M ও N দুটি মুক্ত শিকল হাইড্রোকার্বন; এদের আণবিক ভর যথাক্রমে 44 ও 56।
[M ও N প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
অ্যালকোহলে −OH মূলকটি সম্পৃক্ত কার্বনের সঙ্গে যুক্ত থাকে, কিন্তু ফেনলে −OH মূলক সরাসরি বেনজিন বলয়ের sp² কার্বনের সঙ্গে যুক্ত।
ফেনলের C—O বন্ধনে অনুরণনের প্রভাব এবং এর অম্লধর্ম সাধারণ অ্যালকোহল থেকে ভিন্ন; তাই −OH থাকলেও ফেনলকে অ্যালকোহল বলা হয় না।
N-এর আণবিক ভর 56; অ্যালকিনের সাধারণ সংকেত CₙH₂ₙ অনুযায়ী 14n=56, তাই n=4 এবং N=C₄H₈ বা বিউটিন।
বিউটিনে একটি C=C দ্বিবন্ধন আছে; Br₂ যোগ করলে দুর্বল π-বন্ধন ভেঙে সংযোজন ঘটে
CH₂=CHCH₂CH₃+Br₂ → CH₂BrCHBrCH₂CH₃
ব্রোমিনের লালচে-বাদামি বর্ণ বিলুপ্ত হয়ে 1,2-ডাইব্রোমোবিউটেন তৈরি হয়; এই সংযোজন বিক্রিয়াই N-এর অসম্পৃক্ততা প্রমাণ করে।
বিউটান-1-অল থেকে N=C₄H₈ বা বিউটিন এবং M=C₃H₈ বা প্রোপেন—উভয়ই প্রস্তুত করা সম্ভব; প্রথমটিতে পানিশূন্যকরণ, দ্বিতীয়টিতে জারণ ও ডিকার্বক্সিলেশন প্রয়োজন।
গাঢ় H₂SO₄-এর উপস্থিতিতে 170°C তাপমাত্রায়
CH₃CH₂CH₂CH₂OH → CH₂=CHCH₂CH₃+H₂O
এভাবে N বা বিউটিন তৈরি হয়।
M-এর জন্য CH₃CH₂CH₂CH₂OH+2[O] → CH₃CH₂CH₂COOH+H₂O এবং CH₃CH₂CH₂COOH+NaOH → CH₃CH₂CH₂COONa+H₂O করা হয়।
সোডালাইমে উত্তপ্ত করলে CH₃CH₂CH₂COONa+NaOH → CH₃CH₂CH₃+Na₂CO₃; ফলে একটি কার্বন কমে M বা প্রোপেন তৈরি হয়—অতএব উভয় প্রস্তুতিই সম্ভব।
(i) PbCl₂+Cl₂ → PbCl₄
(ii) 2SO₂(g)+O₂(g) ⇌ 2SO₃(g)+তাপ
মুক্ত বাতাসে অ্যালুমিনিয়ামের পৃষ্ঠ O₂-এর সঙ্গে বিক্রিয়া করে পাতলা, দৃঢ় Al₂O₃ স্তর তৈরি করে; এটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
4Al+3O₂ → 2Al₂O₃; উৎপন্ন অক্সাইড স্তর ভেতরের ধাতুকে বাতাস ও আর্দ্রতা থেকে বিচ্ছিন্ন করে পরবর্তী ক্ষয় রোধ করে, তাই পরিবর্তনটি দ্রুত থেমে যায়।
PbCl₂+Cl₂ → PbCl₄ বিক্রিয়ায় Pb জারিত এবং Cl₂ বিজারিত হয়; তাই জারণ ও বিজারণ একই সঙ্গে ঘটে।
PbCl₂-এ Pb-এর জারণ সংখ্যা +2, যা PbCl₄-এ +4 হয়
Pb²⁺ → Pb⁴⁺+2e⁻
অর্থাৎ PbCl₂ ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয়।
Cl₂-এ Cl-এর জারণ সংখ্যা 0, যা PbCl₄-এর অতিরিক্ত Cl⁻-এ −1 হয়
Cl₂+2e⁻ → 2Cl⁻
Pb-এর ত্যাগ করা ইলেকট্রন Cl₂ গ্রহণ করায় দুটি প্রক্রিয়া যুগপৎ ঘটে।
সুষম সাম্য বিক্রিয়া 2SO₂(g)+O₂(g) ⇌ 2SO₃(g)+তাপ; কম তাপমাত্রা ও বেশি চাপ SO₃ উৎপাদনের অনুকূল।
বিক্রিয়াটি তাপোৎপাদী বলে তাপমাত্রা বাড়ালে সাম্য তাপ শোষণের জন্য বামদিকে সরে SO₂ ও O₂ বাড়ায়; তাপমাত্রা কমালে সাম্য ডানদিকে সরে SO₃ বাড়ায়।
বাম পাশে মোট 3 mol এবং ডান পাশে 2 mol গ্যাস আছে; চাপ বাড়ালে সাম্য কম মোলের ডানদিকে, আর চাপ কমালে বেশি মোলের বামদিকে সরে।
