রাইবোজোমে mRNA-এর সংকেত অনুযায়ী অ্যামাইনো এসিড পরপর যুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড বা প্রোটিন তৈরি হয়।
রাইবোজোমের বড় ও ছোট উপএকক অনুবাদ প্রক্রিয়ায় mRNA ও tRNA-কে সমন্বিত করে; তাই একে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়।
উদ্দীপকে সেন্ট্রোমিয়ার সম্পূর্ণ দ্বিধাবিভক্ত হওয়ার ধাপটি মাইটোসিসের অ্যানাফেজ; সংযুক্ত চিত্রে অপত্য ক্রোমোজোমের মেরুমুখী চলন দেখানো হয়েছে।
সেন্ট্রোমিয়ার ভাগ হলে দুই ক্রোমাটিড পৃথক অপত্য ক্রোমোজোমে পরিণত হয় এবং আকর্ষণ তন্তুর সংকোচনে বিপরীত মেরুর দিকে সরে।
সেন্ট্রোমিয়ার অগ্রগামী ও বাহু অনুগামী থাকায় ক্রোমোজোম V, L, J বা I আকৃতি নেয়; শেষে সমসংখ্যক ক্রোমোজোম দুই মেরুতে পৌঁছে।
উদ্দীপকের মাইটোসিস সঠিকভাবে না ঘটলে ক্রোমোজোমের অসম বণ্টন, অস্বাভাবিক কোষ, বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া বা ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে।
স্পিন্ডল বা সেন্ট্রোমিয়ারের ত্রুটিতে কোনো অপত্যকোষ অতিরিক্ত এবং অন্যটি কম ক্রোমোজোম পেতে পারে; এতে জিনের ভারসাম্য ও কোষের স্বাভাবিক কাজ নষ্ট হয়।
কোষচক্রের নিয়ন্ত্রণ ভেঙে গেলে কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়ে টিউমার তৈরি এবং ম্যালিগন্যান্ট হলে অন্য টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে।
আবার বিভাজন কম বা বন্ধ হলে বৃদ্ধি, ক্ষতপূরণ ও পুরোনো কোষ প্রতিস্থাপন ব্যাহত হয়; তাই নির্ভুল মাইটোসিস দেহের গঠন ও স্বাস্থ্য রক্ষায় অপরিহার্য।
চিত্র R-তে সরিষার উভলিঙ্গ ফুল এবং চিত্র S-তে পেঁপের (i) পুং ফুল ও (ii) স্ত্রী ফুল দেখানো হয়েছে।
[R ও S প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
দ্বিনিষেকে একটি পুংগ্যামেট দুই মেরু নিউক্লিয়াসযুক্ত সেকেন্ডারি নিউক্লিয়াসের সঙ্গে মিলিত হয়ে 3n প্রাথমিক সস্যকেন্দ্র গঠন করে।
এই কেন্দ্র বারবার বিভাজিত ও পুষ্টি সঞ্চয় করে সস্য বা এন্ডোস্পার্মে পরিণত হয়, যা ভ্রূণের খাদ্য সরবরাহ করে।
উদ্দীপকের S(i) পেঁপের পুং ফুল; এর পরাগধানীতে মাইক্রোস্পোর থেকে পুং গ্যামেটোফাইট বা পরাগরেণু সৃষ্টি হয়।
2n পরাগমাতৃকোষ মিয়োসিসে চারটি n মাইক্রোস্পোর তৈরি করে; প্রতিটি মাইক্রোস্পোর পৃথক হয়ে বহিঃত্বক ও অন্তঃত্বকযুক্ত পরাগরেণু হয়।
মাইক্রোস্পোর নিউক্লিয়াস মাইটোসিসে বৃহৎ নালিকা নিউক্লিয়াস ও ক্ষুদ্র জেনারেটিভ নিউক্লিয়াস সৃষ্টি করে; জেনারেটিভ নিউক্লিয়াস পরে দুই পুংগ্যামেট তৈরি করে পূর্ণ পুং গ্যামেটোফাইট গঠন করে।
উদ্দীপকের R সরিষার উভলিঙ্গ ফুলে স্বপরাগায়ন সম্ভব, আর S পেঁপের পৃথক পুং-স্ত্রী ফুলে পরপরাগায়ন ঘটে; প্রকৃতির দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজনে S-এর পরপরাগায়ন অধিক তাৎপর্যপূর্ণ।
