A, D ও E মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 15, 17 ও 29।
[A, D ও E প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
ক্যালসিয়াম পর্যায় সারণির গ্রুপ-2-এর ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতু।
এটি প্রকৃতিতে মাটির বিভিন্ন খনিজে যৌগরূপে পাওয়া যায় এবং এর অক্সাইড CaO ক্ষারধর্মী; তাই ক্যালসিয়ামকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
উদ্দীপকের E-এর পারমাণবিক সংখ্যা 29, তাই E=Cu; এর প্রকৃত ইলেকট্রন বিন্যাস [Ar]3d¹⁰4s¹।
আউফবাউ নীতি অনুসারে প্রত্যাশিত বিন্যাস [Ar]3d⁹4s² হলেও 4s-এর একটি ইলেকট্রন 3d উপশক্তিস্তরে গেলে পূর্ণ d¹⁰ অবস্থা তৈরি হয়।
পূর্ণ d¹⁰ উপশক্তিস্তরের অতিরিক্ত স্থিতিশীলতার জন্য Cu প্রত্যাশিত বিন্যাস থেকে ব্যতিক্রম দেখায়।
উদ্দীপকে A=P ও D=Cl; PCl₃ অষ্টক নিয়ম মেনে গঠিত হলেও PCl₅-এ P-এর প্রসারিত অষ্টক হয়, তাই উভয় যৌগ অষ্টক নিয়ম মানে না।
P-এর বহিঃস্থ স্তরে 5টি এবং Cl-এর 7টি ইলেকট্রন থাকে; সমযোজী বন্ধনে প্রতিটি Cl একটি করে ইলেকট্রন ভাগ করে।
PCl₃-এ P তিনটি P−Cl বন্ধন ও একটি নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন জোড়সহ মোট 8টি ইলেকট্রন দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে; প্রত্যেক Cl-ও অষ্টক পূর্ণ করে।
PCl₅-এ P পাঁচটি P−Cl বন্ধনের ফলে 10টি ইলেকট্রন দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়; তাই AD₃ বা PCl₃ অষ্টক মানলেও AD₅ বা PCl₅ কেন্দ্রীয় পরমাণুর ক্ষেত্রে অষ্টক নিয়মের ব্যতিক্রম।
পাত্র-১: 25 mL ডেসিমোলার Na₂CO₃ দ্রবণ।
পাত্র-২: 200 mL 0.4 M HCl দ্রবণে 3 g Mg যোগ করা হলো।
পটাশিয়ামের 19তম ইলেকট্রনটি 4s উপশক্তিস্তরে প্রবেশ করে।
আউফবাউ নীতি অনুযায়ী 3p-এর পরে 4s-এর শক্তি 3d-এর চেয়ে কম; তাই K-এর ইলেকট্রন বিন্যাস 1s²2s²2p⁶3s²3p⁶4s¹।
পাত্র-১-এর দ্রবণে Na₂CO₃-এর দ্রব্যের পরিমাণ 0.0025 mol।
ডেসিমোলার দ্রবণের ঘনমাত্রা = 0.1 mol L⁻¹
+আয়তন = 25 mL = 0.025 L
+=> Na₂CO₃-এর মোল = 0.1×0.025
+=> Na₂CO₃-এর মোল = 0.0025 mol
Na₂CO₃-এর মোলার ভর 106 g mol⁻¹ হলে দ্রবীভূত ভর = 0.0025×106 = 0.265 g; অতএব নির্ণীত দ্রব্যের পরিমাণ 2.5×10⁻³ mol।
পাত্র-২-এ HCl সীমাবদ্ধ বিক্রিয়ক; সর্বোচ্চ 3.8 g MgCl₂ উৎপন্ন হবে, তাই 4 g লবণ উৎপাদন সম্ভব নয়।
HCl-এর মোল = 0.4×0.200
+=> HCl-এর মোল = 0.080 mol
+Mg-এর মোল = 3÷24 = 0.125 mol
Mg+2HCl → MgCl₂+H₂ অনুযায়ী 2 mol HCl থেকে 1 mol MgCl₂ হয়
