A যৌগটি রেক্টিফাইড স্পিরিটের প্রধান উপাদান। A-এর জারণে প্রাপ্ত B-এর 4%–10% জলীয় দ্রবণ খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
পরমাণুতে ধনাত্মক প্রোটন ও ঋণাত্মক ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান বলে এর মোট আধান শূন্য।
নিউট্রন আধানহীন; তাই নিউক্লিয়াসের মোট ধনাত্মক আধান ও ইলেকট্রনগুলোর মোট ঋণাত্মক আধান পরস্পরকে নিষ্ক্রিয় করে এবং পরমাণু বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকে।
উদ্দীপকের A হলো ইথানল এবং এর জারণে প্রাপ্ত B হলো ইথানয়িক এসিড; B থেকে সোডিয়াম ইথানোয়েট হয়ে মিথেন প্রস্তুত করা যায়।
CH₃COOH+NaOH → CH₃COONa+H₂O
এ বিক্রিয়ায় ইথানয়িক এসিড থেকে সোডিয়াম ইথানোয়েট তৈরি হয়।
সোডালাইমের উপস্থিতিতে উত্তপ্ত করলে
CH₃COONa+NaOH → CH₄+Na₂CO₃
অতএব ডিকার্বক্সিলেশনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান CH₄ পাওয়া যায়।
A হলো ইথানল; গাঢ় H₂SO₄-এর উপস্থিতিতে পানি অপসারণ করে A থেকে অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন ইথিন প্রস্তুত করা যায় এবং ব্রোমিন দ্রবণ দিয়ে এর অসম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়।
170°C তাপমাত্রায়
CH₃CH₂OH → CH₂=CH₂+H₂O
এটি ইথানলের অন্তঃআণবিক নিরুদন বিক্রিয়া।
উৎপন্ন ইথিনের মধ্যে লালচে-বাদামি ব্রোমিন দ্রবণ যোগ করলে
CH₂=CH₂+Br₂ → CH₂Br−CH₂Br
ব্রোমিনের বর্ণ অপসারিত হয়ে 1,2-ডাইব্রোমোইথেন তৈরি হয়।
ইথিনের C=C দ্বিবন্ধনে Br₂ সংযোজিত হওয়ায় দ্রবণের বর্ণ বিলুপ্ত হয়; তাই প্রস্তুত হাইড্রোকার্বনটি অসম্পৃক্ত—পরীক্ষাটি উক্তির প্রমাণ দেয়।
Ne-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 1s²2s²2p⁶; অর্থাৎ এর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে আটটি ইলেকট্রনের স্থিতিশীল অষ্টক পূর্ণ।
তাই Ne-এর ইলেকট্রন গ্রহণ, বর্জন বা ভাগাভাগির প্রবণতা নেই এবং সাধারণ অবস্থায় এটি অন্য মৌলের সঙ্গে যৌগ গঠন করে না।
চিত্রে A হলো তৃতীয় কক্ষপথ, তাই বোরের কৌণিক ভরবেগের সূত্রে n=3 বসিয়ে ইলেকট্রনের বেগ নির্ণয় করা যায়।
mvr = nh÷2π
v = nh÷2πmr
= (3×6.626×10⁻³⁴)÷(2×3.1416×9.1×10⁻³¹×4.52×10⁻¹⁰)
= 7.69×10⁵ m s⁻¹
অতএব A কক্ষপথে ইলেকট্রনটির গতিবেগ প্রায় 7.69×10⁵ m s⁻¹।
উদ্দীপকের মডেলটি বোরের পরমাণু মডেল; পরমাণুর স্থায়িত্ব, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেন বর্ণালি ব্যাখ্যায় এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—তবে বহু-ইলেকট্রন পরমাণুর ক্ষেত্রে এটি পূর্ণাঙ্গ নয়।
বোরের মতে ইলেকট্রন নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধ ও শক্তির স্থির কক্ষপথে নিউক্লিয়াসকে প্রদক্ষিণ করে, যেখানে mvr=nh÷2π; স্থির কক্ষপথে ঘোরার সময় ইলেকট্রন শক্তি বিকিরণ করে না।
