ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৬
১.

A ও B মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 20 ও 47।

[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উত্তর একই আণবিক সংকেত কিন্তু ভিন্ন গাঠনিক সংকেত ও ভিন্ন ধর্মবিশিষ্ট যৌগগুলোকে পরস্পরের সমাণু বলে।
উত্তর

এক মোল কোনো পদার্থ যে আয়তন দখল করে, তাকে মোলার আয়তন বলে; প্রমাণ তাপমাত্রা ও চাপে এক মোল গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 L।

SO₃-এর মোলার ভর = 32+3×16 = 80 g mol⁻¹; তাই STP-তে 80 g বা এক মোল SO₃(g)-এর আয়তন 22.4 L।

উত্তর

A-এর পারমাণবিক সংখ্যা 20 বলে A=Ca; এর 19তম ও 20তম ইলেকট্রন M বা তৃতীয় শক্তিস্তরের 3d-তে না গিয়ে N বা চতুর্থ শক্তিস্তরের 4s-এ প্রবেশ করে।

3d-এর জন্য n+l = 3+2 = 5
4s-এর জন্য n+l = 4+0 = 4
আউফবাউ নীতি অনুযায়ী কম n+l-যুক্ত অরবিটালের শক্তি কম এবং সেটি আগে পূর্ণ হয়।

তাই 4s-এর শক্তি 3d-এর চেয়ে কম হওয়ায় 19তম ও 20তম ইলেকট্রন 4s-এ বসে; Ca-এর বিন্যাস [Ar]4s²।

উত্তর

B-এর পারমাণবিক সংখ্যা 47 বলে B=Ag; এর প্রকৃত ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ আউফবাউ অনুমানের ব্যতিক্রম।

সাধারণ নিয়মে প্রত্যাশিত বিন্যাস [Kr]4d⁹5s², কারণ 5s পূর্ণ হওয়ার পর 4d-তে ইলেকট্রন বসার কথা।

কিন্তু 5s-এর একটি ইলেকট্রন 4d-তে গেলে 4d উপশক্তিস্তর পূর্ণ d¹⁰ হয়; পূর্ণ উপশক্তিস্তরের সমমিতি ও বিনিময় শক্তির কারণে [Kr]4d¹⁰5s¹ অধিক স্থিতিশীল।

অতএব B বা Ag-এর প্রকৃত বিন্যাস স্বাভাবিক নিয়মের সরল ফল নয়; পূর্ণ d¹⁰ স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য এটি ব্যতিক্রম দেখায়।

২.

A₈ একটি পদার্থের আণবিক সংকেত; এর একটি অণুর ভর 4.2496×10⁻²² g। B ও C মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 8 ও 12।

[A, B ও C প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উত্তর নিউক্লিয়াসের চারদিকে নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধ ও শক্তিসম্পন্ন যে বৃত্তাকার পথে ইলেকট্রন আবর্তন করে, তাকে অরবিট বলে।
উত্তর

Mg-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,2; তাই এর যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা 2।

স্থিতিশীল অষ্টক অর্জনে Mg বহিঃস্থ দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Mg²⁺ হয়, ফলে এর যোজনীও 2; তাই যোজনী ও যোজ্যতা ইলেকট্রন একই।

উত্তর

A₈-এর এক অণুর ভর 4.2496×10⁻²² g; তাই একটি A পরমাণুর ভর থেকে আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 32 পাওয়া যায়।

একটি A পরমাণুর ভর = (4.2496×10⁻²²)÷8
= 5.312×10⁻²³ g
আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = (5.312×10⁻²³)÷(1.66×10⁻²⁴)

= 32
অতএব A-এর আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 32 এবং A হলো সালফার।

উত্তর

A=S, B=O ও C=Mg; CA=MgS-এ অষ্টক নিয়ম মানা হয়, কিন্তু AB₂=SO₂-এ কেন্দ্রীয় S-এর প্রসারিত অষ্টক ঘটে—তাই AB₂ ব্যতিক্রম।

Mg দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Mg²⁺ এবং S দুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে S²⁻ হয়; উভয়ের বহিঃস্থ স্তরে আটটি ইলেকট্রন পূর্ণ হয়ে MgS গঠিত হয়।

SO₂-এর স্থিতিশীল Lewis গঠনে S কেন্দ্রীয় পরমাণু হয়ে O=S=O বন্ধন ও একটি নিঃসঙ্গ জোড় ধারণ করতে পারে; তখন S-এর চারপাশে আটের বেশি ইলেকট্রন থাকে।

তৃতীয় পর্যায়ের S খালি d-অরবিটালের সহায়তায় প্রসারিত যোজ্যতা স্তর দেখাতে পারে; অতএব অষ্টক নিয়মের ব্যতিক্রম AB₂ বা SO₂-তে ঘটে।

৩.

