যে পদ্ধতির মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে প্রকল্প নির্বাচন করা হয় তাকে মাইক্রোস্ক্রিনিং বলে। মাইক্রোস্ক্রিনিংয়ে উপাদানগুলো হলো: বাজার চাহিদা, কারিগরি, বাণিজ্যিক ও আর্থিক দিক এবং জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান ইত্যাদি। উক্ত উপাদানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো বাণিজ্যিক দিক। এর মাধ্যমে উৎপাদন খরচের উপাদান, বিক্রয়মূল্য, প্রত্যাশিত মুনাফা ইত্যাদি বিষয় খুব সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হয়।
যে বিবরণীতে নির্দিষ্ট সময়ে কী পরিমাণ নগদ অর্থ আসছে এবং কী পরিমাণ নগদ অর্থ ব্যয় হচ্ছে তা সংরক্ষণ করা হয় তাকে প্রাক্কলিত নগদান প্রবাহ বিবরণী বলে। সুষ্ঠুভাবে ব্যবসায় পরিচালনার জন্য ব্যবসায় উদ্যোক্তার নগদান প্রবাহ বিবরণী প্রাক্কলন করা প্রয়োজন। এই বিবরণী দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
উদ্দীপকে জনাব নয়নের প্রতিষ্ঠানে দৈনন্দিন প্রচুর লোকসান হয়। এজন্য জনাব নয়ন সাপ্তাহিক ও মাসিক অর্থের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে বাকি অর্থ ব্যাংকে রাখেন। ফলে নয়নের প্রতিষ্ঠানে তরল অর্থের কোনো সংকট দেখা দেয় না। এক্ষেত্রে জনাব নয়ন সাপ্তাহিক ও মাসিক তথ্য সংবলিত যে বিবরণী তৈরি করেন তা প্রাক্কলিত নগদান প্রবাহ বিবরণীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জনাব নয়ন প্রাক্কলিত নগদান প্রবাহ বিবরণী প্রস্তুত করেন।
ব্যবসায়ের সাফল্য অনেকাংশে নির্ভর করে সঠিক প্রকল্প নির্বাচনের ওপর। প্রকল্প একটি নির্দিষ্ট সময়ে শুরু হয়ে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরিসমাপ্ত হয়। একটি প্রকল্প হতে পারে সম্পূর্ণ নতুন বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত অথবা পুরাতন ব্যবসায়ের সম্প্রসারণ।
উদ্দীপকে জনাব শাওন একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান করতে চান। এ লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন অনিশ্চয়তা সম্পর্কে তথ্য নেন। নিজের সক্ষমতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং কর্মপত্র প্রস্তুত করেন।
ব্যবসায় প্রকল্প প্রণয়নের শেষ ধাপ হলো একটি সুন্দর প্রতিবেদন তৈরি করা। এক্ষেত্রে নির্বাচিত প্রকল্পটির সম্ভাবনা যাচাইয়ের তথ্যগুলোর ওপর ভিত্তি করেই প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়। উদ্দীপকের জনাব শাওনও তাই একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য বিভিন্ন অনিশ্চয়তা সম্পর্কে তথ্য নেন। উক্ত তথ্যগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি কর্মপত্র তৈরি করেন। এতে আশা করা যায়, তার প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।
প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে মানব সম্পদ, যন্ত্রপাতি ও উপকরণাদি একত্রিত করার প্রক্রিয়াকে সংগঠন বলে। ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রারম্ভিক কাজ হচ্ছে পরিকল্পনা প্রণয়ন। উক্ত পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করে সংগঠন। কেননা যখনই কোনো প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে যে, কে কী কাজ করবে, কে কাজের নির্দেশ দিবে, কে কাজ তত্ত্বাবধান করবে, কে কার কাছে কাজের জন্য জবাবদিহি করবে ইত্যাদি। আর এই কাজগুলো ঠিক করাকেই সংগঠন বা ব্যবস্থাপনা সংগঠন বলে।
