X: 23 জোড়া ক্রোমোজোমবিশিষ্ট মানুষ।
Y: ফুলের পরাগধানীতে উৎপন্ন পরাগমাতৃকোষ/পরাগরেণু।
[X ও Y প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
সকালবেলায় আলো ক্রমে অনুকূল হয়, তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকে এবং পাতার পত্ররন্ধ্র খোলা থাকায় CO₂ সহজে প্রবেশ করে।
রাতে সঞ্চিত পানি ও সকালের কম বাষ্পীভবনে পাতার পানির ঘাটতি থাকে না; তাই মধ্যাহ্নের অতিরিক্ত তাপ ও পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়ার আগেই সালোকসংশ্লেষণের হার বেশি থাকে।
উদ্দীপকের X হলো 23 জোড়া ক্রোমোজোমবিশিষ্ট মানুষ; এর বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens এবং এটি Animalia রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।
মানুষ বহুকোষী, ইউক্যারিওটিক, কোষপ্রাচীরহীন, পরভোজী ও চলনক্ষম; ভ্রূণে নটোকর্ড, পৃষ্ঠীয় ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু এবং পরিণত অবস্থায় মেরুদণ্ড থাকে।
শ্রেণিবিন্যাস: রাজ্য—Animalia, পর্ব—Chordata, উপপর্ব—Vertebrata, শ্রেণি—Mammalia, বর্গ—Primates, পরিবার—Hominidae, গণ—Homo ও প্রজাতি—Homo sapiens।
উদ্দীপকের Y-এর পরাগমাতৃকোষে মিয়োসিস ঘটে; এ বিভাজন জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি ও প্রজাতির টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মিয়োসিসে একটি 2n পরাগমাতৃকোষ থেকে চারটি n মাইক্রোস্পোর সৃষ্টি হয়; ফলে নিষেকে n পুংগ্যামেট ও n স্ত্রীগ্যামেট মিলেও প্রজাতির 2n ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থির থাকে।
প্রোফেজ-I-এ ক্রসিং ওভার এবং মেটাফেজ-I-এ সমসংস্থ ক্রোমোজোমের স্বাধীন বিন্যাসে নতুন জিনসমন্বয়যুক্ত পরাগরেণু তৈরি হয়; দৈব নিষেক বৈচিত্র্য আরও বাড়ায়।
এই বৈচিত্র্য পরিবর্তিত পরিবেশ, রোগ ও প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক নির্বাচনের উপাদান দেয়; তাই কিছু সদস্য অনুকূল বৈশিষ্ট্য নিয়ে টিকে থেকে প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।
চিত্র A-তে উদ্ভিদকোষের কোষপ্রাচীর, B-তে রন্ধ্ররক্ষী কোষ এবং C-তে জাইলেম নালি দেখানো হয়েছে।
[A, B ও C প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
কোষকেন্দ্রের ক্রোমোজোমে DNA ও জিন থাকে, যেখানে জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যের সংকেত সংরক্ষিত থাকে।
কোষ বিভাজনে DNA প্রতিলিপি ও ক্রোমোজোমের সুষম বণ্টনের মাধ্যমে এসব বৈশিষ্ট্য অপত্যকোষ ও পরবর্তী প্রজন্মে যায়; তাই কোষকেন্দ্রকে বংশগতির নিয়ন্ত্রক বলা হয়।
উদ্দীপকের A হলো উদ্ভিদকোষের কোষপ্রাচীর; এটি প্লাজমা মেমব্রেনের বাইরে অবস্থিত দৃঢ়, নির্জীব ও প্রধানত সেলুলোজ-নির্মিত আবরণ।
পার্শ্ববর্তী কোষের মাঝে পেকটিনসমৃদ্ধ মধ্যপর্দা, তার ভেতরে সেলুলোজ-হেমিসেলুলোজ-পেকটিনযুক্ত প্রাথমিক প্রাচীর এবং অনেক পরিণত কোষে লিগনিনযুক্ত গৌণ প্রাচীর থাকে।
প্রাচীরে সূক্ষ্ম পিট ও প্লাজমোডেসমাটা থাকে, যা পাশের কোষের সঙ্গে যোগাযোগ ও পদার্থ চলাচলে সাহায্য করে; প্রাচীর কোষকে আকৃতি, দৃঢ়তা ও অতিরিক্ত পানি থেকে সুরক্ষা দেয়।