অতএব লা-শাতেলিয়ার নীতি অনুযায়ী কম তাপমাত্রা ও বেশি চাপ SO₃-এর সাম্যফলন বাড়ায়; শিল্পে যথাযথ বিক্রিয়ার হার পেতে মাঝারি তাপমাত্রা ও V₂O₅ প্রভাবক ব্যবহার করা হয়।
X পাত্র: 200 mL পানিতে 5 g HCl
Y পাত্র: 200 mL পানিতে 5 g Mg(OH)₂
ইথানলের পোলার −OH মূলক পানির পোলার অণুর সঙ্গে হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করতে পারে।
ইথানলের ছোট অপোলার C₂H₅ অংশের প্রভাবের চেয়ে −OH-এর পানি-আকর্ষণ বেশি হওয়ায় পানির অণুগুলো ইথানলকে ঘিরে স্থিতিশীল রাখে এবং ইথানল পানিতে দ্রবীভূত হয়।
Y পাত্রে 5 g Mg(OH)₂, পানির আয়তন 200 mL বা 0.200 L এবং Mg(OH)₂-এর মোলার ভর 58 g mol⁻¹।
Mg(OH)₂-এর মোল
= 5÷58
= 0.08621 mol
মোলারিটি = মোল÷আয়তন
= 0.08621÷0.200
= 0.431 mol L⁻¹
অতএব Y পাত্রের দ্রবণের মোলারিটি প্রায় 0.431 M।
Mg(OH)₂+2HCl → MgCl₂+2H₂O বিক্রিয়ায় HCl লিমিটিং বিক্রিয়ক; তাই সর্বোচ্চ প্রায় 6.51 g MgCl₂ উৎপন্ন হবে।
HCl-এর মোল = 5÷36.5 = 0.13699 mol
Mg(OH)₂-এর মোল = 5÷58 = 0.08621 mol
0.08621 mol Mg(OH)₂-এর জন্য HCl প্রয়োজন = 0.17242 mol
উপস্থিত HCl 0.13699 mol < প্রয়োজনীয় 0.17242 mol
তাই HCl প্রথমে শেষ হবে
MgCl₂-এর মোল = 0.13699÷2 = 0.06849 mol
MgCl₂-এর মোলার ভর = 24+2×35.5 = 95 g mol⁻¹
লবণের ভর = 0.06849×95 = 6.506 g
অতএব সর্বোচ্চ প্রায় 6.51 g MgCl₂ পাওয়া যাবে।
পর্যায় সারণির খণ্ডিত অংশে H সর্বোচ্চ বামে, M গ্রুপ-1-এর চতুর্থ পর্যায়ে, Q ও R একই দ্বিতীয় পর্যায়ে বাম থেকে ডানে এবং Ar গ্রুপ-18-এর তৃতীয় পর্যায়ে দেখানো হয়েছে।
[M, Q ও R প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
Na ও Mg একই তৃতীয় পর্যায়ের ধাতু, কিন্তু Na-এর কার্যকর নিউক্লীয় আধান কম ও পারমাণবিক আকার Mg-এর চেয়ে বড়।
Na-এর একমাত্র 3s¹ যোজ্যতা ইলেকট্রন Mg-এর 3s² ইলেকট্রনের তুলনায় সহজে অপসারিত হয়; তাই Na-এর আয়নীকরণ শক্তি কম এবং ধাতব ধর্ম বেশি।
Q ও R একই পর্যায়ে এবং Q পর্যায়টির বামদিকে, R ডানদিকে অবস্থিত; তাই Q-এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ R-এর চেয়ে বেশি।
একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানে নতুন শক্তিস্তর যোগ হয় না, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও কার্যকর নিউক্লীয় আধান বৃদ্ধি পায়।
বর্ধিত নিউক্লীয় আকর্ষণে R-এর বহিঃস্থ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের কাছে বেশি টানা থাকে; তাই ব্যাসার্ধের ক্রম Q > R।