একজন নেতাকে সবসময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হয়। তাকে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং কাজে হাত দিতে হয়। তাই তাকে হতে হয় সাহসী। সাথে সাথে তাকে সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ হতে হয়। কারণ সততা ও সাহসের জন্য সে অন্যের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা অর্জন করে।
উদ্দীপকে জনাব লিমন একজন সৎ, পরিশ্রমী ও অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী। তিনি ব্যবসায়ের যেকোনো কাজ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মীদের মতামত গ্রহণ করেন। ফলে তার ব্যবসায়ে দ্রুত উন্নীতি সাধিত হয়। লিমনের এসব গুণ একজন আদর্শ নেতার সাহস ও সততা গুণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের আলোকে লিমনের মধ্যে আদর্শ নেতার সাহস ও সততা গুণ পরিলক্ষিত হয়।
যে নেতৃত্বে নেতা প্রতিষ্ঠানের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে কর্মীদের সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তাকে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে। অন্যদিকে যে নেতৃত্বে নেতা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন এবং সকল সিদ্ধান্ত একা গ্রহণ করেন তাকে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব বলে।
উদ্দীপকে জনাব নাঈম তার ব্যবসায়ের কর্মীদের সঙ্গে কোনোরূপ মতামত বিনিময় করেন না। এমনকি তাদের প্রতি আস্থাও রাখেন না। তিনি তার সিদ্ধান্তকেই প্রাধান্য দেন।
উদ্দীপকে জনাব নাঈমের নেতৃত্বটি হচ্ছে স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব। এমন নেতৃত্বে নেতা কর্মীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক কাজ আদায় করে। এর ফলে কর্মীরা নেতার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে এবং প্রতিষ্ঠান তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়। এমতাবস্থায় তার উচিত প্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব প্রদান করা। এমন নেতৃত্বে কর্মীরা নেতার প্রতি সন্তুষ্ট থাকে। ফলে প্রতিষ্ঠান তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। তাই আমি মনে করি, গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব ব্যবসায়ের সাফল্য লাভের জন্য জনাব নাঈমের সহায়ক হবে।
পণ্যের ওজন, আকার, রং ও গুণাগুণ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পণ্যের সঠিক মানের সীমা নির্ধারণের কাজকেই প্রমিতকরণ বলে। বিপণন প্রক্রিয়ার সম্পাদিত কার্যাবলির মধ্যে পণ্যের মান নির্ধারণ যা প্রমিতকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। যেকোনো পণ্যদ্রব্যের ওজন, আকার, রং বা বর্ণ, স্থায়িত্ব, অবয়ব বা অন্যান্য বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য প্রমিতকরণের অন্তর্ভুক্ত।
পণ্যসামগ্রীকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করা এবং নষ্ট বা ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে কিছু দ্বারা আবৃত করাকে মোড়কিকরণ বলে। মোড়কিকরণ পণ্যকে নষ্ট হতে রক্ষা করে। এর মাধ্যমে পণ্যের আকর্ষণীয়তা বৃদ্ধি পায়। প্রতিষ্ঠানের শিল্পজাত পণ্য যেমন- ফ্রিজ, টেলিভিশন, সাবান আবার কৃষিজাত পণ্য যেমন- পাস্তুরিত দুধ, মাছ, মাংস ইত্যাদির বিক্রয় ও ক্রেতাদের নিকট গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে মোড়কিকরণের ওপর।