(i) CO₂+4H₂ → A+2H₂O

শর্ত: Ni প্রভাবক, 250°C

(ii) CH₃CH₂OH → B+H₂O

শর্ত: গাঢ় H₂SO₄ ও তাপ

[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উত্তর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে ভরসংখ্যা বলে।
উত্তর

ক্লোরিন পর্যায় সারণির গ্রুপ-17-এর মৌল এবং এর বহিঃস্থ শক্তিস্তরে সাতটি ইলেকট্রন আছে।

এটি ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে ক্লোরাইড লবণ উৎপন্ন করে; হ্যালোজেন শব্দের অর্থ লবণ উৎপাদক বলে ক্লোরিনকে হ্যালোজেন বলা হয়।

উত্তর

দ্বিতীয় বিক্রিয়ায় ইথানলের নিরুদনে B=C₂H₄ বা ইথিন উৎপন্ন হয়; ব্রোমিন দ্রবণের বর্ণ অপসারণ পরীক্ষা দিয়ে এর অসম্পৃক্ততা প্রমাণ করা যায়।

ইথিনের মধ্যে লালচে-বাদামি ব্রোমিন দ্রবণ যোগ করলে
CH₂=CH₂+Br₂ → CH₂Br−CH₂Br
বর্ণহীন 1,2-ডাইব্রোমোইথেন তৈরি হয়।

C=C দ্বিবন্ধনের π বন্ধন ভেঙে Br₂ সংযোজিত হওয়ায় ব্রোমিনের বর্ণ বিলুপ্ত হয়; তাই B-তে অসম্পৃক্ততা আছে।

উত্তর

প্রথম বিক্রিয়ায় A=CH₄ এবং দ্বিতীয়টিতে B=C₂H₄; B থেকে ইথানল, ইথানয়িক এসিড ও সোডিয়াম ইথানোয়েট হয়ে A প্রস্তুত করা সম্ভব।

H₃PO₄ প্রভাবকে 300°C ও 60 atm চাপে
CH₂=CH₂+H₂O → CH₃CH₂OH
তারপর CH₃CH₂OH+2[O] → CH₃COOH+H₂O।

CH₃COOH+NaOH → CH₃COONa+H₂O; এতে সোডিয়াম ইথানোয়েট তৈরি হয়।

সোডালাইমের উপস্থিতিতে CH₃COONa+NaOH → CH₄+Na₂CO₃; ডিকার্বক্সিলেশনে এক কার্বন কমে A বা মিথেন পাওয়া যায়।

৪.

(i) N₂O₄(g)+তাপ ⇌ 2NO₂(g)

(ii) 2FeCl₃+H₂S → 2FeCl₂+2HCl+S

উত্তর অপোলার অণুগুলোর মধ্যে অস্থায়ী দ্বিমেরুর কারণে সৃষ্ট দুর্বল আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলকে ভ্যান্ডার ওয়ালস আকর্ষণ বল বলে।
উত্তর

যে বিক্রিয়ায় কোনো যৌগ পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করে ভিন্ন ভিন্ন নতুন যৌগে পরিণত হয়, তাকে আর্দ্র বিশ্লেষণ বা হাইড্রোলাইসিস বিক্রিয়া বলে।

যেমন MgCl₂+H₂O → Mg(OH)Cl+HCl বিক্রিয়ায় পানি MgCl₂-কে বেসিক লবণ ও এসিডে রূপান্তর করে।

উত্তর

(ii)-তে H₂S বিজারক পদার্থ, কারণ এটি FeCl₃-এর Fe³⁺-কে Fe²⁺-তে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

H₂S-এ S-এর জারণ সংখ্যা −2 থেকে মৌলিক S-এ 0 হয়; তাই H₂S ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয়।

অন্যদিকে FeCl₃-এর Fe-এর +3 থেকে FeCl₂-তে +2 হয়; Fe³⁺ ইলেকট্রন গ্রহণ করে বলে তাকে বিজারিতকারী H₂S-ই বিজারক।