+=> MgCl₂-এর মোল = 0.080÷2 = 0.040 mol
+MgCl₂-এর মোলার ভর = 24+2×35.5 = 95 g mol⁻¹
MgCl₂-এর সর্বোচ্চ ভর = 0.040×95 = 3.8 g; এটি 4 g-এর কম, তাই প্রদত্ত বিক্রিয়ক থেকে 4 g লবণ পাওয়া অসম্ভব।
(i) N₂(g)+O₂(g) ⇌ 2NO(g); ΔH=+180 kJ
(ii) 2Na+2HNO₃ → 2NaNO₃+H₂
একটি পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যা ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে।
প্রতিটি প্রোটনের +1 এবং প্রতিটি ইলেকট্রনের −1 আধান পরস্পরকে প্রশমিত করে, আর নিউট্রন আধানহীন; তাই পরমাণুর নিট আধান শূন্য।
উদ্দীপকের (i) বিক্রিয়াটি তাপগ্রাহী; তাপমাত্রা বাড়ালে সাম্য ডান দিকে সরে NO-এর উৎপাদ বাড়ে।
N₂(g)+O₂(g) ⇌ 2NO(g); ΔH=+180 kJ বিক্রিয়ায় তাপ বিক্রিয়কের মতো কাজ করে এবং সাম্যাবস্থায় সম্মুখমুখী ও পশ্চাৎমুখী বিক্রিয়ার হার সমান থাকে।
লা-শাতেলিয়ারের নীতি অনুযায়ী তাপ বাড়ালে ব্যবস্থা অতিরিক্ত তাপ শোষণের জন্য তাপগ্রাহী সম্মুখমুখী বিক্রিয়াকে অনুকূল করে; তাপমাত্রা কমালে সাম্য বাম দিকে সরে।
উদ্দীপকের (ii) বিক্রিয়ায় Na জারিত এবং H⁺ বিজারিত হয়; তাই জারণ ও বিজারণ একই সঙ্গে ঘটে।
2Na+2HNO₃ → 2NaNO₃+H₂ বিক্রিয়ায় মৌলিক Na-এর জারণ সংখ্যা 0 থেকে NaNO₃-এ +1 হয়; প্রতিটি Na একটি করে ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
HNO₃-এর H-এর জারণ সংখ্যা +1 থেকে H₂-তে 0 হয়; দুটি H⁺ মোট দুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে H₂ গঠন করে।
ইলেকট্রন ত্যাগ ও গ্রহণ যুগপৎ এবং মোট ইলেকট্রন সংখ্যা সমান হওয়ায় এটি একটি রেডক্স বিক্রিয়া।
³⁹X, ⁴⁰X, ₁₂Q ও ₈R
প্রকৃতিতে ³⁹X ও ⁴⁰X-এর প্রাচুর্য যথাক্রমে 90% ও 10%।
[X, Q ও R প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
লিথিয়ামের তুলনায় পটাশিয়ামের পরমাণুর আকার বড় এবং বহিঃস্থ ইলেকট্রনের ওপর নিউক্লীয় আকর্ষণ কম।
তাই K তার 4s¹ ইলেকট্রন Li-এর 2s¹ ইলেকট্রনের চেয়ে সহজে ত্যাগ করে K⁺ গঠন করতে পারে; ফলে পটাশিয়াম অধিক সক্রিয়।
উদ্দীপকের X-এর গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর 39.1।
³⁹X-এর প্রাচুর্য = 90%
+⁴⁰X-এর প্রাচুর্য = 10%
+=> গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = (39×90+40×10)÷100
=> গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = (3510+400)÷100
+=> গড় আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর = 39.1
উদ্দীপকে Q=Mg ও R=O; উভয়েই স্থিতিশীল Ne-এর বিন্যাস অর্জন করে, তবে Q ইলেকট্রন ত্যাগ এবং R ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