উদ্দীপকে জনাব সুমন তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত নিত্যপণ্য এক ধরনের মোটা কাগজ দ্বারা সুরক্ষিত রেখে বিক্রয় করেন। মোটা কাগজ দ্বারা সুরক্ষিত রেখে বিক্রয় কার্যক্রম বিপণনের মোড়কিকরণ কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে জনাব সুমনের কাজটিকে মোড়কিকরণ বলে।
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিক্রয় প্রসার ও সফলতা অর্জনে বিক্রয়কর্মীর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের সফলতা ও ব্যর্থতা একজন বিক্রয়কর্মীর দ্বারা প্রভাবিত হয়।
উদ্দীপকে জনাব সুমন তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত নিত্যপণ্য এক ধরনের মোটা কাগজ দ্বারা সুরক্ষিত রেখে বিক্রয় করেন। তার প্রতিষ্ঠানে রাফি নামে একজন বিক্রয়কর্মী আছেন। তিনি সকলের সাথে মিষ্টি ব্যবহার করেন। প্রতিষ্ঠানে কোনো বয়স্ক বা অসুস্থ লোক আসলে তাদের পণ্যদ্রব্য আগে দেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো যাতে ক্রেতাদের নজরে আসে সেগুলো সাজিয়ে রাখেন। এছাড়াও পণ্য সম্পর্কে ক্রেতাদের কোনো প্রশ্ন থাকলে সহজে উত্তর দেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ক্রেতা ও ভোক্তাদের আকৃষ্ট ও প্রভাবিত করে স্থায়ী গ্রাহকে পরিণত করতে হলে একজন বিক্রয়কর্মীকে অনেকগুলো গুণের অধিকারী হতে হয়। তার গুণের মধ্যে শারীরিক (সুদর্শন চেহারা, সুস্বাস্থ্য, সুন্দর হাসি), মানসিক (আগ্রহ ও আন্তরিকতা, আত্মবিশ্বাস, ধৈর্যশীলতা), নৈতিক (সততা ও বিশ্বাস, মার্জিত ব্যবহার, জেন্ডার সচেতনতা, মেলামেশার ক্ষমতা) গুণাবলি অন্যতম। উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট্য রাফির মধ্যে বিদ্যমান। তাই তাকে একজন আদর্শ বিক্রয়কর্মী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
সুস্থতার জন্য দূষণমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বিস্তারের ফলে বিভিন্নভাবে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। দূষিত পরিবেশ মানুষের জীবনযাত্রায় মারাত্মক প্রভাববিস্তার করে। তাই পরিবেশ দূষণরোধে ব্যবসায়ীদের উচিত কোনো অবস্থাতেই কারখানার বর্জ্য নদী, খাল-বিল বা জলাশয়ে না ফেলা। প্রয়োজনে কারখানার মালিক বা ব্যবসায়ীদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং তা প্রতিটি কারখানায় বাধ্যতামূলক করা।
ব্যবসায় হতে ক্রেতা ও ভোক্তারা পণ্যসামগ্রী কেনার ফলে তাদের প্রতি ব্যবসায়ীদের যে দায়-দায়িত্ব পালন করতে হয়, তাকে ক্রেতা ও ভোক্তাদের প্রতি ব্যবসায়ীদের দায়বদ্ধতা বলে। তাই ক্রেতাদের সন্তুষ্ট রাখার স্বার্থে ব্যবসায়ীদের ক্রেতাদের চাহিদামতো পণ্যসামগ্রী ও সেবা সরবরাহ করতে হয়, ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ করতে হয়, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন এবং সংরক্ষণ করে সর্বোপরি ক্রেতাদের সর্বোচ্চ তৃপ্তি দানের চেষ্টা করতে হয়।
উদ্দীপকে জনাব শাকিল ইলেক্ট্রনিক কোম্পানির মালিক। তিনি পণ্যের মান নিশ্চিত করা, ভোক্তার অভিযোগ দ্রুত সমাধান করা এবং সবসময় পণ্য সরবরাহের লক্ষ্যে অনলাইন সেবা চালু করেন। শাকিলের এধরনের কার্যক্রম ব্যবসায়ের ক্রেতা ও ভোক্তাদের প্রতি দায়িত্ব পালনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, জনাব শাকিল ব্যবসায়ের ক্রেতা ও ভোক্তা পক্ষের প্রতি দায়বদ্ধতা পালন করছেন।
