই হার বেশি।

উত্তর

উদ্দীপকের (i)-এ G হলো গ্লুকোজ; ইস্টের এনজাইমে অক্সিজেন ছাড়া এটি ইথানল ও CO₂-তে রূপান্তরিত হওয়ায় অসম্পূর্ণ জারণ ঘটে।

C₆H₁₂O₆ → 2C₂H₅OH+2CO₂+2 ATP; এখানে শুধু গ্লাইকোলাইসিস থেকে নিট 2 ATP পাওয়া যায় এবং ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র চলে না।

উৎপন্ন ইথানলে এখনও অনেক রাসায়নিক শক্তি অবশিষ্ট থাকে এবং গ্লুকোজ সম্পূর্ণ CO₂ ও H₂O-তে জারিত হয় না; তাই প্রক্রিয়াটি অসম্পূর্ণ জারণ বা অবাত শ্বসন।

উত্তর

উদ্দীপকের (ii) সালোকসংশ্লেষণ এবং (iii) সবাত শ্বসন; একটি শক্তি সঞ্চয়কারী গঠনমূলক, অন্যটি শক্তি মুক্তকারী ভাঙনমূলক প্রক্রিয়া।

সালোকসংশ্লেষণ ক্লোরোপ্লাস্টে আলো ও ক্লোরোফিলের সাহায্যে CO₂ ও H₂O থেকে X বা গ্লুকোজ ও O₂ তৈরি করে; এতে সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে সঞ্চিত হয়।

শ্বসন সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়ায় এনজাইমের সাহায্যে গ্লুকোজ ও O₂ ব্যবহার করে CO₂, H₂O ও 38 ATP তৈরি করে; আলো বা ক্লোরোফিল দরকার হয় না।

(ii) প্রধানত সবুজ কোষে ও আলোতে চলে এবং ভর-শক্তি সঞ্চয় করে, (iii) প্রায় সব জীবন্ত কোষে দিনরাত চলে ও শক্তি মুক্ত করে—তবে উৎপাদ-উপাদানে তারা পরিপূরক।

৪.

ফুলের অত্যাবশ্যকীয় স্তবকের P হলো পুংস্তবক এবং Q হলো ফুলের কেন্দ্রে অবস্থিত স্ত্রীস্তবক। P থেকে M পুং জননকোষ ও Q থেকে N স্ত্রী জননকোষ সৃষ্টি হয়।

[P, Q, M ও N প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উদ্দীপকের ছবি
উত্তর যে পুষ্পমঞ্জরির প্রধান অক্ষ ফুলে পরিণত বা বৃদ্ধি বন্ধ হওয়ায় ফুলগুলো কেন্দ্র থেকে পরিধির দিকে ক্রমে কনিষ্ঠ হয়, তাকে নিয়ত পুষ্পমঞ্জরি বলে।
উত্তর

নিষেকের পর ফুলের ডিম্বাশয় বৃদ্ধি ও পরিবর্তিত হয়ে ফলে পরিণত হয়।

ডিম্বাশয়ের প্রাচীর ফলত্বক এবং ডিম্বক বীজে রূপান্তরিত হয়; কখনো পুষ্পাধার বা অন্য পুষ্পাংশ যুক্ত হলে অপ্রকৃত ফল সৃষ্টি হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের P পুংস্তবক থেকে M পুংগ্যামেট এবং Q স্ত্রীস্তবকের ডিম্বকে N ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়; M ও N-এর মিলনে জাইগোট গঠিত হয়।

পরাগায়নের পর পরাগরেণু অঙ্কুরিত হয়ে পরাগনালি গঠন করে এবং একটি পুংগ্যামেট ভ্রূণথলির ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে 2n জাইগোট সৃষ্টি করে।

জাইগোট মাইটোসিসে ভ্রূণ, ডিম্বক বীজ ও ডিম্বাশয় ফল হয়; বীজ অঙ্কুরিত হয়ে নতুন 2n স্পোরোফাইট উদ্ভিদ গঠন করে।

উত্তর

পরিবর্তিত পরিবেশে অভিযোজনের জন্য P পুংস্তবক ও Q স্ত্রীস্তবক একই প্রজাতির ভিন্ন উদ্ভিদে থাকা সুবিধাজনক, কারণ এতে পরপরাগায়ন বাধ্যতামূলক হয়।

ভিন্ন উদ্ভিদের পুং ও স্ত্রী গ্যামেট মিললে জিনের নতুন সমন্বয় তৈরি হয়; মিয়োসিসের ক্রসিং ওভার ও স্বাধীন বিন্যাসের বৈচিত্র্য নিষেকে একত্রিত হয়।

বৈচিত্র্যময় অপত্যের মধ্যে রোগ, তাপ, খরা বা অন্য পরিবর্তনের উপযোগী বৈশিষ্ট্য থাকার সম্ভাবনা বাড়ে এবং ক্ষতিকর প্রচ্ছন্ন জিনের প্রকাশ কমতে পারে।

পরাগ অপচয় ও বাহকনির্ভরতা বাড়লেও অভিযোজন, প্রাকৃতিক নির্বাচন ও দীর্ঘমেয়াদি প্রজাতি-টিকে থাকার দিক থেকে পৃথক উদ্ভিদে P ও Q থাকা অধিক লাভজনক।

৫.

