| প্রতীক | জীব |
|---|---|
| A | Paramecium |
| B | মাশরুম |
| C | আমগাছ |
| D | বাঘ |
শ্রেণিবিন্যাস জীবজগতের বিপুল বৈচিত্র্যকে সুশৃঙ্খল দলে সাজিয়ে জীব শনাক্তকরণ ও অধ্যয়ন সহজ করে।
এটি জীবের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য, পারস্পরিক সম্পর্ক ও বিবর্তনীয় ধারা বুঝতে এবং বিশ্বব্যাপী একই জীবকে নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।
উদ্দীপকের A Paramecium, যা Protista রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।
এই রাজ্যের জীব এককোষী, কলোনিয়াল বা সূত্রাকার এবং সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত ইউক্যারিওট; নিউক্লিয়ার পর্দাবেষ্টিত ক্রোমাটিন ও ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু থাকে।
খাদ্যগ্রহণ শোষণ বা সালোকসংশ্লেষণে হতে পারে; মাইটোসিসে অযৌন এবং কনজুগেশনে যৌন প্রজনন ঘটে, কিন্তু ভ্রূণ গঠিত হয় না।
উদ্দীপকের B=Fungi, C=Plantae ও D=Animalia-এর মধ্যে D রাজ্য সবচেয়ে উন্নত।
Fungi শোষণকারী পরভোজী এবং অধিকাংশের দেহ মাইসেলিয়াম; Plantae সালোকসংশ্লেষণকারী বহুকোষী জীব, যাদের উন্নত টিস্যুতন্ত্র ও ভ্রূণ গঠিত হয়।
Animalia-এর জীব নিউক্লিয়াসযুক্ত বহুকোষী পরভোজী; কোষপ্রাচীর ও প্লাস্টিড নেই, জটিল টিস্যু-অঙ্গতন্ত্র, স্নায়বিক সমন্বয় এবং ভ্রূণীয় স্তর গঠিত হয়।
অঙ্গতন্ত্রের উচ্চ শ্রমবণ্টন, সক্রিয় চলন, দ্রুত উদ্দীপনা-প্রতিক্রিয়া ও জটিল ভ্রূণীয় বিকাশের জন্য D-এর বাঘ B ও C-এর তুলনায় অধিক উন্নত।
নিউরনের সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিওল বা সেন্ট্রোজোম থাকে না, তাই স্বাভাবিক স্পিন্ডল তন্তু গঠিত হতে পারে না।
ফলে পরিণত নিউরন মাইটোসিসে বিভাজিত হয় না এবং ক্ষতিগ্রস্ত হলে সাধারণত নতুন নিউরন দিয়ে সহজে প্রতিস্থাপিত হতে পারে না।
মিনার দেখা গোলাকার অঙ্গাণুটি নিউক্লিয়াস; সংযুক্ত চিত্রে এর প্রধান অংশগুলো দেখানো হয়েছে।
এটি দ্বিস্তরী নিউক্লিয়ার মেমব্রেনে আবৃত; মেমব্রেনে নিউক্লিয়ার রন্ধ্র থাকে এবং ভেতরের অর্ধতরল নিউক্লিওপ্লাজমে এক বা একাধিক ঘন নিউক্লিওলাস অবস্থান করে।
নিউক্লিওপ্লাজমে DNA ও প্রোটিনের সূক্ষ্ম ক্রোমাটিন জালিকা থাকে, যা বিভাজনের সময় ঘনীভূত হয়ে ক্রোমোজোম গঠন করে।
দিনার দেখা ডিম্বাকার খাদ্য প্রস্তুতকারী অঙ্গাণুটি ক্লোরোপ্লাস্ট; এটি উদ্ভিদের সবুজ বর্ণ সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রানায় ক্লোরোফিল-a ও ক্লোরোফিল-b আলো শোষণ করে এবং তাদের সবুজ রং পাতা ও কচি অঙ্গকে সবুজ দেখায়।
প্লাস্টিডের অন্য রূপ ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিলের মতো রঞ্জক থাকে, যা ফুল-ফলকে হলুদ, কমলা বা লাল বর্ণ দেয়; বিভিন্ন প্লাস্টিড পরস্পরে রূপান্তরিতও হতে পারে।