স্বপরাগায়নে পরাগ অপচয় কম ও বিশুদ্ধ বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে, কিন্তু একই উদ্ভিদের জিন মিলিত হওয়ায় বৈচিত্র্য কম এবং ক্ষতিকর প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্য জমতে পারে।
পরপরাগায়নে ভিন্ন উদ্ভিদের গ্যামেট মিলিত হয়ে নতুন জিনসমন্বয়, সবল অপত্য ও রোগ-পরিবেশ সহনশীলতার বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে।
বাহকনির্ভরতা ও পরাগ অপচয় থাকলেও প্রাকৃতিক নির্বাচন ও পরিবর্তিত পরিবেশে প্রজাতির টিকে থাকার উপাদান বাড়ায়; তাই S-এর পরাগায়ন বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।
মাইটোকন্ড্রিয়ায় ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রের মাধ্যমে খাদ্য জারিত হয়ে অধিকাংশ ATP তৈরি হয়।
ATP কোষের ব্যবহারোপযোগী শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বা পাওয়ার হাউস বলা হয়।
উদ্দীপকের M হলো রক্ত; এটি প্লাজমা নামের তরল আন্তঃকোষীয় পদার্থ ও রক্তকণিকা নিয়ে গঠিত বিশেষ তরল যোজক টিস্যু।
প্লাজমায় পানি, প্রোটিন, লবণ, পুষ্টি, হরমোন, গ্যাস ও বর্জ্য দ্রবীভূত থাকে; কোষীয় অংশ হলো লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও অণুচক্রিকা।
RBC হিমোগ্লোবিনে গ্যাস বহন, WBC প্রতিরক্ষা এবং প্লেটলেট রক্তজমাটে কাজ করে; তরল ম্যাট্রিক্স দেহজুড়ে পদার্থ পরিবহন সম্ভব করে।
উদ্দীপকের M রক্ত ও N অস্থি উভয়ই যোজক টিস্যু, কিন্তু রক্ত পরিবহন-প্রতিরক্ষা এবং অস্থি সমর্থন-সুরক্ষা ও রক্তকোষ সৃষ্টিতে কাজ করে।
রক্তের তরল প্লাজমা O₂, CO₂, খাদ্য, হরমোন ও বর্জ্য বহন করে; WBC রোগ প্রতিরোধ এবং প্লেটলেট রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।
অস্থির কঠিন ক্যালসিয়াম-ফসফেটযুক্ত ম্যাট্রিক্স দেহকে আকৃতি, ভারবহন ও অঙ্গরক্ষা দেয়; পেশির সংযুক্তি ও খনিজ সঞ্চয়েও ভূমিকা রাখে।
অস্থিমজ্জা RBC, WBC ও প্লেটলেট তৈরি করে M-এর উপাদান সরবরাহ করলেও N নিজে পরিবহন করে না; তাই একই যোজক টিস্যু গোষ্ঠীতে থেকেও কাজ ভিন্ন।
DNA টেস্ট ব্যক্তির স্বতন্ত্র জিনগত পরিচয় নির্ণয়, পিতৃত্ব-মাতৃত্ব নিশ্চিত এবং অপরাধী বা অজ্ঞাত মৃতদেহ শনাক্ত করতে প্রয়োজন।
এটি বংশগত রোগের বাহক ও ঝুঁকি শনাক্ত, চিকিৎসা পরিকল্পনা এবং জিনগত পরামর্শ দিতেও সহায়তা করে।
জসিমের রোগটি থ্যালাসেমিয়া; হিমোগ্লোবিনের গ্লোবিন শৃঙ্খল তৈরির জিনে অটোসোমাল প্রচ্ছন্ন মিউটেশন এর কারণ।
ত্রুটিপূর্ণ জিনের জন্য স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন কম তৈরি এবং লোহিত রক্তকণিকা দ্রুত ভেঙে যায়; তাই শৈশব থেকেই তীব্র রক্তশূন্যতা ও নিয়মিত রক্তসঞ্চালন প্রয়োজন হয়।
বারবার রক্ত দেওয়ায় দেহে অতিরিক্ত আয়রন জমে হৃদপিণ্ড-যকৃত ক্ষতি করতে পারে; তাই আয়রনযুক্ত খাদ্য নিষেধ ও আয়রন অপসারণকারী চিকিৎসা দরকার হয়।