Mg-এর বিন্যাস 2,8,2; বহিঃস্থ দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করলে Mg²⁺-এর বিন্যাস 2,8 হয়, যা নিকটবর্তী নিষ্ক্রিয় গ্যাস Ne-এর মতো।
O-এর বিন্যাস 2,6; দুটি ইলেকট্রন গ্রহণ করলে O²⁻-এর বিন্যাসও 2,8 হয় এবং অষ্টক পূর্ণ হয়।
Mg-এর জন্য 2টি ইলেকট্রন ত্যাগ করা 6টি গ্রহণের চেয়ে সহজ, আর O-এর জন্য 2টি গ্রহণ করা 6টি ত্যাগের চেয়ে সহজ; তাই তাদের স্থিতিশীলতা অর্জনের প্রক্রিয়া বিপরীত।
| মৌল | পর্যায় | গ্রুপ |
|---|---|---|
| X | 3 | 2 |
| Y | 3 | 17 |
| Z | 2 | 14 |
[X, Y ও Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
নিয়নের বহিঃস্থ শক্তিস্তরে আটটি ইলেকট্রন থাকায় এর ইলেকট্রন বিন্যাস স্থিতিশীল।
এ কারণে Ne-এর ইলেকট্রন গ্রহণ, ত্যাগ বা ভাগ করার প্রবণতা নেই; স্বাভাবিক অবস্থায় তাই এটি যৌগ গঠন করে না।
উদ্দীপকে Y=Cl ও Z=C; তাদের গঠিত CCl₄-এ ইলেকট্রন ভাগাভাগির মাধ্যমে সমযোজী বন্ধন সৃষ্টি হয়।
C-এর বিন্যাস 2,4 এবং Cl-এর 2,8,7; একটি C চারটি Cl-এর সঙ্গে চার জোড়া ইলেকট্রন ভাগ করে চারটি C−Cl একক বন্ধন গঠন করে।
ফলে C ও প্রতিটি Cl-এর বহিঃস্থ স্তরে আটটি ইলেকট্রন পূর্ণ হয় এবং নিরপেক্ষ CCl₄ অণু গঠিত হয়।
উদ্দীপকে X=Mg ও Y=Cl; MgCl₂-এর জলীয় দ্রবণ বিদ্যুৎ পরিবহন করবে—উক্তিটি সঠিক।
Mg দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Mg²⁺ এবং দুটি Cl একটি করে ইলেকট্রন নিয়ে 2Cl⁻ গঠন করে; বিপরীত আধানের আকর্ষণে আয়নিক MgCl₂ তৈরি হয়।
পানিতে দ্রবীভূত হলে MgCl₂(aq) → Mg²⁺(aq)+2Cl⁻(aq); আয়নগুলো জলীয় দ্রবণে স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারে।
বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগে Mg²⁺ ক্যাথোড এবং Cl⁻ অ্যানোডের দিকে গমন করে আধান বহন করে; তাই X ও Y-এর যৌগের জলীয় দ্রবণ তড়িৎ পরিবাহী।
(i) CH₃COONa+NaOH → Z+Na₂CO₃
শর্ত: CaO ও তাপ
(ii) CH₃−CH₂−CH₂−OH → Y+H₂O
শর্ত: গাঢ় H₂SO₄ ও তাপ
[Y ও Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
ইথান্যাল ও প্রোপান্যাল উভয়ের একই কার্যকরী মূলক −CHO এবং সাধারণ সংকেত CₙH₂ₙ₊₁CHO।
তাদের রাসায়নিক ধর্ম একই এবং আণবিক সংকেতের পার্থক্য একটি −CH₂− একক; তাই তারা একই অ্যালডিহাইড সমগোত্রীয় শ্রেণির পরপর দুই সদস্য।
উদ্দীপকের (i) বিক্রিয়ায় Z=CH₄; সূর্যালোকে অতিরিক্ত Cl₂ দিয়ে সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপনে CCl₄ প্রস্তুত হয়।