ব্যবসায়ে উচিত এবং ন্যায়-নীতি মেনে চলাই ব্যবসায় নৈতিকতা। মানসম্মত পণ্য ও সেবা উৎপাদন, সময়মতো সরবরাহ, ন্যায্যমূল্যে সরবরাহ, সঠিক ওজন ও মানে পণ্যদ্রব্য সরবরাহ, সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা, সততার সাথে ব্যবসায় পরিচালনা করা প্রভৃতি মেনে চলাই ব্যবসায় নৈতিকতা। এ নৈতিকতার গুণেই একজন ব্যবসায়ী সৎ ও ন্যায়-নিষ্ঠাবান হয়ে থাকেন।
উদ্দীপকে জনাব সাবিত নদীর ধারে একটি শিল্পকারখানা স্থাপন করেন। তিনি কারখানার বর্জ্য পানিতে নিক্ষেপ করেন। এছাড়া কারখানা সম্প্রসারণের সময় নদীর ধারের অনেকগুলো বৃক্ষ নিধন করেন। স্থানীয় জনগণ প্রতিবাদ করায় জনাব সাবিতের কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়।
উদ্দীপকে জনাব সাবিত যে কাজ করছেন তা ব্যবসায় নৈতিকতার পরিপন্থি। তিনি কারখানার বর্জ্য পানিতে নিক্ষেপ করছেন, ফলে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। আবার নদীর ধারের বৃক্ষগুলো নিধন করছেন, যা পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তার এমন অনৈতিক কার্যক্রমের কারণেই স্থানীয় জনগণ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় এবং কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়।
এটিএম সেবা ব্যবসায়ের প্রযুক্তিগত পরিবেশের উপাদান।
কোনো দেশের বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা, এতদসংক্রান্ত গবেষণা, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রযুক্তি আমদানির সুযোগ ইত্যাদি মিলিয়ে যে পরিবেশের সৃষ্টি হয় তাকে প্রযুক্তিগত পরিবেশ বলে। বর্তমানকালে ব্যবসায়ের ওপর প্রযুক্তিগত পরিবেশের ব্যাপক প্রভাব লক্ষণীয়। শিল্প-বাণিজ্য সব কর্মকাণ্ডই প্রযুক্তির হাত ধরে এগিয়ে চলছে।
উদ্দীপকের ডা. রাফিদের ভাইয়ের সরবরাহকৃত উপাদানগুলো সেবা শিল্পকে নির্দেশ করে।
যে শিল্প মানুষের জীবনযাত্রাকে আরামদায়ক ও সহজ করেছে তাকে সেবা শিল্প বলে। যেমন- গ্যাস, বিদ্যুৎ, টেলিফোন ইত্যাদি সেবা সরবরাহকৃত প্রতিষ্ঠান এরূপ শিল্পের আওতাভুক্ত। তাছাড়া দুগ্ধ পোল্ট্রি উৎপাদন এবং বিপণন, হাসপাতাল প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহও এ ধরনের শিল্পের অন্তর্গত।
উদ্দীপকে ডা. রাফিদ ও ডা. আনিকা স্বামী স্ত্রী। তারা সরকারি চাকরি না করে নিজের এলাকায় গরিব অসহায় মানুষদের চিকিৎসার লক্ষ্যে 'মমতা মেমোরিয়াল' নামক একটি হাসপাতাল গড়ে তোলেন। এই চিকিৎসালয়ে চিকিৎসা, ওষুধ ও খাবার বাবদ নামমাত্র একটি মূল্য নেওয়া হয়। ডা. রাফিদের ভাই তার নিজের ফার্মের ডিম ও দুধ ঐ হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করেন, যা সেবা শিল্পের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ডা. রাফিদের ভাইয়ের সরবরাহকৃত উপাদানগুলো সেবা শিল্পকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকে "মমতা মেমোরিয়ালের" কার্যক্রম সামাজিক ব্যবসায়ের অন্তর্গত, যা ব্যবসায়ের জন্য খুবই প্রয়োজন।
যে ব্যবসায় গড়তে ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ মূলধন দেন কিন্তু তার পেছনে মুনাফা অর্জন বা লভ্যাংশ প্রাপ্তির কোনো উদ্দেশ্য থাকে না; বরং সমাজের কল্যাণ ও দারিদ্র্য দূরীকরণের উদ্দেশ্যই থাকে মুখ্য, তাকে সামাজিক ব্যবসায় বলে। প্রচলিত ব্যবসায় ধারণার বিপক্ষে সামাজিক ব্যবসায় ধারণা সারা বিশ্বে একটা নতুন আলোড়ন সৃষ্টিতে সমর্থ হয়েছে।