উদ্দীপকের থ্যালাসেমিয়া কালার ব্লাইন্ডনেসের চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এটি রক্ত ও একাধিক অঙ্গের জীবনহানিকর জটিলতা তৈরি করে।
কালার ব্লাইন্ডনেস X-সংযুক্ত দৃষ্টিত্রুটি; রং শনাক্তে অসুবিধা ও কিছু পেশাগত সীমাবদ্ধতা থাকলেও সাধারণত আয়ু বা সামগ্রিক শারীরিক স্বাস্থ্য গুরুতরভাবে কমায় না।
গুরুতর থ্যালাসেমিয়ায় তীব্র অ্যানিমিয়া, বৃদ্ধি ব্যাহত, অস্থিবিকৃতি, প্লীহা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত রক্তসঞ্চালন লাগে; আয়রন অতিভারে হৃদপিণ্ড, যকৃত ও অন্তঃক্ষরা অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নিরবচ্ছিন্ন ব্যয়বহুল চিকিৎসা ও চিকিৎসা না পেলে মৃত্যুঝুঁকির কারণে জসিমের থ্যালাসেমিয়া তার বন্ধুর কালার ব্লাইন্ডনেসের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
উৎপাদক সূর্যের শক্তি গ্রহণ করে জৈব খাদ্যে সঞ্চিত করে এবং বাস্তুতন্ত্রের সব ভোক্তার শক্তির মূল উৎস হয়।
পরবর্তী প্রতিটি ট্রফিক স্তরে প্রায় 90% শক্তি হারিয়ে মাত্র প্রায় 10% সঞ্চারিত হয়; তাই সর্বাধিক শক্তিসম্পন্ন উৎপাদককে শক্তি পিরামিডের ভূমিতে রাখা হয়।
উদ্দীপকের জলজ বাস্তুতন্ত্রে সূর্য → ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন/জলজ সবুজ উদ্ভিদ → জুপ্ল্যাঙ্কটন → ছোট মাছ → বড় মাছ—এই খাদ্যশৃঙ্খল গঠিত।
সংযুক্ত চিত্রে অজীব উপাদান হিসেবে সূর্যালোক, পানি ও খনিজ; উৎপাদক হিসেবে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন; ধারাবাহিক ভোক্তা এবং তলদেশে বিয়োজক দেখানো হয়েছে।
বিয়োজক মৃতদেহ ভেঙে খনিজ পানিতে ফেরায়, উৎপাদক তা পুনরায় গ্রহণ করে; শক্তি একমুখী হলেও পুষ্টি পুনঃচক্রায়িত হয়ে বাস্তুতন্ত্র সচল থাকে।
ছোট মাছ কমে গেলে জুপ্ল্যাঙ্কটনের ওপর শিকারচাপ কমে তাদের সংখ্যা বাড়বে এবং বড় মাছের খাদ্য কমে বড় মাছের সংখ্যা হ্রাস পাবে।
বর্ধিত জুপ্ল্যাঙ্কটন ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন বেশি খেয়ে উৎপাদক কমাবে; এতে O₂ উৎপাদন ও প্রাথমিক শক্তি সঞ্চয় হ্রাস পেতে পারে।
বড় মাছ খাদ্যের অভাবে প্রতিযোগিতা, বিকল্প শিকার গ্রহণ বা স্থানত্যাগ করবে; জেলে ও মাছভোজী অন্যান্য প্রাণীও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
অতএব মধ্যবর্তী ট্রফিক স্তরের ছোট মাছ কমা ওপর ও নিচ—দুই দিকেই ট্রফিক ক্যাসকেড সৃষ্টি করে জলজ বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যজাল ও শক্তিপ্রবাহ অস্থিতিশীল করবে।
(ii) $\mathrm{6CO_2 + 12H_2O \rightarrow A + 6H_2O + 6O_2}$
আখে CO₂ স্থিতিকরণের প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট অক্সালোঅ্যাসিটিক এসিড।
মেসোফিল ও বান্ডল শিথ কোষে হ্যাচ–স্ল্যাক ও ক্যালভিন চক্র সমন্বিতভাবে চলায় এবং প্রথম স্থায়ী পদার্থ C₄ হওয়ায় আখকে C₄ উদ্ভিদ বলা হয়।
