প্রতিটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি পদে লেখার পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে।
প্রথম পদটি গণ এবং দ্বিতীয় পদটি প্রজাতি নির্দেশ করে; গণের প্রথম অক্ষর বড় ও প্রজাতির সব অক্ষর ছোট হয় এবং মুদ্রণে নাম দুটি italic লেখা হয়।
চিত্র P-এর Spirogyra পাঁচ রাজ্য শ্রেণিবিন্যাসে Protista রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।
Protista-এর জীব এককোষী, কলোনিয়াল বা সূত্রাকার এবং সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত ইউক্যারিওট; নিউক্লিয়ার পর্দাবেষ্টিত ক্রোমাটিন ও ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু থাকে।
Spirogyra সূত্রাকার বহুকোষী শৈবাল, সালোকসংশ্লেষণে খাদ্য তৈরি করে এবং যৌন জননে কনজুগেশন ঘটায়; ভ্রূণ গঠিত হয় না—এসবই Protista-এর রাজ্যগত বৈশিষ্ট্য।
চিত্র Q-এর Amoeba-এর তুলনায় চিত্র R-এর বহুকোষী সবুজ উদ্ভিদ অধিক উন্নত।
Amoeba Protista রাজ্যের এককোষী ইউক্যারিওট; একটি কোষেই খাদ্যগ্রহণ, চলন, রেচন ও প্রজননসহ সব জীবনক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং ভ্রূণ গঠিত হয় না।
R Plantae রাজ্যের জীব; এটি বহুকোষী, সালোকসংশ্লেষণকারী এবং উন্নত টিস্যুতন্ত্রযুক্ত, আর যৌন জননে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়ে তা থেকে ডিপ্লয়েড পর্যায় শুরু হয়।
টিস্যু ও অঙ্গের শ্রমবণ্টন, বহুকোষী দেহ এবং ভ্রূণীয় বিকাশের কারণে R, Q-এর চেয়ে গঠন ও জীবনক্রিয়ায় অধিক উন্নত।
মাইটোকন্ড্রিয়ায় সবাত শ্বসনের অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র সম্পন্ন হয়ে অধিকাংশ ATP উৎপন্ন হয়।
ATP জীবকোষের সব কাজে ব্যবহারযোগ্য শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস বলা হয়।
চিত্র X হলো ভাজক টিস্যু; এর কোষগুলো অপরিণত ও সক্রিয়ভাবে বিভাজনক্ষম।
কোষগুলো আকারে ছোট, সমব্যাসীয়, পাতলা প্রাথমিক প্রাচীরযুক্ত ও ঘন প্রোটোপ্লাজমপূর্ণ; নিউক্লিয়াস বড় এবং কোষগহ্বর অনুপস্থিত বা অতি ক্ষুদ্র।
কোষগুলোর মধ্যে আন্তঃকোষীয় ফাঁক থাকে না এবং তারা নিবিড়ভাবে সাজানো; অবিরাম বিভাজনের মাধ্যমে নতুন কোষ সৃষ্টি করে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ঘটায়।
চিত্র Y-এর নিউরন উদ্দীপনা গ্রহণ ও পরিবহণের মাধ্যমে জীবদেহের কাজ নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।
নিউরনের কোষদেহে নিউক্লিয়াস থাকে; ডেনড্রন ও ডেনড্রাইট উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং একটিমাত্র দীর্ঘ অ্যাক্সন কোষদেহ থেকে স্নায়ু-উদ্দীপনা দূরে বহন করে।
পরপর দুটি নিউরনের অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যবর্তী সিন্যাপস দিয়ে উদ্দীপনা একমুখীভাবে পরবর্তী নিউরনে যায়; সংবেদী নিউরন কেন্দ্রে সংবাদ আনে এবং মোটর নিউরন কার্যকর অঙ্গে নির্দেশ পৌঁছায়।