M ও R উভয়ই উচ্চমাত্রায় সক্রিয়, কিন্তু M সহজে ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন এবং R সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়ন গঠন করায় তাদের সক্রিয়তার কারণ বিপরীত।
M পর্যায় সারণির গ্রুপ-1-এর নিচের দিকের মৌল; এর বড় আকার, বেশি শিল্ডিং ও কম আয়নীকরণ শক্তির কারণে একমাত্র যোজ্যতা ইলেকট্রন সহজে বর্জিত হয়।
R একই পর্যায়ের ডানদিকে অবস্থিত অধাতু; এর ছোট আকার, বেশি কার্যকর নিউক্লীয় আধান ও প্রায় পূর্ণ বহিঃস্তরের কারণে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা প্রবল।
অতএব M-এর সক্রিয়তা তড়িৎধনাত্মকতা ও ইলেকট্রন বর্জনের সহজতা থেকে, আর R-এর সক্রিয়তা তড়িৎঋণাত্মকতা ও ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা থেকে সৃষ্টি হয়।
| মৌল | পারমাণবিক সংখ্যা |
|---|---|
| A | 19 |
| B | 30 |
[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
বেরিলিয়াম পর্যায় সারণির গ্রুপ-2-এর ধাতু এবং প্রকৃতিতে প্রধানত মাটির বিভিন্ন খনিজ যৌগে পাওয়া যায়।
এর অক্সাইড BeO ও হাইড্রোক্সাইড Be(OH)₂ মাটিতে পাওয়া গ্রুপ-2 যৌগের অন্তর্ভুক্ত; তাই শ্রেণিগতভাবে বেরিলিয়ামকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
B-এর পারমাণবিক সংখ্যা 30, তাই B হলো Zn এবং এর ইলেকট্রন বিন্যাস 1s²2s²2p⁶3s²3p⁶3d¹⁰4s² বা 2,8,18,2।
সর্বোচ্চ প্রধান শক্তিস্তর n=4 হওয়ায় Zn চতুর্থ পর্যায়ে এবং বিভেদকারী ইলেকট্রন 3d উপস্তরে থাকায় d-ব্লকে অবস্থিত।
(n−1)d ও ns ইলেকট্রনের যোগফল = 10+2 = 12; তাই B পর্যায় সারণির ৪র্থ পর্যায়, গ্রুপ-12 ও d-ব্লকে অবস্থিত।
A-এর পারমাণবিক সংখ্যা 19, তাই A হলো K; এর ইলেকট্রন বিন্যাস 1s²2s²2p⁶3s²3p⁶4s¹ এবং বহিঃস্থ শক্তিস্তর n=4।
n=4 স্তরে সম্ভাব্য উপশক্তিস্তর 4s, 4p, 4d ও 4f; এগুলোর অরবিটাল সংখ্যা যথাক্রমে 1, 3, 5 ও 7।
প্রতি অরবিটালে সর্বোচ্চ 2টি ইলেকট্রন থাকে
4s = 1×2 = 2
4p = 3×2 = 6
4d = 5×2 = 10
4f = 7×2 = 14
মোট ধারণক্ষমতা = 2+6+10+14 = 32
2n² = 2×4² = 32
অতএব উপশক্তিস্তরের হিসাবেও A-এর বহিঃস্থ n=4 স্তরের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা 2n²-এর সমান।
(i) MgCO₃+2X → MgCl₂+H₂O+CO₂(g)
(ii) একটি যৌগে Na=42.07%, P=18.90% ও O=39.02%; যৌগটির আণবিক ভর 164।
[X প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
যে রাসায়নিক বিশ্লেষণে নমুনাকে উপযুক্ত দ্রাবকে দ্রবীভূত করে দ্রবণের বিভিন্ন বিক্রিয়ার সাহায্যে উপাদান শনাক্ত বা পরিমাণ নির্ণয় করা হয়, তাকে আর্দ্র বিশ্লেষণ বলে।
এ পদ্ধতিতে অধঃক্ষেপণ, বর্ণ পরিবর্তন, গ্যাস নির্গমন বা টাইট্রেশনের মতো দ্রবণীয় বিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হয়।
