B একটি মৌল; এর একটি পরমাণুর ভর 1.992×10⁻²³ g এবং এতে সমসংখ্যক প্রোটন ও নিউট্রন আছে।
[B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
Cr-এর প্রত্যাশিত বিন্যাস [Ar]3d⁴4s² হলেও অর্ধপূর্ণ d⁵ উপশক্তিস্তর d⁴-এর চেয়ে বেশি স্থিতিশীল।
তাই 4s অরবিটালের একটি ইলেকট্রন 3d-তে স্থানান্তরিত হয়ে Cr-এর প্রকৃত বিন্যাস [Ar]3d⁵4s¹ হয়; অর্ধপূর্ণ পাঁচটি d-অরবিটালে সমমুখী একটি করে ইলেকট্রনের সমমিতি ও বিনিময় শক্তি এ বিন্যাসকে অধিক স্থিতিশীল করে।
B-এর একটি পরমাণুর ভর থেকে ভরসংখ্যা প্রায় 12 এবং প্রোটন-নিউট্রন সমান হওয়ায় এর পারমাণবিক সংখ্যা 6; অতএব B হলো কার্বন।
ভরসংখ্যা = (1.992×10⁻²³)÷(1.66×10⁻²⁴)
= 12
প্রোটন সংখ্যা = 12÷2 = 6
C-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 1s²2s²2p² বা 2,4; তাই এটি দ্বিতীয় পর্যায়, গ্রুপ-14 বা IVA এবং p-ব্লকে অবস্থিত।
B হলো কার্বন; এটি তড়িৎধনাত্মক ধাতুর সঙ্গে আয়নিক কার্বাইড এবং অধাতুর সঙ্গে সমযোজী যৌগ গঠন করতে পারে—তাই উক্তিটি যথার্থ।
ধাতব Ca দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Ca²⁺ এবং দুইটি C মিলে ঐ ইলেকট্রন গ্রহণ করে C₂²⁻ আয়ন গঠন করে; বিপরীত আয়নের আকর্ষণে Ca²⁺C₂²⁻ বা CaC₂ আয়নিক কার্বাইড তৈরি হয়।
অধাতব H-এর সঙ্গে কার্বন চার জোড়া ইলেকট্রন ভাগ করে CH₄ গঠন করে; এখানে চারটি C−H সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে C-এর অষ্টক ও প্রতিটি H-এর দ্বিত্ব পূর্ণ হয়।
অতএব ধাতুর সঙ্গে ইলেকট্রন স্থানান্তর এবং অধাতুর সঙ্গে ইলেকট্রন ভাগাভাগি—দুই ভিন্ন প্রক্রিয়ায় B যথাক্রমে আয়নিক ও সমযোজী যৌগ গঠন করে।
| মৌল | X | Y | Z |
|---|---|---|---|
| পারমাণবিক সংখ্যা | 14 | 8 | 11 |
[X, Y ও Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
আয়োডিন পর্যায় সারণির গ্রুপ-17-এর মৌল এবং এর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে সাতটি ইলেকট্রন আছে।
এটি ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন করে; হ্যালোজেন শব্দের অর্থ লবণ উৎপাদক বলে আয়োডিনকে হ্যালোজেন বলা হয়।
Y-এর পারমাণবিক সংখ্যা 8, তাই Y হলো O; Y₂ বা O₂ অণুতে দুটি O পরমাণু দুই জোড়া ইলেকট্রন ভাগ করে দ্বিবন্ধন গঠন করে।
প্রতিটি O-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 2,6 এবং অষ্টক পূরণে দুটি ইলেকট্রন প্রয়োজন; তাই উভয় O দুটি করে ইলেকট্রন ভাগ করে মোট দুইটি যৌথ ইলেকট্রন জোড় তৈরি করে।