এভাবে মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড তথ্য বিশ্লেষণ করে উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং স্মৃতি, অনুভূতি, চলন ও অঙ্গের কাজ সমন্বিত রাখে।
কোষচক্র নিয়ন্ত্রণকারী জিনে ত্রুটি ঘটলে কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।
এই অস্বাভাবিক কোষসমষ্টি টিউমার তৈরি করে; ম্যালিগন্যান্ট কোষ আশপাশের টিস্যু আক্রমণ করে রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে।
পুঁইশাকের কচি কাণ্ডে মাইটোসিস ঘটে এবং এর শেষ ধাপ টেলোফেজ; সংযুক্ত চিত্রে উদ্ভিদকোষের টেলোফেজ দেখানো হয়েছে।
দুই মেরুর ক্রোমোজোম সরু ও লম্বা হয়ে ক্রোমাটিন জালিকা গঠন করে; নিউক্লিওলাস ও নিউক্লিয়ার মেমব্রেন পুনরায় সৃষ্টি হয়ে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াস গঠিত হয় এবং স্পিন্ডল তন্তু বিলুপ্ত হয়।
শেষে বিষুবীয় তলে কোষপ্লেট তৈরি হয়ে সাইটোকাইনেসিস সম্পন্ন হয়; ফলে মাতৃকোষের সমসংখ্যক ও সমগুণসম্পন্ন ক্রোমোজোমবিশিষ্ট দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়।
মরিচ গাছের ডিম্বকে মিয়োসিসের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড মেগাস্পোর সৃষ্টি হয়, যা যৌন প্রজনন ও প্রজাতির ধারা রক্ষায় অপরিহার্য।
মিয়োসিসে একটি ডিপ্লয়েড মাতৃকোষ পরপর দুইবার বিভাজিত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি করে; ফলে গ্যামেটোফাইটে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক থাকে।
নিষেকে স্ত্রী ও পুং গ্যামেট মিললে ডিপ্লয়েড সংখ্যা পুনঃস্থাপিত হয়; তাই প্রজন্মের পর প্রজন্ম প্রজাতির নির্দিষ্ট ক্রোমোজোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।
প্রোফেজ-I-এ ক্রসিং ওভার এবং স্বাধীন বিন্যাসে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়, যা অভিযোজন ও বিবর্তনের উপাদান জোগায়; তাই মিয়োসিস প্রজাতির ধারাবাহিকতা ও বৈচিত্র্য দুটিই রক্ষা করে।
(i) $\mathrm{6CO_2 + 12H_2O \xrightarrow[\text{ক্লোরোফিল}]\{\text{আলো}\} C_6H_{12}O_6 + 6H_2O + 6O_2}$
(ii) $\mathrm{C_6H_{12}O_6 + 6O_2 \xrightarrow\{\text{এনজাইম}\} 6CO_2 + 6H_2O + E}$
যেসব উদ্ভিদে CO₂ বিজারণের প্রথম স্থায়ী পদার্থ তিন কার্বনবিশিষ্ট 3-ফসফোগ্লিসারিক এসিড, তাদের C₃ উদ্ভিদ বলে।
এদের আলোক-নিরপেক্ষ পর্যায়ে ক্যালভিন চক্র চলে; ধান, গম ও আলু C₃ উদ্ভিদের উদাহরণ।
উদ্দীপকের (ii) হলো সবাত শ্বসন এবং E হলো এক অণু গ্লুকোজ থেকে উৎপন্ন মোট 38 অণু ATP; সংযুক্ত প্রবাহচিত্রে এর ধাপ দেখানো হয়েছে।
গ্লাইকোলাইসিসে নিট 2 ATP ও 2 NADH₂, অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টিতে 2 NADH₂ এবং ক্রেবস চক্রে 2 ATP, 6 NADH₂ ও 2 FADH₂ তৈরি হয়।
ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রে NADH₂ ও FADH₂ জারিত হয়ে 34 ATP তৈরি করে; সাবস্ট্রেট স্তরের 4 ATP-সহ সর্বমোট 38 ATP হয়।
উদ্দীপকের (i) সালোকসংশ্লেষণ জীবজগতের খাদ্য, অক্সিজেন ও শক্তির মৌলিক উৎস বলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সবুজ উদ্ভিদ সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে CO₂ ও পানি থেকে গ্লুকোজ তৈরি করে; এই জৈব খাদ্য থেকেই প্রায় সব খাদ্যশৃঙ্খল শুরু হয়।
প্রক্রিয়ায় নির্গত O₂ জীবের সবাত শ্বসনে ব্যবহৃত হয় এবং বায়ুমণ্ডল থেকে CO₂ গ্রহণ করায় O₂–CO₂ ভারসাম্য ও কার্বনচক্র বজায় থাকে।
খাদ্য, জ্বালানি, তন্তু ও জীবদেহের উপাদান সৃষ্টি এবং শ্বসনের উপকরণ সরবরাহ—সব মিলিয়ে সালোকসংশ্লেষণ ছাড়া পৃথিবীর অধিকাংশ জীবের অস্তিত্ব সম্ভব নয়।
চালতার ফলে ডিম্বাশয়ের সঙ্গে বৃতি ও পুষ্পাক্ষের মতো অতিরিক্ত পুষ্পীয় অংশও খাদ্যোপযোগী অংশ গঠনে অংশ নেয়।
শুধু ডিম্বাশয় থেকে গঠিত ফল প্রকৃত ফল, কিন্তু অন্যান্য পুষ্পীয় অংশ যুক্ত থাকায় চালতাকে অপ্রকৃত ফল বলা হয়।
চিত্রের A পরাগরেণু পুং গ্যামেটোফাইটের প্রথম কোষ; এটি পরাগ মাতৃকোষ থেকে মাইক্রোস্পোরোজেনেসিসে উৎপন্ন হয়।
ডিপ্লয়েড পরাগ মাতৃকোষ মিয়োসিসে চারটি হ্যাপ্লয়েড মাইক্রোস্পোর তৈরি করে; প্রতিটি মাইক্রোস্পোর পরিণত হয়ে পরাগরেণু হয় এবং এর নিউক্লিয়াস মাইটোসিসে নালিকোষ ও জেনারেটিভ কোষ সৃষ্টি করে।
গর্ভমুণ্ডে পরাগরেণু অঙ্কুরিত হয়ে নালিকোষ থেকে পরাগনালি বাড়ে; জেনারেটিভ কোষ মাইটোসিসে দুটি পুং গ্যামেট তৈরি করলে পরিণত পুং গ্যামেটোফাইট সম্পূর্ণ হয়।
নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টিতে চিত্র B-এর পর-পরাগায়ন, C-এর স্ব-পরাগায়নের তুলনায় অধিক কার্যকর।
পর-পরাগায়নে একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়; ফলে ভিন্ন জিনসমষ্টির গ্যামেট মিলিত হওয়ার সুযোগ বাড়ে।
স্ব-পরাগায়নে একই ফুল বা একই গাছের ফুলের গ্যামেট মিলিত হওয়ায় বংশগত বিশুদ্ধতা বজায় থাকলেও বৈচিত্র্য কমে এবং ক্ষতিকর প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য প্রকাশের আশঙ্কা বাড়ে।
B-তে জিনের নতুন সমাবেশ ঘটায় বৈচিত্র্যময়, অভিযোজনক্ষম ও অনেক ক্ষেত্রে অধিক সবল সন্তান সৃষ্টি হয়; তাই নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টিতে B অধিক কার্যকর।
(i) ধান গাছ → ছোটো মাছ → সাপ → বক
(ii) ধান গাছ → ছোটো মাছ → ব্যাঙ → বক
(iii) ধান গাছ → ফড়িং → ব্যাঙ
বিয়োজক মৃত উদ্ভিদ-প্রাণী ও বর্জ্যের জটিল জৈব পদার্থকে ভেঙে সরল অজৈব পদার্থে পরিণত করে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়।