ইলেকট্রন এক শক্তিস্তর থেকে অন্যটিতে গেলে ΔE=hν পরিমাণ শক্তি শোষিত বা বিকিরিত হয়; এ ধারণা পরমাণুর স্থায়িত্ব, বিচ্ছিন্ন শক্তিস্তর এবং হাইড্রোজেনের রেখা বর্ণালি সফলভাবে ব্যাখ্যা করে আধুনিক পরমাণু তত্ত্বের ভিত্তি গড়ে দেয়।
তবে মডেলটি বহু-ইলেকট্রন পরমাণুর বর্ণালি, সূক্ষ্ম বর্ণালি রেখা ও ইলেকট্রনের তরঙ্গধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারে না; সুতরাং উক্তিটি মৌলিক অবদানের দিক থেকে যথার্থ, কিন্তু মডেলটির প্রয়োগসীমা স্বীকার করতে হয়।
আধুনিক পর্যায় সারণির খণ্ডিত অংশ:
| পর্যায় | গ্রুপ-1 | গ্রুপ-2 | গ্রুপ-14 | গ্রুপ-17 |
|---|---|---|---|---|
| 2 | D | X | ||
| 3 | A | B | Y |
[A, B, D, X ও Y প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
CaCl₂-এ Ca²⁺ ও Cl⁻ আয়নগুলো শক্তিশালী তড়িৎস্থির আকর্ষণে ত্রিমাত্রিক আয়নিক কেলাস গঠন করে।
এই শক্তিশালী আকর্ষণ ভেঙে আয়নগুলোকে মুক্ত করতে অনেক তাপশক্তি প্রয়োজন হয়; তাই CaCl₂-এর গলনাঙ্ক উচ্চ।
উদ্দীপকে D হলো C এবং Y হলো Cl; তাই DY₄ হলো CCl₄, যেখানে একটি C চারটি Cl-এর সঙ্গে চারটি একক সমযোজী বন্ধন গঠন করে।
C-এর যোজ্যতা ইলেকট্রন 4 এবং প্রতিটি Cl-এর 7; C প্রতিটি Cl-এর সঙ্গে একটি করে ইলেকট্রন জোড় ভাগ করে, ফলে C-এর অষ্টক ও প্রতিটি Cl-এর অষ্টক পূর্ণ হয়।
সংযুক্ত চিত্রে কেন্দ্রীয় C-এর চারদিকে চারটি Cl এবং চারটি ভাগাভাগিকৃত ইলেকট্রন জোড় দেখানো হয়েছে; তাই CCl₄-এ মোট চারটি C−Cl সমযোজী বন্ধন বিদ্যমান।
উদ্দীপকে A=Na, B=Mg ও Y=Cl; এদের পারমাণবিক ব্যাসার্ধের ক্রম Na > Mg > Cl, কিন্তু প্রথম আয়নিকরণ শক্তির ক্রম Na < Mg < Cl—অর্থাৎ পরিবর্তন বিপরীতমুখী।
তিনটিই তৃতীয় পর্যায়ের মৌল; বাম থেকে ডানে প্রোটন সংখ্যা ও কার্যকর নিউক্লীয় আধান বাড়লেও নতুন শক্তিস্তর যুক্ত হয় না, ফলে বহিঃস্থ ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয়ে ব্যাসার্ধ কমে।
ব্যাসার্ধ কমার সঙ্গে বহিঃস্থ ইলেকট্রনের ওপর নিউক্লীয় আকর্ষণ বাড়ে; তাই Na-এর 3s¹ ইলেকট্রন অপসারণ সহজ, Mg-এর 3s² ইলেকট্রন অপসারণ কঠিন এবং Cl-এর 3p⁵ ইলেকট্রন অপসারণ সবচেয়ে কঠিন।
অতএব A থেকে B হয়ে Y-এর দিকে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ হ্রাস পায়, অথচ আয়নিকরণ শক্তি বৃদ্ধি পায়; উদ্দীপকের মৌলগুলো উক্ত বিপরীতক্রম পরিবর্তনকে সমর্থন করে।
(i) A(s)+O₂(g) → AO₂(g)
(ii) 2AO₂(g)+O₂(g) ⇌ 2AO₃(g); ΔH=−197 kJ
A একটি অধাতব মৌল, যার নিউক্লিয়াসে 16টি প্রোটন আছে।
[A প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর হলো কোনো মৌলের একটি পরমাণুর গড় ভর ও কার্বন-12 পরমাণুর ভরের 1÷12 অংশের অনুপাত।
অনুপাতের লব ও হর একই এককবিশিষ্ট ভর হওয়ায় ভাগের সময় একক বাতিল হয়ে যায়; তাই আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর এককবিহীন রাশি।
