ফড়িংয়ের কোষে প্লাস্টিড বা ক্লোরোফিল নেই বলে এটি সালোকসংশ্লেষণে নিজের খাদ্য তৈরি করতে পারে না।
এটি উদ্ভিদ বা অন্য জীবের তৈরি জৈব খাদ্য গলাধঃকরণ করে পুষ্টি নেয়, তাই ফড়িংকে হেটারোট্রোফিক বা পরভোজী বলা হয়।
খেলার মাঠের মানুষকে নেস্টেড হায়ারার্কিতে বৃহৎ দল থেকে ক্রমে ক্ষুদ্র ও অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ দলে সাজিয়ে Homo sapiens প্রজাতিতে স্থাপন করা হয়।
মানুষ Animalia রাজ্যের বহুকোষী পরভোজী, Chordata পর্বের নটোকর্ডধারী, Vertebrata উপপর্বের মেরুদণ্ডী এবং Mammalia শ্রেণির স্তন্যপায়ী।
এরপর মানুষের বর্গ Primates, পরিবার Hominidae, গণ Homo ও প্রজাতি Homo sapiens; প্রতিটি নিম্ন ধাপ আগের বৃহত্তর দলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটি নেস্টেড হায়ারার্কি।
মনির দেখা আমগাছ ও কাঠের গুঁড়ির ছাতার মতো মাশরুম একই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়; আমগাছ Plantae এবং মাশরুম Fungi রাজ্যের জীব।
আমগাছ বহুকোষী সালোকসংশ্লেষণকারী উদ্ভিদ; সেলুলোজ প্রাচীর, ক্লোরোপ্লাস্ট, উন্নত টিস্যুতন্ত্র ও ভ্রূণীয় বিকাশ থাকে।
মাশরুম ক্লোরোপ্লাস্টবিহীন পরভোজী; কাইটিন প্রাচীরযুক্ত হাইফার মাইসেলিয়াম দিয়ে দেহ গঠিত এবং মৃত কাঠ থেকে শোষণ পদ্ধতিতে খাদ্য নেয়।
পুষ্টি, কোষপ্রাচীর, দেহগঠন ও প্রজননের মৌলিক পার্থক্যে তারা পৃথক Plantae ও Fungi রাজ্যের সদস্য—তাই একই রাজ্যের নয়।
শ্রেণিবিন্যাস জীবজগতের বিপুল বৈচিত্র্যকে সুশৃঙ্খল দলে সাজিয়ে জীব শনাক্তকরণ ও অধ্যয়ন সহজ করে।
এটি জীবের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য, পারস্পরিক সম্পর্ক ও বিবর্তনীয় ধারা বুঝতে এবং বিশ্বব্যাপী একই জীবকে নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।
উদ্দীপকের প্রথম অঙ্গাণুটি নিউক্লিয়াস, যা কোষের যাবতীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে; সংযুক্ত চিত্রে এর প্রধান অংশগুলো দেখানো হয়েছে।
এটি দ্বিস্তরী নিউক্লিয়ার মেমব্রেনে আবৃত; মেমব্রেনে নিউক্লিয়ার রন্ধ্র থাকে এবং ভেতরের অর্ধতরল নিউক্লিওপ্লাজমে এক বা একাধিক ঘন নিউক্লিওলাস অবস্থান করে।
নিউক্লিওপ্লাজমে DNA ও প্রোটিনের সূক্ষ্ম ক্রোমাটিন জালিকা থাকে, যা বিভাজনের সময় ঘনীভূত হয়ে ক্রোমোজোম গঠন করে।
উদ্দীপকের দ্বিতীয় অঙ্গাণুটি প্লাস্টিড, বিশেষত ক্লোরোপ্লাস্ট; এর সালোকসংশ্লেষণের উপর প্রাণিকুল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল।
ক্লোরোপ্লাস্টের ক্লোরোফিল সূর্যালোক শোষণ করে CO₂ ও পানি থেকে শর্করা তৈরি এবং O₂ নির্গত করে; এতে সৌরশক্তি খাদ্যের রাসায়নিক শক্তিতে সঞ্চিত হয়।
তৃণভোজী প্রাণী উদ্ভিদ খায় এবং মাংসাশীরা তৃণভোজীকে খায়, ফলে প্রায় সব খাদ্যশৃঙ্খলের খাদ্য ও শক্তি শেষ পর্যন্ত সবুজ উদ্ভিদ থেকেই আসে; প্রাণীর সবাত শ্বসনের O₂-ও এই প্রক্রিয়া দেয়।