উদ্দীপকের ডা. রাফিদ ও ডা. আনিকা স্বামী স্ত্রী। তারা সরকারি চাকরি না করে নিজের এলাকায় গরিব অসহায় মানুষদের চিকিৎসার লক্ষ্যে 'মমতা মেমোরিয়াল' নামক একটি হাসপাতাল গড়ে তোলেন। এই চিকিৎসালয়ে চিকিৎসা, ওষুধ ও খাবার বাবদ নামমাত্র একটি মূল্য নেওয়া হয়। ডা. রাফিদের ভাই তার নিজের ফার্মের ডিম ও দুধ ঐ হাসপাতালে রোগীদের জন্য স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করেন।
উদ্দীপকের ব্যবসায়টি একটি সামাজিক ব্যবসায়, যা সমাজের মানুষের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। কারণ এরূপ ব্যবসায়ের মাধ্যমে সমাজের মানুষ স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা পায়। এছাড়াও এমন ব্যবসায়ের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে ঔষধ ও খাবার সরবরাহ করা হয় বিধায় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়। এরূপ ব্যবসায় থেকে বিনিয়োগকারীরা কোনো মুনাফা গ্রহণ করেন না; বরং ব্যবসায়ের অর্জিত মুনাফা দ্বারা প্রতিষ্ঠানের প্রসার ও উন্নয়ন কাজে ব্যয় হয়। ফলে দেশ ও সমাজের মানুষের উন্নয়ন হয়। তাই বলা যায়, মমতা মেমোরিয়ালের কার্যক্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনাকে ঝুঁকি বলে।
ব্যবসায় উদ্যোগের সাথে ঝুঁকির সম্পর্ক ধনাত্মক। কারণ প্রত্যেক ব্যবসায়ের ক্ষেত্রেই কোনোটিতে ঝুঁকি কম থাকে আবার কোনোটিতে বেশি। এক্ষেত্রে যে ব্যবসায়ে ঝুঁকি কম সেখানে লাভের সম্ভাবনাও কম। আবার যেখানে ঝুঁকি বেশি সেখানে লাভের সম্ভাবনাও বেশি। এসব কারণেই ব্যবসায় উদ্যোগের সাথে ঝুঁকির ধনাত্মক সম্পর্ক বিদ্যমান।
'ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ' করে ডেইরি ফার্ম স্থাপনে জনাব হামিদা বেগমের মধ্যে উদ্যোক্তার পুঁজি সংগ্রহের ক্ষমতা গুণটি পরিলক্ষিত হয়।
উদ্যোক্তার সফলতা ও ব্যর্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে তার মধ্যে বিদ্যমান গুণাবলির ওপর। একজন উদ্যোক্তাকে অনেকগুলো গুণের অধিকারী হতে হয়। এর মধ্যে অন্যতম গুণ হচ্ছে পুঁজি সংগ্রহের ক্ষমতা। এই গুণের বলেই তিনি বিভিন্ন উৎস থেকে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনমতো মূলধন সংগ্রহ করতে পারেন।
উদ্দীপকের জনাব হামিদা একটি ডেইরি ফার্ম স্থাপনের চিন্তা করছেন। অতঃপর তিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফার্মটি শুরু করলেন। এক্ষেত্রে তার ফার্ম স্থাপনের জন্য যে পুঁজির প্রয়োজন তা যথাসময়ে সংগ্রহ করতে সক্ষম হন, যা একজন উদ্যোক্তা পুঁজি সংগ্রহ করার যোগ্যতা গুণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, 'ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ' করে ডেইরি ফার্ম স্থাপনে জনাব হামিদা বেগমের মধ্যে উদ্যোক্তার পুঁজি সংগ্রহের ক্ষমতা গুণটি পরিলক্ষিত হয়।
জনাব হামিদা বেগমের ডেইরি ফার্মের ক্ষতির মূল কারণ হলো কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার অপর্যাপ্ততা।
বাংলাদেশে ব্যবসায় উদ্যোগ উন্নয়নে বিরাজমান পরিবেশ সকল ক্ষেত্রে অনুকূল নয়। বেশ কিছু বাধার কারণে এখনও উদ্যোগ উন্নয়ন কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। এর মধ্যে অন্যতম বাঁধা হচ্ছে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার অপর্যাপ্ততা। এমন বাধার কারণে আমাদের দেশে নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হচ্ছে না।