উদ্দীপকের B রন্ধ্ররক্ষী কোষ এবং C জাইলেম নালি; দুটির কাজ মৌলিকভাবে ভিন্ন—B গ্যাসীয় বিনিময় নিয়ন্ত্রণ করে, C পানি-খনিজ পরিবহন করে।
রক্ষী কোষের টারগার পরিবর্তনে পত্ররন্ধ্র খোলে বা বন্ধ হয়; ফলে CO₂ গ্রহণ, O₂ নির্গমন ও প্রস্বেদনের হার নিয়ন্ত্রিত থাকে।
জাইলেম নালি মৃত, লিগনিনযুক্ত ও প্রান্তপ্রাচীরবিহীন ধারাবাহিক নল; এটি মূল থেকে পানি ও খনিজ লবণ কাণ্ড-পাতায় ঊর্ধ্বমুখে বহন এবং যান্ত্রিক দৃঢ়তা প্রদান করে।
অতএব B জীবন্ত নিয়ন্ত্রক কোষ হিসেবে পরিবেশের সঙ্গে গ্যাস-পানির বিনিময় সামলায়, আর C মৃত পরিবহন উপাদান হিসেবে দীর্ঘ দূরত্বে রস বহন করে—কাজের ভিন্নতা সুস্পষ্ট।
(i) পরাগরেণুর পরিবর্তন → চারাগাছ সৃষ্টি
(ii) ডিম্বকের পরিবর্তন → চারাগাছ সৃষ্টি
ডাইনোসরের বিলুপ্তি ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন বা যোগ্যতমের টিকে থাকার মতবাদকে সমর্থন করে।
পরিবেশের আকস্মিক পরিবর্তনের সঙ্গে বিশাল ডাইনোসর অভিযোজিত হতে না পারায় তারা নির্বাচনে বাদ পড়ে বিলুপ্ত হয়েছে, অথচ তুলনামূলক অনুকূল বৈশিষ্ট্যধারী জীব টিকে ছিল।
উদ্দীপকের (ii) হলো নিষেকের পর ডিম্বকের পরিবর্তন; ডিম্বক পরিণত হয়ে বীজে রূপান্তরিত হয়।
নিষিক্ত ডিম্বাণু বা জাইগোট থেকে ভ্রূণ, প্রাথমিক সস্যকেন্দ্র থেকে সস্য এবং ডিম্বকের আবরণী থেকে বীজত্বক গঠিত হয়।
ডিম্বকরন্ধ্র বীজরন্ধ্র, ডিম্বকনাভি বীজনাভি এবং অনেক ক্ষেত্রে নিউসেলাসের অবশিষ্টাংশ পেরিস্পার্ম হয়; পরিণত বীজ অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরিত হয়ে চারাগাছ সৃষ্টি করে।
চারাগাছ সৃষ্টিতে (i) পরাগরেণুর পরিবর্তন ও (ii) ডিম্বকের পরিবর্তন পরপর সংঘটিত এবং পরস্পরনির্ভর; উভয়টির ভূমিকা অপরিহার্য।
পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে অঙ্কুরিত হয়ে পরাগনালি তৈরি করে; জেনারেটিভ নিউক্লিয়াস থেকে দুই পুংগ্যামেট সৃষ্টি হয়ে নালির মাধ্যমে ভ্রূণথলিতে পৌঁছে দ্বিনিষেক সম্পন্ন করে।
নিষেকের পর ডিম্বকের জাইগোট ভ্রূণ, সস্যকেন্দ্র সস্য ও আবরণী বীজত্বক গঠন করে; ফলে ভ্রূণ, খাদ্যভাণ্ডার ও রক্ষাকারী আবরণসহ পূর্ণ বীজ তৈরি হয়।
পরাগরেণুর পরিবর্তন ছাড়া নিষেক এবং ডিম্বকের পরিবর্তন ছাড়া বীজ হয় না; পরিণত বীজের অঙ্কুরোদ্গমেই চারাগাছ সৃষ্টি হয়।
(ii) ব্যাকটেরিয়া + শিম গাছ
(iii) স্বর্ণলতা + বরই গাছ
একই উভলিঙ্গ ফুলে নিজের পরাগরেণু একই ফুলের গর্ভমুণ্ডে পড়লে স্বপরাগায়ন ঘটে।
আবার ওই ফুলের পরাগ একই প্রজাতির অন্য উদ্ভিদের ফুলে বাহকের মাধ্যমে গেলে পরপরাগায়ন ঘটে; তাই উৎস ও গন্তব্যভেদে একই ফুল উভয় ধরনের পরাগায়নে অংশ নিতে পারে।
উদ্দীপকের (i) মৃতদেহ → শকুন একটি ডেট্রিটাস বা মৃতজীবী-সূচিত খাদ্যশিকলের সংক্ষিপ্ত রূপ।
এ শিকল জীবিত সবুজ উৎপাদক থেকে শুরু না হয়ে মৃত প্রাণীর জৈব পদার্থ থেকে শুরু হয়; শকুন মৃতদেহভোজী ভোক্তা হিসেবে সেই খাদ্য গ্রহণ করে।
মৃতদেহের অবশিষ্টাংশ পরে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক বিয়োজিত করে খনিজে পরিণত করে; ফলে শক্তি মৃত জৈব পদার্থ থেকে খাদক-বিয়োজকের দিকে প্রবাহিত হয় এবং পুষ্টি পরিবেশে ফেরে।