খাদ্য, শক্তি, অক্সিজেন ও O₂–CO₂ ভারসাম্য সরবরাহের কারণে ক্লোরোপ্লাস্টের কার্যাবলি ছাড়া অধিকাংশ প্রাণীর জীবনধারণ সম্ভব নয়—উক্তিটি তাই যথার্থ।
কোষচক্র নিয়ন্ত্রণকারী জিনে ত্রুটি ঘটলে কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।
এই অস্বাভাবিক কোষসমষ্টি টিউমার তৈরি করে; ম্যালিগন্যান্ট কোষ আশপাশের টিস্যু আক্রমণ করে রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে।
উদ্দীপকের প্রথম সমীকরণিক বিভাজনটি মাইটোসিস এবং এর তৃতীয় পর্যায় মেটাফেজ; সংযুক্ত চিত্রে ধাপটি দেখানো হয়েছে।
এ পর্যায়ে ক্রোমোজোমগুলো সর্বাধিক খাটো ও মোটা হয় এবং বিষুবীয় তলে এক সারিতে সেন্ট্রোমিয়ার রেখে মেটাফেজ প্লেট গঠন করে।
দুই মেরু থেকে আসা আকর্ষণ তন্তু প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ারে যুক্ত থাকে; ক্রোমোজোমের বাহু মেরুর দিকে এবং সেন্ট্রোমিয়ার বিষুবীয় তলে অবস্থান করে।
রহিম সাহেবের পর্যবেক্ষিত দ্বিতীয় বিভাজনটি মিয়োসিস, যা যৌন প্রজনন, ক্রোমোজোম সংখ্যার স্থিতি ও জিনগত বৈচিত্র্যে অপরিহার্য।
একটি ডিপ্লয়েড জনন মাতৃকোষ পরপর দুইবার বিভাজিত হয়ে চারটি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি করে; ফলে গ্যামেটে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়।
নিষেকে দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট মিললে ডিপ্লয়েড সংখ্যা পুনঃস্থাপিত হয় এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে।
প্রোফেজ-I-এ ক্রসিং ওভার ও স্বাধীন বিন্যাসে নতুন জিনসমাবেশ সৃষ্টি হয়ে বৈচিত্র্য, অভিযোজন ও বিবর্তনের উপাদান জোগায়; তাই জীবজগতে মিয়োসিসের তাৎপর্য গভীর।
অবাত শ্বসনে প্রতি অণু গ্লুকোজ থেকে নিট 2 অণু ATP উৎপন্ন হয়।
1 অণু গ্লুকোজ → গ্লাইকোলাইসিসে 4 ATP উৎপন্ন
=> প্রাথমিক ধাপে 2 ATP ব্যবহৃত
=> নিট ATP = 4 − 2 = 2
আবিরের খামারের কলমি, মুথা ঘাস ও লাউয়ের উৎপাদনে আলো সালোকসংশ্লেষণের শক্তির উৎস।
ক্লোরোফিল আলোর ফোটন শোষণ করে উত্তেজিত ইলেকট্রন ছাড়ে; পানির ফটোলাইসিস, ইলেকট্রন প্রবাহ ও ফটোফসফোরাইলেশনে O₂, ATP ও NADPH তৈরি হয়।
ATP ও NADPH দিয়ে আলোক-নিরপেক্ষ পর্যায়ে CO₂ বিজারিত হয়ে শর্করা হয়; এই খাদ্য বৃদ্ধি, ফুল-ফল ও ফলনের জৈব পদার্থ সরবরাহ করে।
আবিরের উদ্ভিদগুলোর মধ্যে C₄ উদ্ভিদ মুথা ঘাসের জৈব উৎপাদন তুলনামূলক বেশি হবে; কলমি ও লাউ C₃ উদ্ভিদ।
C₄ উদ্ভিদের মেসোফিল কোষে PEP কার্বক্সিলেজ CO₂ গ্রহণ করে চার-কার্বনবিশিষ্ট অক্সালোঅ্যাসিটিক এসিড তৈরি করে এবং বান্ডল শিথে ক্যালভিন চক্র চালায়।
এই CO₂-কেন্দ্রীকরণ ব্যবস্থায় উচ্চ তাপমাত্রা ও তীব্র আলোতে ফটোরেসপিরেশন খুব কম হয়, তাই পানি ব্যবহারের দক্ষতা ও নিট সালোকসংশ্লেষণের হার বেশি থাকে।