উত্তর

(i) N₂O₄(g)+তাপ ⇌ 2NO₂(g) একটি তাপগ্রাহী সাম্য বিক্রিয়া; উৎপাদ NO₂ বাড়াতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, চাপ হ্রাস এবং N₂O₄ বৃদ্ধি বা NO₂ অপসারণ করতে হবে।

তাপ বিক্রিয়কের পাশে থাকায় তাপমাত্রা বাড়ালে সাম্য যোগ করা তাপ শোষণের জন্য ডান দিকে সরে এবং NO₂-এর পরিমাণ বাড়ায়।

বাম পাশে 1 মোল ও ডান পাশে 2 মোল গ্যাস; চাপ কমালে সাম্য বেশি গ্যাসীয় মোলের ডান দিকে সরে, আর চাপ বাড়ালে বাম দিকে সরে N₂O₄ বাড়ায়।

N₂O₄-এর ঘনমাত্রা বাড়ানো বা উৎপন্ন NO₂ ক্রমাগত অপসারণ করলেও সাম্য ডান দিকে সরে; অতএব উচ্চ তাপমাত্রা, নিম্ন চাপ ও উৎপাদ অপসারণ সর্বাধিক NO₂-এর অনুকূল।

৫.

30.6 g MgCO₃-এর সঙ্গে 29.2 g HCl-এর বিক্রিয়ায় লবণ, পানি ও B(g) উৎপন্ন হলো।

[B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উত্তর ফরমালডিহাইড বা মিথান্যালের 40% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
উত্তর

ইথিনের C=C দ্বিবন্ধন সহজে ভেঙে সংযোজন বিক্রিয়ায় তৈলাক্ত তরল তৈরি করে; তেল উৎপাদক অর্থে একে অলিফিন বলা হয়।

যেমন CH₂=CH₂+Br₂ → CH₂Br−CH₂Br বিক্রিয়ায় ইথিন 1,2-ডাইব্রোমোইথেন নামের তৈলাক্ত তরল উৎপন্ন করে।

উত্তর

উদ্দীপকের B হলো CO₂; এটি চুনের পানিতে চালনা করলে প্রথমে সাদা CaCO₃ অধঃক্ষেপ তৈরি হয়ে দ্রবণ দুধের মতো ঘোলা হয়।

CO₂+Ca(OH)₂ → CaCO₃↓+H₂O
অদ্রবণীয় CaCO₃-এর জন্য ঘোলাভাব সৃষ্টি হয়।

অতিরিক্ত CO₂ চালালে CaCO₃+CO₂+H₂O → Ca(HCO₃)₂; দ্রবণীয় ক্যালসিয়াম বাইকার্বোনেট তৈরি হওয়ায় ঘোলাভাব দূর হয়।

উত্তর

MgCO₃+2HCl → MgCl₂+H₂O+CO₂ বিক্রিয়ায় MgCO₃ লিমিটিং বিক্রিয়ক; তাই সর্বোচ্চ B বা CO₂-এর ভর 16.03 g।

MgCO₃-এর মোল = 30.6÷84
= 0.3643 mol
HCl-এর মোল = 29.2÷36.5
= 0.800 mol

0.3643 mol MgCO₃-এর জন্য HCl প্রয়োজন = 2×0.3643 = 0.7286 mol; বিদ্যমান HCl 0.800 mol বলে HCl অতিরিক্ত এবং MgCO₃ সম্পূর্ণ শেষ হবে।

CO₂-এর মোল = 0.3643 mol
সর্বোচ্চ ভর = 0.3643×44
= 16.03 g
অতএব সর্বোচ্চ 16.03 g B উৎপন্ন হবে।

৬.
মৌল A B C
প্রোটন সংখ্যা 12 20 29

[A, B ও C প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উদ্দীপকের ছবি
উত্তর রাসায়নিক বিক্রিয়ার সমতাযুক্ত সমীকরণের সাহায্যে বিক্রিয়ক ও উৎপাদের পরিমাণগত সম্পর্ক নির্ণয়ের পদ্ধতিকে স্টয়কিওমিতি বলে।
উত্তর

পরমাণুর প্রোটন ও নিউট্রন নিউক্লিয়াসে থাকে এবং প্রতিটির ভর ইলেকট্রনের ভরের প্রায় 1836 গুণ।