উদ্দীপকের (ii) শিমগাছ–ব্যাকটেরিয়া ও (iii) স্বর্ণলতা–বরইগাছের সম্পর্ক একই নয়; প্রথমটি মিথোজীবিতা, দ্বিতীয়টি পরজীবিতা।
শিমগাছের মূলগ্রন্থিতে Rhizobium বায়ুর N₂ স্থির করে উদ্ভিদকে নাইট্রোজেন দেয়, আর উদ্ভিদ ব্যাকটেরিয়াকে খাদ্য ও আশ্রয় দেয়; উভয়েই লাভবান হওয়ায় এটি +/+ সম্পর্ক।
স্বর্ণলতা হস্টোরিয়ার মাধ্যমে বরইগাছ থেকে পানি ও প্রস্তুত খাদ্য শোষণ করে; স্বর্ণলতা লাভবান হলেও পোষক বরইগাছ দুর্বল হয়, তাই এটি +/− সম্পর্ক।
একটিতে দুই জীবের পারস্পরিক উপকার এবং অন্যটিতে এক জীবের লাভে অপর জীবের ক্ষতি হয়; তাই সম্পর্ক দুটির প্রকৃতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
চিত্র X-এ একটি ক্রোমোজোম এবং চিত্র Y-তে থ্যালাসেমিয়ার দুই বাহক পিতা-মাতার সংকরায়ণ Rr×Rr দেখানো হয়েছে।
[X ও Y প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
লাইসোজোমে শক্তিশালী হাইড্রোলাইটিক এনজাইম থাকে, যা কোষে প্রবেশকারী জীবাণু ও ক্ষতিকর কণাকে ভেঙে হজম করে।
এটি ফ্যাগোসোমের সঙ্গে মিলিত হয়ে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস এবং জীর্ণ অঙ্গাণু অপসারণ করে; তাই লাইসোজোমকে কোষের জীবাণু ভক্ষক বলা হয়।
উদ্দীপকের X হলো ক্রোমোজোম; এটি DNA ও হিস্টোন প্রোটিন দিয়ে গঠিত ঘনীভূত ক্রোমাটিন কাঠামো।
বিভাজনকালীন একটি প্রতিলিপিকৃত ক্রোমোজোমে সমগঠনবিশিষ্ট দুটি ক্রোমাটিড থাকে, যা সেন্ট্রোমিয়ারে যুক্ত; সেন্ট্রোমিয়ারের ওপর কাইনেটোকোর এবং দুই পাশে বাহু ও প্রান্তে টেলোমিয়ার থাকে।
ক্রোমোনেমায় সারিবদ্ধ জিন বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে; সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোম মেটাসেন্ট্রিক, সাবমেটাসেন্ট্রিক, অ্যাক্রোসেন্ট্রিক বা টেলোসেন্ট্রিক হতে পারে।
উদ্দীপকের Y-তে থ্যালাসেমিয়ার দুই বাহক পিতা-মাতার সংকরায়ণ Rr×Rr; প্রতিটি গর্ভধারণে সুস্থ, বাহক ও অসুস্থ সন্তানের সম্ভাবনা যথাক্রমে 25%, 50% ও 25%।
পিতার গ্যামেট R ও r এবং মাতার গ্যামেট R ও r; সম্ভাব্য জিনোটাইপ RR, Rr, Rr ও rr।
RR সন্তান সম্পূর্ণ সুস্থ = 1/4 বা 25%; Rr বাহক কিন্তু সাধারণত রোগলক্ষণহীন = 2/4 বা 50%; rr থ্যালাসেমিয়া রোগী = 1/4 বা 25%।
অতএব দৃশ্যত সুস্থ সন্তান মোট 75% হলেও তার 50% বাহক; প্রতিটি গর্ভধারণে সম্ভাবনা নতুন করে একই থাকে বলে বাহক দম্পতির জিনগত পরামর্শ ও পরীক্ষা জরুরি।
চিত্র A-তে মানুষের বাহু এবং চিত্র B-তে পাকস্থলী দেখানো হয়েছে।
[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
চিত্র A-এর বাহুতে কঙ্কাল বা ডোরাকাটা পেশি ইচ্ছানুযায়ী সংকুচিত হয়ে চলন ঘটায়, তাই এটি ঐচ্ছিক টিস্যু।
চিত্র B-এর পাকস্থলীতে মসৃণ পেশি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকুচিত হয়ে খাদ্য মিশ্রণ ও পরিবহন করে, তাই এটি অনৈচ্ছিক টিস্যু।
চিত্র A-এর বাহুর বাইরের আচ্ছাদনকারী কলা হলো কেরাটিনযুক্ত স্তরীভূত আঁইশাকার আবরণী টিস্যু, যা কাজের প্রকৃতিভেদে রক্ষণাত্মক আবরণী।