খোলা উঁচু বা জমির তীব্র আলো-তাপের পরিবেশে C₄ মুথা ঘাস দ্রুত বেশি শুষ্ক পদার্থ তৈরি করতে পারে; তাই একই অনুকূলতায় এর উৎপাদন বেশি হওয়ার সম্ভাবনা।
দৃশ্যকল্প-১: কলিম মিয়া তার জমিতে ধান চাষ করলে এতে তিন ভাগ ধানগাছ লম্বা ও একভাগ ধানগাছ খাটো হয়।
দৃশ্যকল্প-২:
| আরাফ | রিমা |
|---|---|
| কালো চুল | সোনালি চুল |
| কালো চোখ | বাদামি চোখ |
DNA-তে অ্যাডেনিন থাইমিনের সঙ্গে দুটি এবং গুয়ানিন সাইটোসিনের সঙ্গে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনে যুক্ত থাকে।
এই A–T ও G–C পরিপূরক ক্ষারকজোড় দুই বিপরীতমুখী পলিনিউক্লিওটাইড সূত্রকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ধরে দ্বি-হেলিক্স স্থিতিশীল রাখে।
আরাফ ও রিমার বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার জন্য দায়ী বংশগত উপাদান DNA; সংযুক্ত চিত্রে এর দ্বিসূত্রক গঠন দেখানো হয়েছে।
DNA দুটি বিপরীতমুখী পলিনিউক্লিওটাইড সূত্র নিয়ে ডানদিকে পাকানো দ্বি-হেলিক্স; প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে ডিঅক্সিরাইবোজ শর্করা, ফসফেট ও A, T, G বা C ক্ষারক থাকে।
দুই সূত্রের শর্করা-ফসফেট কাঠামো বাইরে এবং ক্ষারক ভেতরে থাকে; A–T দুটি ও G–C তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনে পরিপূরক জোড় গঠন করে, আর ক্ষারকের ক্রমেই বংশগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
দৃশ্যকল্প-১-এ ধানগাছের লম্বা ও খাটো বৈশিষ্ট্যের 3:1 অনুপাত মেন্ডেলের পৃথকীকরণ সূত্র অনুসরণকারী একসংকর জননের ফল।
লম্বা বৈশিষ্ট্যের প্রকট অ্যালিল T এবং খাটো বৈশিষ্ট্যের প্রচ্ছন্ন অ্যালিল t ধরলে বিশুদ্ধ লম্বা ও বিশুদ্ধ খাটো পিতামাতার সংকরায়ণে F₁-এর সব গাছ Tt লম্বা হয়।
P: TT × tt
=> F₁: সব Tt (লম্বা)
=> F₁ স্বপরাগায়ন: Tt × Tt
=> F₂: TT, Tt, Tt, tt
গ্যামেট গঠনের সময় T ও t আলাদা হওয়ায় F₂-তে জিনোটাইপ 1 TT : 2 Tt : 1 tt এবং ফিনোটাইপ 3 লম্বা : 1 খাটো হয়; উদ্দীপকের ফল তাই মেন্ডেলের সূত্রকে সমর্থন করে।
জবা ফুলে একই ফুলের মধ্যে পুংকেশর ও গর্ভকেশর উভয় প্রজনন অঙ্গ উপস্থিত থাকে।
একই ফুলে পুং ও স্ত্রী জননাঙ্গ পাশাপাশি অবস্থান করায় জবাকে উভলিঙ্গ বা সহবাসী ফুলবিশিষ্ট উদ্ভিদ বলা হয়।
চিত্র X হলো স্ত্রী গ্যামেটোফাইট বা ভ্রূণথলি; এটি ডিম্বকের মেগাস্পোর মাতৃকোষ থেকে গঠিত হয়।
ডিপ্লয়েড মেগাস্পোর মাতৃকোষ মিয়োসিসে চারটি হ্যাপ্লয়েড মেগাস্পোর তৈরি করে; তিনটি নষ্ট হয় এবং কার্যকর মেগাস্পোরটি পরপর তিনবার মাইটোসিসে আটটি নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে।