উদ্দীপকে জনাব হামিদা একটি ডেইরি ফার্ম স্থাপনের চিন্তা করছেন। অতঃপর তিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফার্মটি শুরু করলেন। ডেইরি ফার্ম বিষয়ের ধারণা না থাকায় প্রথম বছর তার ফার্মে তেমন লাভ হলো না। কিছু দিন পর হঠাৎ দুটি গরু মারা গেল। এজন্য তিনি অনেকটা ভেঙ্গে পড়লেন। তবুও তিনি হাল ছাড়লেন না। এখন তিনি সব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করার চেষ্টা করছেন।
উদ্দীপকের হামিদা বেগমের ডেইরি ফার্মে ক্ষতির কারণ হলো তার মধ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার অভাব রয়েছে। যার কারণে তার মধ্যে ডেইরি ফার্ম স্থাপনের মতো কোনো ধারণা ছিল না। ফলে ডেইরি ফার্ম স্থাপন করেই তিনি লোকসানের সম্মুখীন হন। এমন পরিস্থিতিগুলো দূর করার জন্য আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োগ করতে হবে।
একক মালিকানায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়কে একমালিকানা ব্যবসায় বলে।
একমালিকানা ব্যবসায়ে মালিক একজন থাকে বিধায় তাকে ব্যবসায়ের সমস্ত মূলধন বিনিয়োগ করতে হয়, ব্যবসায় পরিচালনা করতে হয়। আবার ব্যবসায়ের সমস্ত লাভ তিনি একাই ভোগ করেন কিন্তু লোকসান হলে সমস্ত দায়ভার তাকে একাই বহন করতে হয়। অর্থাৎ ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যক্রম মালিকের ওপর নির্ভরশীল। তাই এরূপ ব্যবসায় টিকে থাকা মালিকের সিদ্ধান্তের সাথে জড়িত।
উদ্দীপকে রমিজ স্টোরের জনাব ফারুক নামমাত্র অংশীদার।
যে ব্যক্তি অর্থের বিনিময়ে নামের সুনাম বিক্রয় করে তাকে নামমাত্র অংশীদার বলে। এরা ব্যবসায়ে মূলধন বিনিয়োগ করে না এবং ব্যবসায় পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে না কিন্তু ব্যবসায়ের স্বার্থে নিজের খ্যাতি বা সুনাম ব্যবহার করার অনুমতি দেয়। এরূপ অংশীদার সাধারণ অংশীদারের ন্যায় অসীম দায় বহন করে না।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রমিজ স্টোরস ১৯৩২ সালের আইন অনুযায়ী গঠিত একটি সংগঠন। এই সংগঠনের একজন সদস্য জনাব ফারুক ব্যবসায়ে মূলধন বিনিয়োগ করে না এবং ব্যবসায় পরিচালনায় অংশগ্রহণও করে না। তবে ব্যবসায় থেকে লাভের অংশ পেয়ে থাকেন। জনাব ফারুকের এমন বৈশিষ্ট্য নামমাত্র অংশীদারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে রমিজ স্টোরের জনাব ফারুক নামমাত্র অংশীদার।
উদ্দীপকে তানিম এন্টারপ্রাইজের বিলোপসাধন প্রক্রিয়াটি হচ্ছে বিশেষ ঘটনাসাপেক্ষে বিলোপসাধন।
যদি এমন কোনো বিশেষ ঘটনা ঘটে যেখানে অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ ঘটতে পারে তবে তাকে বিশেষ ঘটনাসাপেক্ষে বিলোপসাধন বলে। ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী এরূপ বিলোপসাধন হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, তানিম এন্টারপ্রাইজের ২ জন সদস্য রাষ্ট্রদ্রোহী কাজে লিপ্ত হওয়ায় সাজাপ্রাপ্ত হয়। আর অন্য একজন সদস্য ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। এমন পরিস্থিতিতে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির বিলোপসাধন হবে।
অংশীদারি আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো অংশীদার মারা যায় বা কোনো অংশীদার দেউলিয়া হয় তবে ব্যবসায়টির বিশেষ ঘটনাসাপেক্ষে বিলোপসাধন হবে। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে দেখা যায়, একজন অংশীদারের মৃত্যু হয়। এমতাবস্থায় উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির কয়েকটি বিশেষ ঘটনা সাপেক্ষে বিলোপ হবে বলে আমি মনে করি।
আইন অনুযায়ী অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়।