চিত্র X-তে কঙ্কালপেশি, Y-তে N চিহ্নিত নিউক্লিয়াসসহ মসৃণ পেশিকোষ এবং Z-তে হৃদপিণ্ড/হৃদপেশি দেখানো হয়েছে।

[X, Y, Z ও N প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উদ্দীপকের ছবি
উত্তর ক্ষুদ্রান্ত্রের আবরণী কোষের মুক্ত প্রান্তে থাকা আঙুলের মতো অসংখ্য সূক্ষ্ম প্রক্ষেপকে মাইক্রোভিলাই বলে।
উত্তর

গাজরের মূলের ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন নামের কমলা রঞ্জক সঞ্চিত থাকে।

মূল সাধারণত ক্লোরোফিলহীন হলেও ক্যারোটিন আলো ছাড়াই রঙ প্রদান করে; তাই গাজর মূল হওয়া সত্ত্বেও রঙিন।

উত্তর

উদ্দীপকের N হলো মসৃণ পেশিকোষের নিউক্লিয়াস; এটি সাধারণত কোষের কেন্দ্রে অবস্থিত একক, লম্বাটে ও পর্দাবেষ্টিত অঙ্গাণু।

দ্বিস্তরী নিউক্লিয়ার ঝিল্লিতে রন্ধ্র থাকে; ভেতরের নিউক্লিওপ্লাজমে ক্রোমাটিন জালিকা ও এক বা একাধিক নিউক্লিওলাস অবস্থান করে।

ক্রোমাটিনের DNA ও জিন কোষের বিপাক, প্রোটিন সংশ্লেষ ও বংশগত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে; নিউক্লিওলাস রাইবোজোমের উপাদান তৈরিতে অংশ নেয়।

উত্তর

উদ্দীপকের Z হৃদপেশি গঠনগতভাবে X কঙ্কালপেশির মতো ডোরাযুক্ত, কিন্তু কার্যগতভাবে Y মসৃণ পেশির মতো অনৈচ্ছিক—উক্তিটি যথার্থ।

হৃদপেশির তন্তুতে আড়াআড়ি ডোরা ও সারকোমিয়ার থাকে, যা কঙ্কালপেশির বৈশিষ্ট্য; তবে তন্তু শাখান্বিত, এককেন্দ্রিক এবং ইন্টারক্যালেটেড ডিস্কে যুক্ত।

হৃদপেশি ইচ্ছার অধীন নয় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছন্দময়, অবিরাম সংকুচিত হয়; এ নিয়ন্ত্রণ ও অনৈচ্ছিকতা মসৃণ পেশির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

অতএব ডোরাযুক্ত সংকোচনযন্ত্রে Z, X-এর মতো; কিন্তু অনৈচ্ছিক ও দীর্ঘস্থায়ী কার্যক্রমে Y-এর মতো—হৃদপেশির বিশেষায়িত প্রকৃতি এ দুই বৈশিষ্ট্য মিলিয়েছে।

৬.

চিত্রে অঙ্কুরিত উদ্ভিদের মূলের P দ্বারা অগ্রভাগের ভাজক অঞ্চল এবং Q দ্বারা একটি 2n কোষ থেকে চারটি n কোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে।

[P ও Q প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উদ্দীপকের ছবি
উত্তর কোষ বিভাজনের মধ্যবর্তী যে প্রস্তুতিমূলক পর্যায়ে কোষ বৃদ্ধি ও DNA প্রতিলিপি ঘটে, তাকে ইন্টারফেজ বলে।
উত্তর

কোষচক্র নিয়ন্ত্রণকারী জিনে মিউটেশন, বিকিরণ, তামাকজাত কার্সিনোজেন, কিছু ভাইরাস বা রাসায়নিকের প্রভাবে বিভাজনের নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হলে ক্যান্সার কোষ সৃষ্টি হয়।

অনকোজিন সক্রিয় বা টিউমার-দমনকারী জিন নিষ্ক্রিয় হলে কোষ অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসে টিউমার গঠন করে এবং ম্যালিগন্যান্ট কোষ অন্য টিস্যুতে ছড়াতে পারে।

উত্তর

উদ্দীপকের P মূলের অগ্রভাগের ভাজক অঞ্চল, যেখানে মাইটোসিস ঘটে; এর তৃতীয় ধাপ মেটাফেজ।

মেটাফেজে ক্রোমোজোম সর্বাধিক মোটা ও খাটো হয়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় তলে সারিবদ্ধ হয়; প্রতিটি সেন্ট্রোমিয়ার বিষুবরেখায় ও বাহু মেরুমুখী থাকে।