অতএব ক্লোরোপ্লাস্ট খাদ্য প্রস্তুতির পাশাপাশি ক্লোরোফিলের মাধ্যমে সবুজ বর্ণ দেয় এবং প্লাস্টিডতন্ত্রের রঞ্জক বৈচিত্র্য উদ্ভিদের সামগ্রিক বর্ণ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ।
সেন্ট্রোজোমের সেন্ট্রিওল বিভাজিত হয়ে দুই মেরুতে যায় এবং অ্যাস্টার ও স্পিন্ডল তন্তু গঠনে সংগঠকের কাজ করে।
স্পিন্ডল তন্তু ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ারে যুক্ত হয়ে তাদের বিষুবীয় তলে সাজায় ও পরে বিপরীত মেরুতে টেনে সমবণ্টন নিশ্চিত করে।
চিত্র A মাইটোসিস এবং ক্রোমোজোমগুলো V, L, J বা I আকৃতি ধারণকারী ধাপটি অ্যানাফেজ; সংযুক্ত চিত্রে ধাপটি দেখানো হয়েছে।
এ পর্যায়ের শুরুতে প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার সম্পূর্ণ দ্বিধাবিভক্ত হয়, ফলে দুই ক্রোমাটিড পৃথক অপত্য ক্রোমোজোমে পরিণত হয়।
আকর্ষণ তন্তুর সংকোচনে সেন্ট্রোমিয়ার অগ্রগামী ও বাহু অনুগামী হয়ে অপত্য ক্রোমোজোম বিপরীত মেরুতে যায়; সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানভেদে V, L, J বা I আকৃতি দেখা যায়।
বংশগতির ধারা ও প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা বজায় রাখতে চিত্র B-এর মিয়োসিসের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
মিয়োসিসে একটি ডিপ্লয়েড জনন মাতৃকোষ পরপর দুইবার বিভাজিত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি করে; ফলে গ্যামেটে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়।
নিষেকে দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট মিললে ডিপ্লয়েড সংখ্যা পুনঃস্থাপিত হয়; তাই প্রতি প্রজন্মে প্রজাতির নির্দিষ্ট ক্রোমোজোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।
প্রোফেজ-I-এ ক্রসিং ওভার ও ক্রোমোজোমের স্বাধীন বিন্যাসে নতুন জিনসমাবেশ তৈরি হয়; এই বৈচিত্র্যসহ বংশগত বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে যাওয়ায় B ধারাবাহিকতা ও বিবর্তন দুটিই সমর্থন করে।
(i) CO₂ + H₂O —আলো ও ক্লোরোফিল→ X + O₂ + H₂O
(ii) X + O₂ —এনজাইম→ CO₂ + H₂O + ATP
কার্বন ডাইঅক্সাইড সালোকসংশ্লেষণে কার্বোহাইড্রেট তৈরির প্রধান কার্বন উৎস ও কাঁচামাল।
আলোক-নিরপেক্ষ পর্যায়ে পাতায় প্রবেশকারী CO₂, আলোক পর্যায়ের ATP ও NADPH ব্যবহার করে বিজারিত হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়।
উদ্দীপকের X হলো গ্লুকোজ, যা সবুজ উদ্ভিদের ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়।
আলোকনির্ভর পর্যায়ে ক্লোরোফিল আলো শোষণ করে; পানির ফটোলাইসিসে O₂, H⁺ ও ইলেকট্রন এবং ফটোফসফোরাইলেশনে ATP ও NADPH তৈরি হয়।
আলোক-নিরপেক্ষ পর্যায়ে ক্যালভিন চক্রে CO₂ স্থিতিকরণ ও বিজারণে এই ATP ও NADPH ব্যবহৃত হয়ে শর্করা গঠিত হয়, যা শেষে গ্লুকোজ X-এ রূপ নেয়।
উদ্দীপকের (i) সালোকসংশ্লেষণ ও (ii) সবাত শ্বসন জীবের খাদ্য, গ্যাস ও শক্তির চক্রে পরস্পরনির্ভর।