নিবন্ধন বলতে নিবন্ধকের অফিসে প্রতিষ্ঠানের নাম তালিকাভুক্ত করাকে বোঝায়। অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না করা হলেও অনিবন্ধিত অংশীদারি ব্যবসায়ের চেয়েও নিবন্ধিত অংশীদারি ব্যবসায় অধিক আইনগত সুবিধা এবং অধিক মর্যাদা লাভ করে। চুক্তিগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং পাওনা অর্থ আদায় এরূপ ব্যবসায় অধিকতর সুবিধা ভোগ করে। তাই বাধ্যতামূলক না হলেও অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন করাই উত্তম।
উদ্দীপকে 'মাসুম ট্রেডার্স' মালিকানার ভিত্তিতে প্রথমদিকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি সংগঠন ছিল।
যে কোম্পানির সদস্যসংখ্যা কমপক্ষে ২ জন এবং সর্বোচ্চ ৫০ জন, যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং জনগণের নিকট শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ তাকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ঘরোয়া পরিবেশে পরিচিতজনদের নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম মূলধন নিয়ে গঠিত হয়।
উদ্দীপকে রোকন ও তার ৪০ জন বন্ধু মিলে আইন অনুযায়ী মাসুম ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসায় স্থাপন করেন। তাদের ব্যবসায়ের শেয়ার হস্তান্তর অধিকার সীমিত। যে ব্যবসায়ের শেয়ার হস্তান্তর সীমিত তা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'মাসুম ট্রেডার্স' মালিকানার ভিত্তিতে প্রথমদিকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি সংগঠন ছিল।
সংগঠনটির মালিকানার ধরন পরিবর্তন করে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরের যৌক্তিকতা রয়েছে।
যে কোম্পানির সদস্যসংখ্যা কমপক্ষে ৭ জন এবং সর্বোচ্চ শেয়ারসংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে। নিবন্ধনপত্র পেয়েও পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি তাদের কাজ শুরু করতে পারে না। এ ধরনের কোম্পানির মূলধনের প্রয়োজন হলে তারা বাজারে শেয়ার বিক্রয় করে মূলধন সংগ্রহ করে।
উদ্দীপকে রোকন ও তার ৪০ জন বন্ধু মিলে আইন অনুযায়ী মাসুম ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসায় স্থাপন করেন। তাদের ব্যবসায়ের শেয়ার হস্তান্তর অধিকার সীমিত। পরবর্তীতে তারা বৃহৎ পরিসরে ব্যবসায় শুরু করেন। ফলে, তাদের ব্যবসায়ে দেশের বহুমানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির অধিক মূলধনের প্রয়োজন হলে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করে সফলভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করছে।
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি প্রথমত প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ছিল। কিন্তু প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি, কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাজারে শেয়ার বিক্রয় করতে পারে না। এমতাবস্থায় তারা কোম্পানিটিকে প্রাইভেট থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত করে। এতে তাদের মূলধনের প্রয়োজন হলে বাজারে শেয়ার বিক্রয় করে মূলধন সংগ্রহ করে। ফলে ব্যবসায়টি সম্প্রসারিত হয় এবং দেশের অনেক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাই আমি মনে করি, সংগঠনটির মালিকানার ধরন পরিবর্তন করে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরের যৌক্তিকতা রয়েছে।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।