ফলে O=O দ্বি-সমযোজী বন্ধন গঠিত হয় এবং প্রতিটি O-এর অষ্টক পূর্ণ হয়; সংযুক্ত ডায়াগ্রামে বন্ধন জোড় ও প্রতিটি O-এর দুইটি নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন জোড় দেখানো হয়েছে।
উদ্দীপকে Z=Na, Y=O এবং X=Si; তাই Z₂Y=Na₂O পানিতে দ্রবীভূত হয়ে বিক্রিয়া করে, কিন্তু XY₂=SiO₂ পানিতে অদ্রবণীয়।
Na₂O-তে Na⁺ ও O²⁻ আয়নের আয়নিক বন্ধন আছে; পানির পোলার অণু আয়নগুলোকে আকর্ষণ করে এবং Na₂O+H₂O → 2NaOH বিক্রিয়ায় দ্রবণীয় ক্ষার তৈরি হয়।
SiO₂-তে প্রতিটি Si ও O শক্তিশালী সমযোজী বন্ধনে যুক্ত হয়ে বিশাল ত্রিমাত্রিক জালক গঠন করে; পানি এ জালকের Si−O বন্ধন ভাঙতে বা অণুগুলোকে হাইড্রেট করতে পারে না।
অতএব পানিতে কার্যকরভাবে দ্রবণীয় যৌগটি Z₂Y বা Na₂O; XY₂ বা SiO₂-এর শক্ত সমযোজী জালকের জন্য তা অদ্রবণীয়।
(i) CaCO₃(s) → X(s)+Y(g)
শর্ত: তাপ
(ii) CH₄(g)+2O₂(g) ⇌ CO₂(g)+2H₂O(g); ΔH<0
[X ও Y প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
সবল এসিড ও সবল ক্ষার সম্পূর্ণ আয়নিত হওয়ায় তাদের প্রশমনের মূল আয়নিক বিক্রিয়া H⁺(aq)+OH⁻(aq) → H₂O(l)।
এক মোল H⁺ ও এক মোল OH⁻ থেকে এক মোল পানি গঠিত হলে 57.34 kJ তাপ নির্গত হয়; তাই বিক্রিয়াটি তাপোৎপাদী এবং ΔH=−57.34 kJ mol⁻¹।
(i)-তে CaCO₃ উত্তপ্ত হয়ে CaO ও CO₂ উৎপন্ন করে; উৎপন্ন Y গ্যাসটি স্বচ্ছ চুনের পানিকে দুধের মতো সাদা করে CO₂ হিসেবে শনাক্ত হয়।
প্রথমে CaCO₃ → CaO+CO₂
তারপর CO₂+Ca(OH)₂ → CaCO₃↓+H₂O
অদ্রবণীয় সাদা CaCO₃ অধঃক্ষেপের জন্য চুনের পানি ঘোলা হয়; অতিরিক্ত CO₂ প্রবাহে CaCO₃+CO₂+H₂O → Ca(HCO₃)₂ হয়ে ঘোলাভাব দূর হয়।
CH₄(g)+2O₂(g) ⇌ CO₂(g)+2H₂O(g); ΔH<0 একটি তাপোৎপাদী সাম্য বিক্রিয়া; নিম্ন তাপমাত্রা ও বিক্রিয়কের বেশি ঘনমাত্রা উৎপাদ গঠনের অনুকূল, কিন্তু চাপ পরিবর্তনে সাম্য সরবে না।
তাপ উৎপাদের পাশে থাকায় তাপমাত্রা বাড়ালে সাম্য তাপ শোষণকারী বাম দিকে সরে, আর তাপমাত্রা কমালে ডান দিকে সরে CO₂ ও H₂O-এর সাম্যফলন বাড়ায়।
উভয় পাশে গ্যাসীয় মোল সংখ্যা 3; তাই চাপ বাড়ানো বা কমানোতে দুই পাশ সমানভাবে প্রভাবিত হয় এবং সাম্যাবস্থার অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে।
CH₄ বা O₂-এর ঘনমাত্রা বাড়ালে কিংবা CO₂ বা H₂O অপসারণ করলে সাম্য ডান দিকে সরে; উৎপাদের ঘনমাত্রা বাড়ালে বা বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা কমালে সাম্য বাম দিকে সরে।
প্রকৃতিতে A মৌলের চারটি আইসোটোপের তথ্য:
| শতকরা প্রাচুর্য | ভরসংখ্যা |
|---|---|
| 94.99% | 32 |
| 0.75% | 33 |
| 4.25% | 34 |
| 0.01% | 36 |
A-এর প্রধান আইসোটোপে সমসংখ্যক প্রোটন ও নিউট্রন আছে।