ইলেকট্রনের ভর তুলনামূলকভাবে নগণ্য বলে পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর অতি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত থাকে।

উত্তর

C-এর প্রোটন সংখ্যা 29, তাই C=Cu; এর ইলেকট্রন বিন্যাস [Ar]3d¹⁰4s¹।

সর্বোচ্চ প্রধান শক্তিস্তর n=4 বলে Cu চতুর্থ পর্যায়ে এবং (n−1)d ও ns ইলেকট্রনের যোগফল 10+1=11 বলে গ্রুপ-11-তে অবস্থিত।

অতএব C বা Cu-এর অবস্থান চতুর্থ পর্যায়, গ্রুপ-11 এবং d-ব্লক।

উত্তর

A-এর প্রোটন সংখ্যা 12 বলে A=Mg এবং B-এর 20 বলে B=Ca; উভয়ই গ্রুপ-2-এর মৃৎক্ষার ধাতু বলে একই ধরনের ধর্ম ও বিক্রিয়া প্রদর্শন করে।

উভয়ের বহিঃস্থ বিন্যাস ns²; তারা দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে যথাক্রমে Mg²⁺ ও Ca²⁺ গঠন করে এবং তাদের অক্সাইড ও হাইড্রোক্সাইড ক্ষারধর্মী।

লঘু HCl-এ পৃথক নমুনা দিলে উভয় ক্ষেত্রেই H₂ গ্যাস নির্গত হয়: Mg+2HCl → MgCl₂+H₂ এবং Ca+2HCl → CaCl₂+H₂।

দুটি উৎপন্ন গ্যাসেই জ্বলন্ত কাঠি ধরালে ‘পপ’ শব্দে জ্বলে, যা H₂-এর পরীক্ষা; তাই A ও B-এর একই যোজনী, লবণ গঠন ও এসিডের সঙ্গে সদৃশ বিক্রিয়া পরীক্ষায় প্রমাণিত।

৭.

A=CH₃COONa

CH₃COONa+NaOH → B+Na₂CO₃

শর্ত: CaO ও তাপ

[A ও B প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]

উত্তর রেক্টিফাইড স্পিরিটে সামান্য মিথানল যোগ করে যে বিষাক্ত ইথানল তৈরি করা হয়, তাকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে।
উত্তর

সাইক্লোপ্রোপিনে তিনটি C পরমাণু বলয় গঠন করে বলে এটি বন্ধ শিকল এবং এতে একটি C=C দ্বিবন্ধন আছে।

দ্বিবন্ধনের উপস্থিতিতে এর সংকেত C₃H₄ এবং এটি সংযোজন বিক্রিয়া করে; তাই সাইক্লোপ্রোপিন অসম্পৃক্ত বন্ধ শিকল হাইড্রোকার্বন।

উত্তর

A হলো CH₃COONa; এর মোলার ভর = 2×12+3×1+2×16+23 = 82 g mol⁻¹।

C = (24÷82)×100 = 29.27%
H = (3÷82)×100 = 3.66%
O = (32÷82)×100 = 39.02%

Na = (23÷82)×100 = 28.05%
অতএব A-তে C, H, O ও Na যথাক্রমে 29.27%, 3.66%, 39.02% ও 28.05%।

উত্তর

উদ্দীপকের বিক্রিয়ায় B=CH₄; সূর্যালোকে পর্যায়ক্রমিক ক্লোরিন প্রতিস্থাপনে CCl₄ এবং ক্লোরোমিথেন-মিথানল পথ ধরে জারণে HCHO—উভয়ই প্রস্তুত সম্ভব।

অতিরিক্ত Cl₂ ও সূর্যালোকে ধাপে ধাপে CH₄ → CH₃Cl → CH₂Cl₂ → CHCl₃ → CCl₄; সামগ্রিকভাবে CH₄+4Cl₂ → CCl₄+4HCl।

মিথান্যালের জন্য প্রথমে CH₄+Cl₂ → CH₃Cl+HCl এবং তারপর জলীয় ক্ষারে CH₃Cl+NaOH → CH₃OH+NaCl।

নিয়ন্ত্রিত জারণে CH₃OH+[O] → HCHO+H₂O; অতএব B থেকে প্রতিস্থাপনে টেট্রাক্লোরোমিথেন এবং আংশিক প্রতিস্থাপন, হাইড্রোলাইসিস ও জারণে মিথান্যাল প্রস্তুত করা যায়।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।