দুই মেরু থেকে একটি করে নিউক্লিয়াস কেন্দ্রে এসে গৌণ নিউক্লিয়াস গঠন করে; মাইক্রোপাইল প্রান্তে ডিম্বাণু ও দুই সহকারী কোষ এবং চালাজা প্রান্তে তিন প্রতিপাদ কোষসহ সাতকোষী আটনিউক্লিয়াসী ভ্রূণথলি তৈরি হয়।
চিত্র X-এর A অংশের ডিম্বাণু ও গৌণ নিউক্লিয়াস এবং চিত্র Y-এর B অংশের দুই পুং গ্যামেট দ্বি-নিষেকের মাধ্যমে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
পরাগনালি ভ্রূণথলিতে পৌঁছালে একটি পুং গ্যামেট ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টি করে; জাইগোট বিভাজিত ও বিকশিত হয়ে ভ্রূণ গঠন করে।
অন্য পুং গ্যামেট গৌণ নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়ে ট্রিপ্লয়েড সস্য নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে; তা থেকে সস্য বা endosperm গঠিত হয়ে ভ্রূণকে পুষ্টি দেয়।
নিষেকের পর ডিম্বক বীজ ও ডিম্বাশয় ফলে পরিণত হয়; অনুকূল পরিবেশে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদ তৈরি করে, তাই A ও B-এর উভয় মিলন অপরিহার্য।
সূর্যালোক, পানি, বায়ু, মাটি, তাপমাত্রা ও খনিজ লবণের মতো জড় উপাদান বাস্তুতন্ত্রের জীবের বসবাস ও জীবনক্রিয়ার পরিবেশ তৈরি করে।
উৎপাদক এসব উপাদান ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে; তাদের পরিমাণ ও অবস্থা জীবের বিস্তার, বৃদ্ধি, প্রজনন এবং খাদ্যশৃঙ্খল ও শক্তিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
উদ্দীপকের সুন্দরবন বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদককে প্রশস্ত ভিত্তিতে এবং ক্রমোচ্চ খাদকদের সরু স্তরে রেখে শক্তি পিরামিড গঠিত হয়; সংযুক্ত নকশায় তা দেখানো হয়েছে।
ভিত্তিতে ঘাস-লতাপাতা ও বড় উদ্ভিদ, তার ওপর পোকামাকড় ও ঘাসফড়িং, এরপর ব্যাঙ ও পাখি, তারপর সাপ-বক এবং শীর্ষে বাজপাখি বা বাঘ থাকে।
প্রতিটি খাদ্যস্তরে শ্বসন ও জীবনক্রিয়ায় শক্তির বড় অংশ তাপ হিসেবে হারায়, তাই ওপরের স্তরে সঞ্চিত শক্তি ক্রমে কমে এবং শক্তি পিরামিড সর্বদা খাড়া হয়।
উদ্দীপকের একটি দীর্ঘতম খাদ্যশৃঙ্খল হলো ঘাস → ঘাসফড়িং → ব্যাঙ → সাপ → বাজপাখি; এর সঙ্গে বিয়োজক অণুজীব যুক্ত হয়ে পুষ্টিচক্র সম্পূর্ণ করে।
ঘাস মাটি থেকে অজৈব পুষ্টি গ্রহণ করে জৈব খাদ্য তৈরি করে; খাদ্যের মাধ্যমে তা পর্যায়ক্রমে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও সর্বোচ্চ স্তরের খাদকে স্থানান্তরিত হয়।
প্রতিটি জীবের বর্জ্য ও মৃত্যুর পর ব্যাকটেরিয়া-ছত্রাক দেহের জটিল জৈব পদার্থ ভেঙে খনিজ লবণ, CO₂ ও অন্যান্য অজৈব পদার্থ পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়।
উদ্ভিদ পুনরায় এসব অজৈব পুষ্টি গ্রহণ করে খাদ্য তৈরি করায় পুষ্টি চক্রাকারে প্রবাহিত হয়; বিপরীতে শক্তি একমুখীভাবে প্রবাহিত হয়ে প্রতিটি স্তরে ক্ষয় হয়।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।