A-এর পারমাণবিক সংখ্যা 16 বলে A=S; তাই (i) বিক্রিয়াটি S+O₂ → SO₂ এবং এটি সংযোজন, দহন ও জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে।
দুটি বিক্রিয়ক যুক্ত হয়ে একটিমাত্র উৎপাদ SO₂ গঠন করায় এটি সংযোজন বিক্রিয়া; আবার সালফার অক্সিজেনে জ্বলে অক্সাইড ও তাপ উৎপন্ন করায় এটি দহন বা তাপোৎপাদী বিক্রিয়া।
S-এর জারণ সংখ্যা 0 থেকে +4 হয় এবং O-এর 0 থেকে −2 হয়; অর্থাৎ S জারিত ও O বিজারিত হওয়ায় বিক্রিয়াটি একই সঙ্গে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া।
(ii) 2SO₂(g)+O₂(g) ⇌ 2SO₃(g); ΔH=−197 kJ একটি তাপোৎপাদী সাম্য বিক্রিয়া; নিম্ন তাপমাত্রা ও উচ্চ চাপ SO₃ উৎপাদনের অনুকূল।
তাপ উৎপাদের পাশে থাকায় তাপমাত্রা বাড়ালে লা-শাতেলিয়ারের নীতি অনুযায়ী সাম্য তাপ শোষণকারী পশ্চাৎমুখী দিকে সরে SO₃-এর পরিমাণ কমায়; তাপমাত্রা কমালে সাম্য সম্মুখমুখী হয়ে SO₃-এর পরিমাণ বাড়ায়।
বাম পাশে গ্যাসীয় মোল 3 এবং ডান পাশে 2; তাই চাপ বাড়ালে সাম্য কম মোলের ডান দিকে সরে SO₃ উৎপাদন বাড়ায়, আর চাপ কমালে বাম দিকে সরে SO₂ ও O₂-এর পরিমাণ বাড়ায়।
অতএব সর্বাধিক সাম্যফলনের জন্য নিম্ন তাপমাত্রা ও উচ্চ চাপ উপযোগী; তবে শিল্পে বিক্রিয়ার গ্রহণযোগ্য গতি বজায় রাখতে উপযুক্ত মধ্যম তাপমাত্রা ব্যবহার করা হয়।
পাত্র-A: 0.2 M HCl, আয়তন 700 mL
পাত্র-B: 0.1 M Na₂CO₃, আয়তন 400 mL
Mg-এর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে দুটি ইলেকট্রন থাকে এবং এটি সহজে ঐ দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Mg²⁺ আয়নে পরিণত হয়।
ইলেকট্রন ত্যাগ করে Mg নিজে জারিত হয় এবং অন্য পদার্থকে বিজারিত করে; তাই Mg একটি বিজারক।
পাত্র-B-তে 0.1 M Na₂CO₃ দ্রবণের আয়তন 400 mL বা 0.400 L; তাই দ্রবের পরিমাণ 0.040 mol।
Na₂CO₃-এর মোল সংখ্যা = MV
= 0.1×0.400
= 0.040 mol
সূত্র এককের সংখ্যা = 0.040×6.022×10²³
= 2.41×10²²
অতএব পাত্র-B-তে Na₂CO₃-এর প্রায় 2.41×10²²টি সূত্র একক আছে।
দ্রবণ দুটি মেশালে Na₂CO₃+2HCl → 2NaCl+H₂O+CO₂ বিক্রিয়ায় Na₂CO₃ লিমিটিং বিক্রিয়ক হবে।
পাত্র-A-তে HCl-এর মোল = 0.2×0.700 = 0.140 mol; পাত্র-B-তে Na₂CO₃-এর মোল = 0.1×0.400 = 0.040 mol।
0.040 mol Na₂CO₃-এর জন্য প্রয়োজনীয় HCl = 2×0.040 = 0.080 mol; কিন্তু HCl আছে 0.140 mol, অর্থাৎ HCl অতিরিক্ত এবং 0.060 mol অবশিষ্ট থাকবে।
অতএব স্টয়কিওমিতিক অনুপাতে আগে সম্পূর্ণ শেষ হওয়ায় Na₂CO₃ লিমিটিং বিক্রিয়ক এবং উৎপাদের পরিমাণ এটিই নির্ধারণ করবে।
(i) CaC₂(s)+2H₂O(l) → X(g)+Ca(OH)₂(aq)
(ii) X(g)+2H₂(g) → Y(g)
(ii)-এর শর্ত: Ni প্রভাবক ও তাপ
[X ও Y প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিডের H⁺ ও ক্ষারের OH⁻ যুক্ত হয়ে H₂O তৈরি করে এবং সংশ্লিষ্ট আয়নগুলো লবণ গঠন করে।
এতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন বা ইলেকট্রন স্থানান্তর ঘটে না; তাই প্রশমন বিক্রিয়া একটি নন-রেডক্স বিক্রিয়া।
উদ্দীপকে X=C₂H₂ বা ইথাইন এবং Y=C₂H₆ বা ইথেন; X-এর C≡C ত্রিবন্ধনের জন্য X, Y-এর তুলনায় অধিক সক্রিয়।
ইথাইনের ত্রিবন্ধনে একটি σ ও দুটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল π বন্ধন থাকে, কিন্তু ইথেনে শুধু শক্তিশালী σ একক বন্ধন থাকে; তাই X সহজে সংযোজন বিক্রিয়ায় অংশ নেয়।
যেমন CH≡CH+2Br₂ → CHBr₂−CHBr₂ বিক্রিয়ায় ইথাইন ব্রোমিনের বর্ণ দূর করে, কিন্তু ইথেন সাধারণ অবস্থায় তা করে না; অতএব X অধিক সক্রিয়।
X হলো ইথাইন; প্রথমে পানি সংযোজনে ইথান্যাল এবং পরে জারণের মাধ্যমে ফ্যাটি এসিড ইথানয়িক এসিড প্রস্তুত করা যায়।
20% H₂SO₄ ও 2% HgSO₄-এর উপস্থিতিতে 80°C তাপমাত্রায়
CH≡CH+H₂O → CH₃CHO
এ বিক্রিয়ায় প্রথমে উৎপন্ন এনল পুনর্বিন্যাসিত হয়ে ইথান্যাল হয়।
লঘু H₂SO₄ ও K₂Cr₂O₇ জারকের উপস্থিতিতে
CH₃CHO+[O] → CH₃COOH
ইথান্যাল জারিত হয়ে ইথানয়িক এসিড উৎপন্ন করে।
ইথানয়িক এসিডে −COOH কার্যকরী মূলক থাকায় এটি জৈব বা ফ্যাটি এসিড; সুতরাং ধারাটি X(C₂H₂) → CH₃CHO → CH₃COOH।
A, B ও D মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস যথাক্রমে 2,8,7; 2,8,1 এবং 2,4।
[A, B ও D প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
অ্যালকেন থেকে একটি H পরমাণু অপসারণ করলে CₙH₂ₙ₊₁− সাধারণ সংকেতের অ্যালকাইল মূলক সৃষ্টি হয়।
অপসারিত H-এর স্থানে মাত্র একটি মুক্ত যোজনী থাকে এবং এর মাধ্যমে অ্যালকাইল মূলক অন্য পরমাণু বা মূলকের সঙ্গে একটি বন্ধন গঠন করে; তাই এটি একযোজী মূলক।
উদ্দীপকের A-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,7; তাই এর তিনটি শক্তিস্তর এবং বহিঃস্থ স্তরে সাতটি ইলেকট্রন আছে।
তিনটি শক্তিস্তরের জন্য A তৃতীয় পর্যায়ে এবং সাতটি যোজ্যতা ইলেকট্রনের জন্য গ্রুপ-17 বা VIIA-তে অবস্থিত।
অতএব A হলো ক্লোরিন, Cl; পর্যায় সারণিতে এর অবস্থান তৃতীয় পর্যায়, গ্রুপ-17 এবং p-ব্লক।
উদ্দীপকে A=Cl, B=Na ও D=C; A-এর সঙ্গে গঠিত NaCl পানিতে দ্রবণীয়, কিন্তু CCl₄ পানিতে দ্রবণীয় নয়—তাই যৌগ দুটির উভয়টি দ্রবণীয় নয়।
Na একটি ইলেকট্রন Cl-কে দিয়ে Na⁺ ও Cl⁻ আয়ন গঠন করে; ফলে NaCl একটি আয়নিক ও পোলার যৌগ, যার আয়নগুলো পানির পোলার অণুর দ্বারা হাইড্রেটেড হয়।
C চারটি Cl-এর সঙ্গে ইলেকট্রন ভাগ করে সমযোজী CCl₄ গঠন করে; এর টেট্রাহেড্রাল প্রতিসাম্যের কারণে C−Cl বন্ধনের দ্বিমেরু পরস্পরকে নিষ্ক্রিয় করে অণুটি অপোলার হয় এবং পোলার পানির সঙ্গে যথেষ্ট আকর্ষণ তৈরি করতে পারে না।
অতএব সদৃশ সদৃশকে দ্রবীভূত করে নীতি অনুযায়ী আয়নিক NaCl পানিতে দ্রবীভূত হলেও অপোলার CCl₄ দ্রবীভূত হয় না; ফলে উভয় যৌগের দ্রাব্যতা এক নয়।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।