রাজশাহী বোর্ড ২০২৬
১. উদ্দীপকটি পড়ো এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
উদ্দীপকের ছবি
উত্তর ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কোনো কল্পিত ব্যাস ভূকেন্দ্র ভেদ করে অপরদিকে ভূপৃষ্ঠকে যে বিন্দুতে স্পর্শ করে সেই বিন্দুকে প্রথম বিন্দুটির প্রতিপাদ স্থান বলে।
উত্তর সূর্য প্রতিদিন ঠিক একই বিন্দু থেকে উদিত হয় না। পৃথিবী তার নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে থেকে সূর্যকে উপবৃত্তাকার পথে প্রদক্ষিণ করে। এর ফলে আকাশে সূর্যের আপাত গতিপথ পরিবর্তিত হয় এবং বছরের ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সূর্য পূর্ব দিকের কিছুটা 'উত্তর বা দক্ষিণ থেকে উদিত হতে দেখা যায়।
উত্তর

চিত্রের 'A' দ্বারা ধূমকেতু নির্দেশ করা হয়েছে। ধূমকেতু হলো বরফ, জমাট গ্যাস, শিলা ও ধূলিকণায় গঠিত সৌরজগতের একটি ক্ষুদ্র জ্যোতিষ্ক, যা সূর্যকে অত্যন্ত দীর্ঘ উপবৃত্তাকার কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে।

ধূমকেতু সূর্যের কাছে এলে তাপে এর বরফ ও গ্যাস বাষ্পীভূত হয়ে উজ্জ্বল মস্তক এবং দীর্ঘ লেজ সৃষ্টি করে। সৌরবায়ুর কারণে লেজটি সবসময় সূর্যের বিপরীত দিকে বিস্তৃত থাকে। চিত্রে 'A'-এর উজ্জ্বল মস্তক ও লেজ এই বৈশিষ্ট্যই প্রকাশ করছে।

উত্তর

চিত্রের 'B' ও 'C' যথাক্রমে বুধ ও বৃহস্পতি গ্রহকে নির্দেশ করে। এদের বৈশিষ্ট্য একই নয়।

বুধ সূর্যের নিকটতম ও সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম পাথুরে গ্রহ। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ৫.৮ কোটি কিলোমিটার এবং এটি প্রায় ৮৮ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। এর উল্লেখযোগ্য বায়ুমণ্ডল ও কোনো উপগ্রহ নেই; তাই দিন ও রাতের তাপমাত্রায় বড় পার্থক্য দেখা যায়।

অন্যদিকে বৃহস্পতি সূর্য থেকে পঞ্চম এবং সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। এটি প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসে গঠিত, প্রায় ১২ বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং এর বহু উপগ্রহ ও বলয় আছে। অতএব আকার, গঠন, অবস্থান, আবর্তনকাল ও উপগ্রহের দিক থেকে B ও C সম্পূর্ণ ভিন্ন।

২.

দৃশ্যকল্প-১: আজমল নদী এলাকার বাসিন্দা। প্রতি বছর তার এলাকার বহু ঘরবাড়ি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে নদীগর্ভে চলে যায়।

দৃশ্যকল্প-২: তুলি ও মলি দুই বন্ধু। তুলির বসবাসরত গ্রামটিতে প্রতিবছর কৃষি জমিগুলো শুকিয়ে যায়। অপরদিকে মলির গ্রামটি প্রতিবছর প্লাবিত হয়।

উত্তর কি দুর্যোগ হলো এমন একটি আকস্মিক প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা যা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, সমাজ, সম্পদ এবং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে।
উত্তর বাংলাদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানে সারা বছর তাপমাত্রা বেশি থাকে। এর দক্ষিণে ভারত মহাসাগরের একটি অংশ বঙ্গোপসাগর রয়েছে, যা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য প্রধান ভূমিকা হিসেবে কাজ করে। এছাড়া বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন গভীর নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে, যা বারবার প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে আঘাত হানছে।
উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ আজমলের এলাকায় ঘটা দুর্যোগটি হলো নদী ভাঙন। উক্ত নদী ভাঙন যেসব কারণে ঘটে তা ব্যাখ্যা করা হলো-বর্ষাকালে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে স্রোতের গতিবেগ ও শক্তি বহুগুণ বেড়ে যায়, পানির এই তীব্র চাপ নদীর পাড়ে আঘাত হেনে ভাঙন সৃষ্টি করে। নদীর তীরের মাটি যদি আলগা ও বালুময় হয় তবে তা পানির স্রোত ধরে রাখতে পারে না, সহজেই নদীপাড় ধসে পানিতে মিশে যায়। নদী সবসময় সোজা পথে চলে না, বরং আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত হয়, বাঁক নেওয়া অংশে পানির প্রবল ধাক্কা লাগে, যার ফলে একদিকে পাড় ক্ষয় হয়ে ভেঙে পড়ে এবং অন্য পাড়ে পলি জমে।