আকর্ষণ তন্তু বিপরীত মেরু থেকে সেন্ট্রোমিয়ারে যুক্ত থাকে, নিউক্লিয়ার ঝিল্লি ও নিউক্লিওলাস সম্পূর্ণ বিলুপ্ত এবং শেষদিকে সেন্ট্রোমিয়ার বিভাজন শুরু হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের Q হলো মিয়োসিস; এটি ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক করে গ্যামেট সৃষ্টি করায় যৌন প্রজননে প্রজাতির বৈশিষ্ট্যসূচক ক্রোমোজোম সংখ্যা অক্ষুণ্ণ থাকে।

একটি 2n জননমাতৃকোষ দুই ধারাবাহিক বিভাজনে চারটি n কোষ সৃষ্টি করে; ফলে গ্যামেটে দেহকোষের অর্ধেক ক্রোমোজোম থাকে।

নিষেকে n পুং ও n স্ত্রীগ্যামেট মিললে আবার 2n জাইগোট হয়; মিয়োসিস না হলে প্রতি প্রজন্মে ক্রোমোজোম সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে প্রজাতির স্বাতন্ত্র্য নষ্ট হতো।

একই সঙ্গে ক্রসিং ওভার বৈচিত্র্য সৃষ্টি করলেও মৌলিক জিনসমষ্টি ও 2n সংখ্যা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়; তাই Q প্রজাতির বৈশিষ্ট্য ও ধারাবাহিকতা রক্ষায় মুখ্য।

৭.

দৃশ্যকল্প-১ : A = মৌমাছি, ফুল
B = পেনিসিলিন, ব্যাকটেরিয়া

দৃশ্যকল্প-২ : মেহেদী তার বাবা ও মায়ের সাথে সুন্দরবন ঘুরতে গেলো। তারা সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ, সাপ, ব্যাঙ, পতঙ্গ, খরগোশ ও মৌয়ালদের মধু সংগ্রহ করতে দেখলো। তাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ায় তারা ময়ূর, হরিণ ও বাঘকে দেখতে পেলো।

উত্তর কোনো অঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির জীবের সংখ্যা, প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে।
উত্তর

ব্যাকটেরিয়া প্রধানত বিয়োজক খাদ্যস্তরে থাকে; মৃত জীব ও বর্জ্যের জটিল জৈব পদার্থকে সরল অজৈব পদার্থে ভাঙে।

খনিজ পুষ্টি পরিবেশে ফিরিয়ে উৎপাদককে সরবরাহ করলেও বিয়োজকের স্তর সব ট্রফিক স্তরের মৃত পদার্থের সঙ্গে যুক্ত, তাই এটি পৃথক পুনঃচক্রায়নকারী স্তর।

উত্তর

সুন্দরবনের জীব দিয়ে খাদ্যজাল: ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ময়ূর; ম্যানগ্রোভ → খরগোশ → বাঘ; ম্যানগ্রোভ → হরিণ → বাঘ; পতঙ্গ → ময়ূর এবং ম্যানগ্রোভের ফুলের মধু → মৌমাছি/মানুষ।

ম্যানগ্রোভ উৎপাদক; পতঙ্গ, খরগোশ, হরিণ ও মৌমাছি প্রথম শ্রেণির ভোক্তা, ব্যাঙ দ্বিতীয় এবং সাপ, ময়ূর ও বাঘ উচ্চতর ভোক্তা।

একাধিক খাদ্যশৃঙ্খল পরস্পর যুক্ত হওয়ায় কোনো খাদ্য কমলে ভোক্তা বিকল্প খাদ্য নিতে পারে; এভাবে শক্তি বিভিন্ন পথে প্রবাহিত হয়ে বাস্তুতন্ত্র স্থিতিশীল থাকে।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১-এর A মৌমাছি–ফুল সম্পর্ক মিথোজীবিতা, আর B পেনিসিলিন–ব্যাকটেরিয়া সম্পর্ক অ্যান্টিবায়োসিস; তাদের ফল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

মৌমাছি ফুল থেকে মধু ও পরাগ খাদ্য পায় এবং ফুল মৌমাছির মাধ্যমে পরাগায়িত হয়; উভয়েই লাভবান হওয়ায় এটি +/+ সম্পর্ক।

Penicillium-এর নিঃসৃত পেনিসিলিন ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বা কোষপ্রাচীর গঠন বাধাগ্রস্ত করে; ছত্রাক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাই এটি 0/− সম্পর্ক।

A-তে সহযোগিতায় উভয়ের পুষ্টি-প্রজনন সুবিধা বাড়ে, B-তে এক জীবের রাসায়নিক পদার্থ অন্যকে দমন করে; তাই আন্তঃসম্পর্কের প্রকৃতি বিপরীত।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।