[A প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন হয় না, তাকে নন-রেডক্স বিক্রিয়া বলে।
যেমন HCl+NaOH → NaCl+H₂O প্রশমন বিক্রিয়ায় H, Cl, Na ও O-এর জারণ সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে; তাই এটি নন-রেডক্স বিক্রিয়া।
A-এর চারটি আইসোটোপের ভরসংখ্যা ও শতকরা প্রাচুর্যের ভারিত গড়ই এর গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর।
গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর
= (32×94.99+33×0.75+34×4.25+36×0.01)÷100
= 3209.29÷100
= 32.0929 ≈ 32.09
অতএব A মৌলের গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 32.09।
A-এর প্রধান আইসোটোপের ভরসংখ্যা 32 এবং এতে প্রোটন ও নিউট্রন সমান বলে পারমাণবিক সংখ্যা 16; তাই A হলো S, যা ধাতুর সঙ্গে আয়নিক এবং অধাতুর সঙ্গে সমযোজী যৌগ গঠন করে।
Na প্রতিটি একটি করে ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং S দুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে; 2Na → 2Na⁺+2e⁻ ও S+2e⁻ → S²⁻ প্রক্রিয়ায় Na₂S-এর Na⁺ ও S²⁻-এর মধ্যে আয়নিক বন্ধন তৈরি হয়।
দুটি H পরমাণুর সঙ্গে S একটি করে ইলেকট্রন ভাগ করে H−S−H বা H₂S গঠন করে; এতে দুটি S−H সমযোজী বন্ধন বিদ্যমান।
অতএব A=S ধাতু Na-এর সঙ্গে ইলেকট্রন স্থানান্তরে Na₂S এবং অধাতু H-এর সঙ্গে ইলেকট্রন ভাগাভাগিতে H₂S গঠন করে; দাবিটি প্রমাণিত।
(i) 4Al+3O₂ → 2Al₂O₃
5 g Al প্রয়োজনীয় O₂-এর সঙ্গে বিক্রিয়া করে প্রকৃতপক্ষে 6.5 g Al₂O₃ উৎপন্ন করে।
(ii) একটি পাত্রে 0.1 M HNO₃-এর 200 mL দ্রবণ আছে।
CO₂-এর মোলার ভর 44 g mol⁻¹; তাই 5 g CO₂-এর মোল সংখ্যা 5÷44 mol।
অণুর সংখ্যা = (5÷44)×6.022×10²³
= 6.84×10²²
অতএব 5 g CO₂-এ প্রায় 6.84×10²²টি অণু আছে।
(i)-তে 5 g Al থেকে তাত্ত্বিকভাবে 9.44 g Al₂O₃ পাওয়ার কথা, কিন্তু প্রকৃত উৎপাদ 6.5 g; তাই শতকরা উৎপাদ 68.82%।
4Al+3O₂ → 2Al₂O₃ অনুযায়ী
108 g Al থেকে Al₂O₃ = 204 g
5 g Al থেকে তাত্ত্বিক Al₂O₃ = (204×5)÷108 = 9.44 g
শতকরা উৎপাদ = (প্রকৃত উৎপাদ÷তাত্ত্বিক উৎপাদ)×100
= (6.5÷9.44)×100
= 68.82%।
HNO₃+KOH → KNO₃+H₂O বিক্রিয়ায় মোল অনুপাত 1:1; প্রদত্ত পরিমাণে HNO₃ কম থাকায় এটিই লিমিটিং বিক্রিয়ক।
HNO₃-এর মোল = MV
= 0.1×(200÷1000)
= 0.020 mol
KOH-এর মোল = 5÷56
= 0.0893 mol
0.020 mol HNO₃-এর জন্য প্রয়োজন KOH = 0.020 mol, যা বিদ্যমান 0.0893 mol-এর চেয়ে কম।
অতএব HNO₃ সম্পূর্ণ শেষ হবে এবং KOH অতিরিক্ত থাকবে; তাই HNO₃ লিমিটিং বিক্রিয়ক।