ফলে পুষ্টি পুনরায় উৎপাদক গ্রহণ করতে পারে, মৃতদেহ জমে না এবং পদার্থচক্র ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় থাকে।
উদ্দীপকের তিনটি খাদ্যশিকল পরস্পর যুক্ত হয়ে ধান গাছকে উৎপাদক এবং বককে সর্বোচ্চ খাদক রেখে একটি খাদ্যজাল গঠন করেছে; সংযুক্ত চিত্রে তা দেখানো হয়েছে।
ধান গাছ ছোট মাছ ও ফড়িংকে খাদ্য দেয়; ছোট মাছকে সাপ ও ব্যাঙ খায়, আবার ফড়িংকে ব্যাঙ খায়; সাপ ও ব্যাঙ উভয়ই বকের খাদ্য।
একই জীব একাধিক খাদ্যশিকলে যুক্ত এবং ব্যাঙ ও বকের একাধিক খাদ্য উৎস আছে বলে শিকলগুলো বিচ্ছিন্ন নয়; তাদের পারস্পরিক সংযোগই খাদ্যজাল।
উদ্দীপকের (iii) ধান গাছ → ফড়িং → ব্যাঙ খাদ্যশিকলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে কম হবে।
খাদ্যশিকলের প্রতিটি খাদ্যস্তরে জীব শ্বসন, চলন ও অন্যান্য কাজে অধিকাংশ শক্তি ব্যয় করে এবং অল্প অংশ পরবর্তী স্তরে যায়।
(i) ও (ii)-তে উৎপাদকসহ চারটি খাদ্যস্তর, কিন্তু (iii)-তে মাত্র তিনটি খাদ্যস্তর; তাই (iii)-তে শক্তি স্থানান্তরের ধাপ একবার কম।
কম খাদ্যস্তর অতিক্রম করায় তাপরূপে শক্তি ক্ষয়ের সুযোগও কম হয় এবং শেষ খাদক ব্যাঙ তুলনামূলক বেশি শক্তি পায়; অতএব (iii)-তেই অপচয় সর্বনিম্ন।
চোখের রং শনাক্তকারী একটি পিগমেন্টের অভাবে লাল ও সবুজ রঙের পার্থক্য বুঝতে না পারাকে সর্বজনীন কালার ব্লাইন্ডনেস বলে।
এটি সাধারণত X-ক্রোমোজোমবাহিত প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য এবং নারীর তুলনায় পুরুষে বেশি প্রকাশ পায়।
রুমানার রোগটি থ্যালাসেমিয়া; লোহিত রক্তকোষের গ্লোবিন প্রোটিন তৈরির জিনের ত্রুটিতে এ রোগ হয়।
α-গ্লোবিন বা β-গ্লোবিন জিন অনুপস্থিত বা ত্রুটিপূর্ণ হলে অস্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন ও ত্রুটিপূর্ণ লোহিত রক্তকোষ তৈরি হয় এবং কোষগুলো দ্রুত নষ্ট হয়।
এটি অটোসোমাল প্রচ্ছন্ন বংশগত রোগ; বাবা-মা উভয়ের কাছ থেকে ত্রুটিপূর্ণ জিন পেলে রোগ তীব্রভাবে প্রকাশ পায় এবং লোহিত কণিকা নষ্ট হওয়ায় রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
দম্পতির চতুর্থ সন্তান ছেলে হওয়ার ক্ষেত্রে পিতা মিনহাজের ভূমিকাই নির্ধারক, মাতা রূপালীর নয়।
মানুষের 23 জোড়া ক্রোমোজোমের এক জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম; নারীর গঠন XX এবং পুরুষের XY।
মায়ের সব ডিম্বাণু X বহন করে, কিন্তু পিতা সমসংখ্যক X-বাহী ও Y-বাহী শুক্রাণু তৈরি করেন; X-বাহী শুক্রাণু নিষেক করলে XX কন্যা এবং Y-বাহী শুক্রাণু নিষেক করলে XY পুত্র হয়।
চতুর্থ সন্তানের ক্ষেত্রে Y-বাহী শুক্রাণু X-বাহী ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করায় XY জাইগোট তৈরি হয়েছে; তাই পিতার শুক্রাণুই সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করেছে।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।