এতে চ্যাপ্টা কোষের বহু স্তর থাকে; নিচের জীবন্ত কোষ বিভাজিত হয়ে উপরিভাগের ক্ষয়প্রাপ্ত কেরাটিনযুক্ত মৃত কোষ প্রতিস্থাপন করে।
বহুস্তর ও কেরাটিন বাহুকে ঘর্ষণ, আঘাত, জীবাণু ও অতিরিক্ত পানি হারানো থেকে রক্ষা করে; তাই অবস্থান ও কাজের সঙ্গে এর গঠন সামঞ্জস্যপূর্ণ।
চিত্র A-এর বাহুতে সঞ্চালনকারী কঙ্কালপেশি এবং B-এর পাকস্থলীতে মসৃণ পেশির গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও সংকোচনের ধরনে স্পষ্ট ভিন্নতা আছে।
কঙ্কালপেশির তন্তু লম্বা, নলাকার, বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত ও আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত; এটি দেহস্নায়ুর নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও ইচ্ছাধীন সংকোচনে অস্থি নড়ায়।
মসৃণ পেশির কোষ মাকু-আকৃতির, এক নিউক্লিয়াসযুক্ত ও ডোরাবিহীন; স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণে ধীরে, দীর্ঘস্থায়ী ও অনিচ্ছাধীন সংকোচনে পাকস্থলীর পেরিস্টালসিস ঘটায়।
অতএব A-এর পেশি বাহ্যিক চলন ও দ্রুত ক্লান্তির উপযোগী, B-এর পেশি অভ্যন্তরীণ অঙ্গের ছন্দময় কাজ ও দীর্ঘক্ষণ সংকোচনের উপযোগী।
গ্লুকোজ (C₆H₁₂O₆) থেকে এক পথে পাইরুভিক এসিড (C₃H₄O₃), তারপর B, C ও D ধাপ অতিক্রম করে পূর্ণ জারণ ঘটে; অন্য পথে ইথানল (C₂H₅OH) উৎপন্ন হয়।
[B, C ও D প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
অ্যানাফেজে সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হলে আকর্ষণ তন্তু সংকুচিত হয়ে অপত্য ক্রোমাটিডকে বিপরীত মেরুর দিকে টানে।
সেন্ট্রোমিয়ার অগ্রগামী ও বাহু অনুগামী থাকায় ক্রোমাটিডগুলো V, L, J বা I আকৃতি নিয়ে দুই মেরুতে সমানভাবে পৌঁছে।
উদ্দীপকের C হলো ক্রেবস চক্র; এটি সবাত শ্বসনের তৃতীয় ধাপ এবং মাইটোকন্ড্রিয়ার ম্যাট্রিক্সে সংঘটিত হয়।
দুই অণু acetyl Co-A চক্রে প্রবেশ করে ধাপে ধাপে জারিত হয়ে 4CO₂, 6NADH₂, 2FADH₂ ও 2GTP উৎপন্ন করে।
ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রে 6NADH₂ থেকে 18 ATP, 2FADH₂ থেকে 4 ATP এবং 2GTP সমতুল্য 2 ATP—মোট 24 ATP পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের গ্লুকোজের পূর্ণ সবাত জারণ ও ইথানল উৎপাদক অবাত শ্বসনে শক্তি উৎপাদন সমান নয়; সবাত শ্বসনে 38 ATP, অবাত শ্বসনে মাত্র 2 ATP পাওয়া যায়।
সবাত পথে গ্লাইকোলাইসিসের পর পাইরুভেট acetyl Co-A, ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র অতিক্রম করে O₂-এর উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ CO₂ ও H₂O-তে জারিত হয়।
অবাত পথে O₂ না থাকায় পাইরুভেট ইথানল ও CO₂-তে অসম্পূর্ণভাবে বিজারিত হয়; ক্রেবস চক্র ও অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন না চলায় শুধু গ্লাইকোলাইসিসের নিট 2 ATP থাকে।
ইথানলে বিপুল রাসায়নিক শক্তি অবশিষ্ট থাকার কারণে অবাত শ্বসনের ফলন কম; তাই একই গ্লুকোজ থেকে সবাত প্রক্রিয়ার শক্তি উৎপাদন অবাত প্রক্রিয়ার তুলনায় অনেক বেশি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।