সালোকসংশ্লেষণে CO₂ ও পানি থেকে X বা গ্লুকোজ এবং O₂ তৈরি হয়; এতে সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তি হিসেবে খাদ্যে সঞ্চিত হয়।
শ্বসনে সেই গ্লুকোজ ও O₂ ব্যবহৃত হয়ে ATP, CO₂ ও পানি তৈরি হয়; ATP জীবের কাজ চালায় এবং উৎপন্ন CO₂ ও পানি আবার সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
একটি প্রক্রিয়ার উৎপাদ অন্যটির কাঁচামাল হওয়ায় O₂–CO₂ ভারসাম্য, কার্বনচক্র ও শক্তিপ্রবাহ বজায় থাকে; তাই জীবের অস্তিত্বে উভয় প্রক্রিয়া অবিচ্ছেদ্য।
ব্যাকটেরিয়া বিয়োজক হিসেবে মৃত জীব ও বর্জ্যের জটিল জৈব পদার্থ ভেঙে সরল অজৈব পুষ্টি পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়।
এতে মৃতদেহ জমে না, উৎপাদক পুষ্টি পুনরায় গ্রহণ করতে পারে এবং কার্বন ও নাইট্রোজেনসহ পদার্থচক্র ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় থাকে।
উদ্দীপকের সুন্দরবন বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদককে প্রশস্ত ভিত্তিতে এবং ক্রমোচ্চ খাদকদের সরু স্তরে রেখে শক্তি পিরামিড গঠিত হয়; সংযুক্ত নকশায় তা দেখানো হয়েছে।
ভিত্তিতে ঘাস-লতাপাতা ও বড় উদ্ভিদ, তার ওপর পোকামাকড় ও ঘাসফড়িং, এরপর ব্যাঙ ও পাখি, তারপর সাপ-বক এবং শীর্ষে বাজপাখি বা বাঘ থাকে।
প্রতিটি খাদ্যস্তরে শ্বসন ও জীবনক্রিয়ায় শক্তির বড় অংশ তাপ হিসেবে হারায়, তাই ওপরের স্তরে সঞ্চিত শক্তি ক্রমে কমে এবং শক্তি পিরামিড সর্বদা খাড়া হয়।
উদ্দীপকের একটি দীর্ঘতম খাদ্যশৃঙ্খল হলো ঘাস → ঘাসফড়িং → ব্যাঙ → সাপ → বাজপাখি; এর সঙ্গে বিয়োজক অণুজীব যুক্ত হয়ে পুষ্টিচক্র সম্পূর্ণ করে।
ঘাস মাটি থেকে অজৈব পুষ্টি গ্রহণ করে জৈব খাদ্য তৈরি করে; খাদ্যের মাধ্যমে তা পর্যায়ক্রমে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও সর্বোচ্চ স্তরের খাদকে স্থানান্তরিত হয়।
প্রতিটি জীবের বর্জ্য ও মৃত্যুর পর ব্যাকটেরিয়া-ছত্রাক দেহের জটিল জৈব পদার্থ ভেঙে খনিজ লবণ, CO₂ ও অন্যান্য অজৈব পদার্থ পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়।
উদ্ভিদ পুনরায় এসব অজৈব পুষ্টি গ্রহণ করে খাদ্য তৈরি করায় পুষ্টি চক্রাকারে প্রবাহিত হয়; বিপরীতে শক্তি একমুখীভাবে প্রবাহিত হয়ে প্রতিটি স্তরে ক্ষয় হয়।
দৃশ্যকল্প-২ : আতিক মিয়া তার জমিতে পাট চাষ করলে এতে তিনভাগ পাটগাছ লম্বা ও একভাগ পাটগাছ খাটো হয়।
থ্যালাসেমিয়া α-গ্লোবিন বা β-গ্লোবিন প্রোটিন তৈরির ত্রুটিপূর্ণ জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত অটোসোমাল প্রচ্ছন্ন রোগ।
ত্রুটিপূর্ণ জিন বাবা-মা থেকে সন্তানে সঞ্চারিত হয়ে অস্বাভাবিক লোহিত রক্তকোষ ও রক্তশূন্যতা সৃষ্টি করে বলে একে বংশগত রোগ বলা হয়।
সুমির সন্তানদের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার জন্য দায়ী বংশগত উপাদান DNA; সংযুক্ত চিত্রে এর দ্বিসূত্রক গঠন দেখানো হয়েছে।