অতিরিক্ত বৃষ্টি পাতের ফলে পাহাড়ি ঢল নামে বা নদীর পানি দ্রুত বাড়ে, যা নদীর স্বাভাবিক ধারণ ক্ষমতা ছাড়িয়ে তীরবর্তী অঞ্চলকে প্লাবিত একরে এবং নদীভাঙন হয়।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত তুলি ও মালর গ্রাম দুটিতে যে দুটি দুর্যোগ হয় তা হলো যথাক্রমে খরা ও বন্যা। উক্ত দুটি দুর্যোগই কৃষিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। বৈশ্বিক জলবায়ু গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি ও সামগ্রিক ভাবে খরা অধিক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে থাকে। নিচে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

খরা দীর্ঘ সময় ধরে মাটির আর্দ্রতা ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমিয়ে দেয়। ফলে ফসল ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়, যাকে নীরব ঘাতক বলে। অপরদিকে বন্যা সাধারণত নির্দিষ্ট নদী অববাহিকা বা প্লাবন ভূমিতে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু খরা বিশাল ভৌগোলিক অঞ্চল বা পুরো দেশজুড়ে আঘাত হানতে পারে, যার ফলে জাতীয় পর্যায়ে খাদ্য। উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

সুতরাং বলা যায়, স্থায়ি ভাবে আকস্মিক বন্যার ক্ষয়ক্ষতি দৃশ্যমান এবং তাৎক্ষণিক। তবে সামগ্রিক অর্থনীতি, বার্ষিক মোট উৎপাদন হ্রাস এবং মাটি ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব বিবেচনা করলে খরা তুলনামূলকভাবে অধিক এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে থাকে।

৩. রাকিব কর্মসূত্রে দক্ষিণ আমেরিকায় যায়। কাজ শেষে সে আন্দিজ নামক ভূমিরূপটি দেখতে যায়। অপরদিকে মিতুল একজন পর্যটক। তিনি ব্ল‍্যাক হিলস, তারিম নামক ভূমিরূপ গুলোতে গিয়েছেন।
উত্তর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচুতে অবস্থিত, বিস্তীর্ণ ও প্রায় সমতল বা মৃদু ঢেউ খেলানো ভূভাগকে সমভূমি বলে।
উত্তর

শিলা ও খনিজ একই রকম পদার্থ নয়। কারণ এদের গঠন, রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য এবং সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

শিলা হলো বিভিন্ন খনিজের মিশ্রণ, আর খনিজ হলো রাসায়নিক গঠন বিশিষ্ট একক পদার্থ। যেমন- গ্রানাইট একটি শিলা যা কোয়ার্টর্জ, ফেল্ডস্পার ও মাইকা নামক তিনটি খনিজের মিশ্রণে তৈরি। এই উপাদান গুলোর কোনোটিই শিলা নয় বরং এদের সমষ্টিই হলো শিলা।

উত্তর

উদ্দীপকে রাকিবের দেখা ভূমিরূপটি একটি ভঙ্গিল পর্বত এবং একই সাথে এটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি পর্বতমালা। নিচে বর্ণনা করা হলো-

সমুদ্র তলদেশের বিস্তারিত অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হয়। এর চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। পরবর্তী পর্যায়ে ভূ-আলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে এবং পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্বভাঁজ ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত উর্ধ্ব ও অধঃভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত এভাবে গঠিত হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে মিতুলের দেখা ভূমিরূপ হলো ব্লাক হিলস, তারিম্ একই ধরনের ভূমিরূপ নয়। ব্লাক হিলস মূলত গম্বুজাকার পর্বত বা ল্যাকোলিথ পর্বত এবং তারিম হলো পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি। দুটি ভূমিরূপের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সময় দুটি প্লেটের সংঘর্ষের ফলে মাঝের বিস্তীর্ণ সমতল ও নিচু ভূখণ্ড প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে উপরে উঠে গিয়ে তারিম মালভূমির সৃষ্টি করে। অন্যদি কে, ভূপৃষ্ঠের নিচে ম্যাগমা বা গলিত শিলা যখন তীব্র ঊর্ধ্বমুখী চাপ প্রয়োগ করে, কিন্তু বাইরে বেরিয়ে আসতে না পেরে ভূত্বকের নিচের শিলান্তরকে স্ফীত করে গম্বুজ আকৃতি ধারণ করে ল্যাকোলিথ বা গম্বুজ পর্বতের সৃষ্টি করে। আবার পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি বিভিন্ন শিলা ও পাললিক স্তরের ভাঁজের মাধ্যমে গঠিত হয়। অন্যদিকে ল্যাকোলিথ পর্বত মূলত ভূ-গর্ভস্থ ম্যাগমা জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলা দ্বারা তৈরি হয়।