(i) প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান
(ii) মৌমাছির কামড়ে শরীরে প্রবেশকারী জৈব এসিড
C₃H₆ অ্যালকিনের সাধারণ সংকেত CₙH₂ₙ মেনে চলে এবং এর গঠনে একটি C=C দ্বিবন্ধন আছে।
দ্বিবন্ধন ভেঙে এটি সহজে সংযোজন বিক্রিয়া করে তৈলাক্ত তরল উৎপন্ন করে; তেল উৎপাদক অর্থে অ্যালকিনকে অলিফিন বলা হয়।
উদ্দীপকের (i) যৌগটি CH₄; সূর্যালোকের উপস্থিতিতে Cl₂-এর সঙ্গে এটি মুক্তমূলকীয় প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ায় ধাপে ধাপে ক্লোরিনযুক্ত উৎপাদ তৈরি করে।
সূচনা: Cl₂ → 2Cl•
শৃঙ্খল বিস্তার: Cl•+CH₄ → HCl+CH₃•
CH₃•+Cl₂ → CH₃Cl+Cl•
অতিরিক্ত Cl₂-তে ক্রমান্বয়ে CH₃Cl → CH₂Cl₂ → CHCl₃ → CCl₄ হয়; মুক্তমূলকগুলো যুক্ত হয়ে Cl•+Cl• → Cl₂ বা CH₃•+Cl• → CH₃Cl ঘটলে শৃঙ্খল সমাপ্ত হয়।
(i) হলো CH₄ এবং মৌমাছির কামড়ের (ii) এসিডটি HCOOH; মিথেন থেকে ক্লোরোমিথেন, মিথানল ও মিথান্যাল হয়ে মিথানয়িক এসিড প্রস্তুত করা যায়।
সূর্যালোকে CH₄+Cl₂ → CH₃Cl+HCl
তারপর জলীয় ক্ষার দিয়ে CH₃Cl+NaOH → CH₃OH+NaCl।
নিয়ন্ত্রিত জারণে CH₃OH+[O] → HCHO+H₂O; এতে মিথানল থেকে মিথান্যাল তৈরি হয়।
পুনরায় জারণে HCHO+[O] → HCOOH; অতএব ধারাটি CH₄ → CH₃Cl → CH₃OH → HCHO → HCOOH এবং শেষ উৎপাদই মিথানয়িক বা ফর্মিক এসিড।
প্রথম যৌগে Ca=62.5% এবং C=37.5%; যৌগটির আণবিক ভর 64।
শেষোক্ত যৌগের সাধারণ সংকেত CₙH₂ₙ₋₂, যেখানে n=2।
কপার তুলনামূলক কম সক্রিয়, নমনীয়, চকচকে এবং ক্ষয়প্রতিরোধী ধাতু।
এটি সহজে পাত ও নির্দিষ্ট আকৃতিতে রূপ দেওয়া যায় এবং দীর্ঘদিন টেকসই থাকে বলে প্রাচীনকাল থেকে মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়; তাই কপারকে মুদ্রাধাতু বলা হয়।
প্রথম যৌগে Ca ও C-এর শতকরা সংযুতি থেকে সরলতম পরমাণু অনুপাত 1:2; তাই সংকেত CaC₂।
Ca-এর মোল = 62.5÷40 = 1.5625
C-এর মোল = 37.5÷12 = 3.125
অনুপাত = 1:2
CaC₂-এর সংকেত ভর = 40+2×12 = 64, যা প্রদত্ত আণবিক ভরের সমান; অতএব আণবিক সংকেত CaC₂।
শেষোক্ত যৌগের n=2 বসালে সংকেত C₂H₂ বা ইথাইন; পানি সংযোজনে ইথান্যাল এবং জারণে ইথানয়িক এসিড প্রস্তুত করা সম্ভব।
20% H₂SO₄ ও 2% HgSO₄-এর উপস্থিতিতে 80°C তাপমাত্রায়
CH≡CH+H₂O → CH₃CHO
অর্থাৎ ইথাইন থেকে ইথান্যাল উৎপন্ন হয়।
লঘু H₂SO₄ ও K₂Cr₂O₇-এর উপস্থিতিতে
CH₃CHO+[O] → CH₃COOH
ইথান্যাল জারিত হয়ে ইথানয়িক এসিড তৈরি করে।
অতএব শেষোক্ত C₂H₂ থেকে দুই ধাপে −COOH মূলকযুক্ত জৈব এসিড CH₃COOH প্রস্তুত করা যায়।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।