DNA দুটি বিপরীতমুখী পলিনিউক্লিওটাইড সূত্র নিয়ে ডানদিকে পাকানো দ্বি-হেলিক্স; প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা, ফসফেট ও A, T, G বা C ক্ষারক থাকে।
দুই সূত্রের শর্করা-ফসফেট কাঠামো বাইরে এবং ক্ষারক ভেতরে থাকে; A–T দুটি ও G–C তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনে পরিপূরক জোড় গঠন করে, আর ক্ষারকের ক্রমেই বংশগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
দৃশ্যকল্প-২-এ পাটগাছের লম্বা ও খাটো বৈশিষ্ট্যের 3:1 অনুপাত মেন্ডেলের পৃথকীকরণ সূত্র অনুসরণকারী একসংকর জননের ফল।
লম্বা বৈশিষ্ট্যের প্রকট অ্যালিল T এবং খাটো বৈশিষ্ট্যের প্রচ্ছন্ন অ্যালিল t ধরলে বিশুদ্ধ লম্বা ও বিশুদ্ধ খাটো পিতামাতার সংকরায়ণে F₁-এর সব গাছ Tt লম্বা হয়।
P: TT × tt
=> F₁: সব Tt (লম্বা)
=> F₁ স্বপরাগায়ন: Tt × Tt
=> F₂: TT, Tt, Tt, tt
গ্যামেট গঠনের সময় T ও t আলাদা হওয়ায় F₂-তে জিনোটাইপ 1 TT : 2 Tt : 1 tt এবং ফিনোটাইপ 3 লম্বা : 1 খাটো হয়; উদ্দীপকের ফল তাই মেন্ডেলের সূত্রকে সমর্থন করে।
সরিষা পতঙ্গপরাগী উদ্ভিদ; এর ফুল রঙিন, সুগন্ধযুক্ত ও মধুসম্পন্ন হওয়ায় পতঙ্গ আকৃষ্ট হয়ে সরাসরি পরাগরেণু বহন করে।
পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঠালো হওয়ায় পরাগ সহজে উড়ে বা ঝরে না গিয়ে গর্ভমুণ্ডে আটকে যায়, তাই পরাগরেণুর অপচয় কম হয়।
চিত্র X হলো স্ত্রী গ্যামেটোফাইট বা ভ্রূণথলি; এটি ডিম্বকের মেগাস্পোর মাতৃকোষ থেকে গঠিত হয়।
ডিপ্লয়েড মেগাস্পোর মাতৃকোষ মিয়োসিসে চারটি হ্যাপ্লয়েড মেগাস্পোর তৈরি করে; তিনটি নষ্ট হয় এবং কার্যকর মেগাস্পোরটি পরপর তিনবার মাইটোসিসে আটটি নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে।
দুই মেরু থেকে একটি করে নিউক্লিয়াস কেন্দ্রে এসে গৌণ নিউক্লিয়াস গঠন করে; মাইক্রোপাইল প্রান্তে ডিম্বাণু ও দুই সহকারী কোষ এবং চালাজা প্রান্তে তিন প্রতিপাদ কোষসহ সাতকোষী আটনিউক্লিয়াসী ভ্রূণথলি তৈরি হয়।
চিত্র X-এর A অংশের ডিম্বাণু ও গৌণ নিউক্লিয়াস এবং চিত্র Y-এর B অংশের দুই পুং গ্যামেট দ্বি-নিষেকের মাধ্যমে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
পরাগনালি ভ্রূণথলিতে পৌঁছালে একটি পুং গ্যামেট ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টি করে; জাইগোট বিভাজিত ও বিকশিত হয়ে ভ্রূণ গঠন করে।
অন্য পুং গ্যামেট গৌণ নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়ে ট্রিপ্লয়েড সস্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে; তা থেকে সস্য বা endosperm গঠিত হয়ে ভ্রূণকে পুষ্টি দেয়।
নিষেকের পর ডিম্বক বীজ ও ডিম্বাশয় ফলে পরিণত হয়; অনুকূল পরিবেশে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদ তৈরি করে, তাই A ও B-এর উভয় মিলন অপরিহার্য।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।