CaO ও তাপে CH₃COONa+NaOH → CH₄+Na₂CO₃
+অতএব Z হলো মিথেন।
সূর্যালোকের উপস্থিতিতে CH₄+4Cl₂ → CCl₄+4HCl; মিথেনের চারটি H পর্যায়ক্রমে Cl দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে কার্বন টেট্রাক্লোরাইড উৎপন্ন করে।
উদ্দীপকের (ii) বিক্রিয়ায় Y=প্রোপিন; উপযুক্ত দুটি পথে এটি থেকে প্রোপান-1-অল ও প্রোপান-2-অল প্রস্তুত করা সম্ভব।
গাঢ় H₂SO₄ ও তাপে CH₃CH₂CH₂OH → CH₃CH=CH₂+H₂O
+অতএব Y হলো প্রোপিন।
পার-অক্সাইডের উপস্থিতিতে CH₃CH=CH₂+HBr → CH₃CH₂CH₂Br এবং জলীয় NaOH দিয়ে CH₃CH₂CH₂Br+NaOH → CH₃CH₂CH₂OH+NaBr; এতে প্রোপান-1-অল হয়।
অন্যদিকে H₃PO₄ প্রভাবকে উচ্চ তাপ ও চাপে CH₃CH=CH₂+H₂O → CH₃CH(OH)CH₃; এতে প্রোপান-2-অল তৈরি হয়, তাই Y থেকে দুই ধরনের অ্যালকোহল প্রস্তুত সম্ভব।
পর্যায় সারণির খণ্ডিত অংশে তৃতীয় পর্যায়ে Q, Mg, তারপর বিরতির পরে X, R ও Y ধারাবাহিকভাবে আছে। Y-এর ঠিক ওপরে F এবং নিচে Z অবস্থিত।
[X, Q, R, Y ও Z প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত]
H ও He একই পর্যায়ের মৌল হলেও He-এর নিউক্লীয় আধান H-এর চেয়ে বেশি।
উভয়ের ইলেকট্রন প্রথম শক্তিস্তরে থাকায় আড়ালকারী প্রভাব প্রায় একই, কিন্তু He-এর দুই প্রোটনের অধিক আকর্ষণে ইলেকট্রন মেঘ বেশি সংকুচিত হয়; তাই He আকারে ছোট।
উদ্দীপকে X=P, R=S ও Y=Cl; তাদের তড়িৎঋণাত্মকতার ক্রম P<S<Cl বা X<R<Y।
তিনটিই তৃতীয় পর্যায়ের মৌল এবং বাম থেকে ডানে গেলে কার্যকর নিউক্লীয় আধান বাড়ে, কিন্তু প্রধান শক্তিস্তর একই থাকে।
ফলে পরমাণুর ব্যাসার্ধ কমে এবং বন্ধন ইলেকট্রন আকর্ষণের ক্ষমতা বাড়ে; তাই X থেকে R হয়ে Y-এর দিকে তড়িৎঋণাত্মকতা বৃদ্ধি পায়।
উদ্দীপকের F, Y=Cl ও Z=Br একই গ্রুপ-17-এর মৌল; বহিঃস্থ বিন্যাস একই ধরনের হওয়ায় তারা একই মৌলিক রাসায়নিক ধর্ম প্রদর্শন করে—উক্তিটি যথার্থ।
F, Cl ও Br-এর বহিঃস্থ স্তরে সাতটি করে ইলেকট্রন থাকে; প্রত্যেকে একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে যথাক্রমে F⁻, Cl⁻ ও Br⁻ গঠন করে এবং ধাতুর সঙ্গে লবণ উৎপন্ন করে।
তারা দ্বি-পরমাণুক F₂, Cl₂ ও Br₂ অণুরূপে থাকে এবং H-এর সঙ্গে HF, HCl ও HBr গঠন করে; তবে গ্রুপে নিচে ব্যাসার্ধ বাড়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ ও জারক ক্ষমতা কমে।
অতএব যোজনী, আয়ন গঠন ও যৌগের ধরনে তাদের সাদৃশ্য একই গ্রুপের সাধারণ ধর্ম প্রমাণ করে, আর সক্রিয়তার মাত্রাগত পার্থক্য পর্যায়বৃত্ত প্রবণতার ফল।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।