সুতরাং উপরোল্লিখিত ভূমিরূপ দুটির মধ্যকার তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় দুটি ভূমিরূপ একইরূপ নয়।

৪. উদ্দীপকটি পড়ো এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
উদ্দীপকের ছবি
উত্তর পৃথিবী নিজ অক্ষে আবর্তিত হতে হতে যে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে, নির্দিষ্ট সময়ে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করে তাকে বার্ষিক গতি বলে।
উত্তর

নক্ষত্র পতন মূলত রাতের আকাশে তারা খসে পড়ার বৈজ্ঞানিক ঘটনা, যা সাধারণ চোখে উল্কাপাত হিসেবে পরিচিত।

মহাকাশে ভেসে থাকা ধূমকেতু বা গ্রহাণুর ছোটো ছোটো টুকরো (মহাজাগতিক ধূলিকণা) যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তীব্র গতিতে প্রবেশ করে, তখন তা বাতাসের সংস্পর্শে জ্বলে ওঠে। জ্বলতে থাকা এই পাথর বা ধূলিকণাকে বলা হয় উল্কা। এটি বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বলেই আকাশে আলোর রেখার মতো ছুটে চলতে দেখা যায়।

উত্তর

চিত্রে A-এর দ্রাঘিমা ২০° পূর্ব এবং B-এর দ্রাঘিমা ৫০° পূর্ব।

দ্রাঘিমার পার্থক্য = ৫০° − ২০° = ৩০°

১° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য = ৪ মিনিট

৩০° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য = ৩০ × ৪ মিনিট = ১২০ মিনিট = ২ ঘণ্টা

B স্থান A-এর পূর্বে, তাই B-এর সময় ২ ঘণ্টা এগিয়ে।

অতএব A-তে সকাল ৭টা হলে B-এর স্থানীয় সময় সকাল ৯টা।

উত্তর

চিত্রে C-এর দ্রাঘিমা ১৫০° পূর্ব এবং D-এর দ্রাঘিমা ১৫০° পশ্চিম। গ্রিনিচভিত্তিক হিসাবে C-এর স্থানীয় সময় GMT-এর ১০ ঘণ্টা আগে এবং D-এর স্থানীয় সময় GMT-এর ১০ ঘণ্টা পরে; অর্থাৎ C, D-এর চেয়ে ২০ ঘণ্টা এগিয়ে থাকে।

তাই একই মুহূর্তে দুই স্থানের বার বা তারিখ এক নাও হতে পারে। যেমন D-তে সোমবার সকাল ১০টা হলে C-তে মঙ্গলবার সকাল ৬টা হবে। আবার C থেকে পূর্বদিকে D-তে যেতে ১৮০° আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করলে এক দিন বিয়োগ করতে হয়; D থেকে পশ্চিমদিকে C-তে গেলে এক দিন যোগ করতে হয়।

অতএব C ও D আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার দুই পাশে অবস্থান করায় তাদের স্থানীয় সময়ের পাশাপাশি বারেরও পরিবর্তন ঘটতে পারে।

৫.

দৃশ্যকল্প-১: রিতু চট্টগ্রামে মামার বাড়ি বেড়াতে গেল। বিকেলবেলা সে মামার সাথে সেখানকার নদীতীরের বন্দরটি দেখতে গেল।

দৃশ্যকল্প-২: মিলি রাঙামাটিতে বাস করে। কর্মসূত্রে সে ফরিদপুরে যায়। মিলি লক্ষ করে তার বসবাসরত এলাকার ভূপ্রকৃতির সাথে তার কর্মসূত্রে যাওয়া স্থানটির ভূপ্রকৃতিগত পার্থক্য রয়েছে।