100 g যৌগে Na=42.07 g, P=18.90 g ও O=39.02 g; মোল অনুপাত নির্ণয় করা হয়।
Na = 42.07÷23 = 1.829
P = 18.90÷31 = 0.6097
O = 39.02÷16 = 2.4388
ক্ষুদ্রতম 0.6097 দিয়ে ভাগ করলে Na:P:O ≈ 3:1:4
স্থূল সংকেত = Na₃PO₄
সংকেত ভর = 3×23+31+4×16 = 164
আণবিক ভরের সমান বলে আণবিক সংকেত Na₃PO₄।
সুষম (i) বিক্রিয়া MgCO₃+2HCl → MgCl₂+H₂O+CO₂; তাই X=HCl সমযোজী যৌগ এবং উৎপন্ন MgCl₂ আয়নিক যৌগ, তবু উভয়ই পোলার পানিতে দ্রবণীয়।
HCl-এ H ও Cl ইলেকট্রন শেয়ার করে পোলার সমযোজী বন্ধন গঠন করে; পানিতে HCl+H₂O → H₃O⁺+Cl⁻ আয়নীভবনে হাইড্রেটেড আয়ন সৃষ্টি হয়।
Mg দুটি ইলেকট্রন বর্জন করে Mg²⁺ এবং দুটি Cl একটি করে ইলেকট্রন নিয়ে 2Cl⁻ গঠন করায় MgCl₂ আয়নিক; পানিতে MgCl₂ → Mg²⁺+2Cl⁻ বিযোজিত হয়।
অতএব বন্ধন গঠন ভিন্ন হলেও HCl-এর আয়নীভবন ও MgCl₂-এর বিযোজন—উভয় ক্ষেত্রেই পানি আয়ন-দ্বিমেরু আকর্ষণে আয়নগুলোকে হাইড্রেট করে বলে উভয় পদার্থ দ্রবণীয়।
| মৌল | সর্ববহিঃস্থ স্তরের ইলেকট্রন বিন্যাস |
|---|---|
| A | 3s²3p⁴ |
| B | 3s² |
| C | 2s²2p⁵ |
[A, B ও C প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
যে অতি বিশুদ্ধ, স্থায়ী, অ-আর্দ্রতাগ্রাহী ও নির্দিষ্ট সংকেতবিশিষ্ট পদার্থকে সরাসরি ওজন করে নির্দিষ্ট ঘনমাত্রার প্রমাণ দ্রবণ তৈরি করা যায়, তাকে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে।
এ ধরনের পদার্থের বিশুদ্ধতা ও মোলার ভর নির্ভরযোগ্য হওয়ায় প্রস্তুত দ্রবণের ঘনমাত্রা আলাদা মান নির্ধারণ ছাড়াই সঠিকভাবে জানা যায়।
A-এর বহিঃস্থ বিন্যাস 3s²3p⁴ বলে A=S এবং B-এর 3s² বলে B=Mg; তারা ইলেকট্রন স্থানান্তরে MgS আয়নিক যৌগ গঠন করে।
Mg তার দুটি 3s ইলেকট্রন বর্জন করে
Mg → Mg²⁺+2e⁻
S দুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে S+2e⁻ → S²⁻; উভয়ের অষ্টক পূর্ণ হয়।
উৎপন্ন Mg²⁺ ও S²⁻ আয়নের বিপরীত আধানের তড়িৎস্থির আকর্ষণে Mg²⁺S²⁻ বা MgS-এর আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়।
B হলো Mg, যার সর্বশেষ শক্তিস্তর n=3; C হলো F, যার সর্বশেষ শক্তিস্তর n=2—তাই তাদের একটি ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ সমান হবে না।
বোরের শর্ত অনুযায়ী n-তম কক্ষপথে ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ L=nh÷2π; Mg-এর জন্য n=3।
Mg-এর ক্ষেত্রে
Lᴮ = 3h÷2π
F-এর ক্ষেত্রে
Lᶜ = 2h÷2π = h÷π
3h÷2π ≠ 2h÷2π; অতএব B ও C-এর সর্বশেষ শক্তিস্তরের একটি ইলেকট্রনের কৌণিক ভরবেগ যথাক্রমে 3h÷2π ও 2h÷2π, তাই সমান নয়।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।