উদ্দীপকের A হলো গ্লুকোজ; এটি সালোকসংশ্লেষণের প্রথম বা আলোকনির্ভর পর্যায়ে সরাসরি তৈরি না হলেও এ পর্যায়ের ATP ও NADPH পরবর্তী পর্যায়ে A তৈরির শক্তি দেয়।
থাইলাকয়েড ঝিল্লিতে ক্লোরোফিল আলোর ফোটন শোষণ করে উত্তেজিত ইলেকট্রন ছাড়ে; পানির ফটোলাইসিসে H⁺, ইলেকট্রন ও O₂ উৎপন্ন হয়।
ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রে ফটোফসফোরাইলেশনে ATP এবং NADP⁺ বিজারণে NADPH তৈরি হয়; এগুলো ক্যালভিন চক্রে CO₂ বিজারিত করে গ্লুকোজ A উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
উদ্দীপকের (i) সবাত শ্বসন ও (ii) সালোকসংশ্লেষণ জীবজগতের অস্তিত্বে পরস্পরনির্ভর শক্তি ও পদার্থচক্র চালায়।
সালোকসংশ্লেষণে সৌরশক্তি ব্যবহার করে CO₂ ও H₂O থেকে A বা গ্লুকোজ ও O₂ তৈরি হয়; এটি খাদ্যশৃঙ্খলের জৈব পদার্থ ও শ্বসনের উপাদান দেয়।
শ্বসনে গ্লুকোজ ও O₂ জারিত হয়ে ATP, CO₂ ও H₂O হয়; ATP জীবের সব কাজ চালায় এবং উৎপন্ন CO₂–H₂O আবার সালোকসংশ্লেষণে যায়।
একটি খাদ্য ও O₂ তৈরি করে, অন্যটি খাদ্যের শক্তি মুক্ত ও CO₂ ফিরিয়ে দেয়; তাই O₂–CO₂ ভারসাম্য, কার্বনচক্র ও অবিচ্ছিন্ন শক্তিপ্রবাহে উভয় বিক্রিয়া অপরিহার্য।
পাঁচ রাজ্য শ্রেণিবিন্যাসের ক্রম: Monera → 2 → 3 → 4 → Animalia
এখানে 2=Protista, 3=Fungi এবং 4=Plantae।
অ্যামিবা Protista রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি এককোষী হলেও সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণুযুক্ত ইউক্যারিওট।
ছদ্মপদে চলন ও খাদ্যগ্রহণ করে এবং একটি কোষেই সব জীবনক্রিয়া সম্পন্ন করে; তাই এটি Monera বা বহুকোষী Animalia নয়।
উদ্দীপকের 4 নম্বর রাজ্য Plantae; এ রাজ্যের প্রতিটি জীবকে লিনিয়াসের দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে গণ ও প্রজাতির দুটি নামে চিহ্নিত করা হবে।
নামের প্রথম পদ গণ এবং দ্বিতীয় পদ প্রজাতি; উভয়টি ল্যাটিন বা ল্যাটিনকৃত হবে, গণের প্রথম অক্ষর বড় এবং প্রজাতির সব অক্ষর ছোট হবে।
মুদ্রণে নাম দুটি italic, হাতে লিখলে পৃথকভাবে দাগাঙ্কিত হবে; যেমন ধানের নাম Oryza sativa, প্রয়োজনে শেষে নামদাতা বিজ্ঞানীর সংক্ষিপ্ত নাম যোগ করা যায়।
উদ্দীপকের 2 নম্বর Protista-এর তুলনায় 3 নম্বর Fungi সাধারণ দেহসংগঠন ও বহুকোষিতায় অধিক উন্নত।
Protista-এর অধিকাংশ জীব এককোষী ইউক্যারিওট; একটি কোষেই সব জীবনক্রিয়া চলে, যদিও কোনো কোনোটি কলোনি বা সরল বহুকোষী।
Fungi-এর অধিকাংশ জীব বহু হাইফা দিয়ে গঠিত মাইসেলিয়ামযুক্ত বহুকোষী; কাইটিন প্রাচীর, বিশেষায়িত প্রজনন গঠন ও শোষণমূলক পুষ্টি থাকে, যদিও ইস্ট এককোষী ব্যতিক্রম।
কোষের সমন্বয়, বহুকোষী দেহ ও প্রজনন কাঠামোর বিকাশে Fungi, সাধারণ Protista-এর চেয়ে উন্নত; তবে উভয়ই ইউক্যারিওটা।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।