উত্তর যেখান থেকে নদীর উৎপত্তি হয় তাকে নদীর উৎস বলে।
উত্তর বাংলাদেশের নদী ও জলাশয় ভরাটের প্রধান মানবসৃষ্ট কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অপরিকল্পিত বাঁধ ও স্লুইস গেট নির্মাণ, শহরের বর্জ্য ফেলা, কৃষি জমিতে পলি জমতে দেওয়া এবং ভূমি দস্যুদের দ্বারা নদী ও খাল দখল। এসব কার্যকলাপ নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করে এবং নদীর নাব্যতা কমিয়ে দেয়।
উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ রিতুর দেখা নদীটি হলো চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী। উক্ত নদীটির গতিপথ বর্ণনা করা হলো-

কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ের মমিত জেলার শৈতা গ্রাম থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। উৎপত্তিস্থলের পর নদীটি ১৮০ কিলোমিটার আঁকাবাঁকা পার্বত্য পথ অতিক্রম করে রাঙ্গামাটি জেলার মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রবেশ করে। পার্বত্য অঞ্চল পার হয়ে নদীটি চট্টগ্রামের সমতল ভূমিতে প্রবেশ করে। এরপর এটি চট্টগ্রাম শহরের কালুরঘাট হয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের কাছে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে। এই মোহনাতেই 'চট্টগ্রাম বন্দর' অবস্থিত।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ মিলির দেখা দুটি অঞ্চল হলো রাঙ্গামাটি ও ফরিদপুর। রাঙ্গামাটি যা দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং ফরিদপুর যা সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। অঞ্চল দুটির ভূপ্রকৃতিগত পার্থক্য রয়েছে। নিচে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

টারশিয়ারি যুগের পাহাড় সমূহের অন্তর্গত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় যা হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় ভূ-আন্দোলনের ফলে সৃষ্ট। অন্যদিকে সাম্প্রতিক বা আধুনিক কালে নদ-নদী বাহিত পলি সঞ্চিত হয়ে এ ভূমি সৃষ্টি হয়েছে।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড় সমূহের ভূমিগুলো বেলে পাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। মাটি অপেক্ষাকৃত অনুর্বর ও পাথুরে। অপরদিকে, সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি পলি, কাদা, বালি দ্বারা গঠিত। এগুলো অত্যন্ত উর্বর ও চাষাবাদের উপযোগী। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় গুলোর উচ্চতা বেশি এবং উঁচু-নিচু বন্ধুর প্রকৃতির। এছাড়া এখানে চিরহরিৎ বনভূমি গড়ে উঠেছে। অপরদিকে সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি হলো নদী বিধৌত সমতল ভূমি। এখানে বিরুৎ ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ বেশি হয়।

সুতরাং উপরিউক্ত ভূমিরূপদ্বয়ের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে বলা যায় দুই অঞ্চলের ভূমিরূপের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান।

৬. উদ্দীপকটি পড়ো এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
উদ্দীপকের ছবি
উত্তর পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থান ভিত্তিক বিস্তরণকে বারিমণ্ডল বলে।
উত্তর

দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল দিয়ে অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চল থেকে আগত শীতল পেরু বা হামবোল্ট স্রোত উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়। এই শীতল স্রোত আতাকামা মরুভূমির উপকূলীয় বায়ুকে ঠান্ডা করে এবং বাষ্পীভবন কমিয়ে দেয়।

ফলে ক্রান্তীয় অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও আতাকামার উপকূলীয় অঞ্চল তুলনামূলক শীতল থাকে। আন্দিজ পর্বতমালার বৃষ্টিচ্ছায়া এবং উপক্রান্তীয় উচ্চচাপ অঞ্চলটির শুষ্কতা বাড়ায়, কিন্তু শীতলতার প্রধান কারণ হামবোল্ট স্রোত।

উত্তর

চিত্রে 'A' দ্বারা চিহ্নিত ভূমিরূপ হলো গভীর সমুদ্রখাত। নিচে এ ভূমিরূপের বর্ণনা দেওয়া হলো-

সমুদ্র তলদেশের 'A' চিহ্নিত ভূমিরূপটি গভীর সমুদ্রের সমভূমি অঞ্চলের মাঝে মাঝে গভীর খাত দেখা যায়। এসকল খাতকে গভীর সমুদ্র খাত বলে।

মহাসাগরের তলদেশে কোথাও কোথাও গভীর খাত দেখা যায়। পাশাপাশি অবস্থিত মহাদেশীয় ও সামুদ্রিক প্লেট সংঘর্ষের ফলে সমুদ্র খাত প্লেট সীমানায় অবস্থিত। এ প্লেট সীমায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি অধিক হয় বলেই এসকল খাত সৃষ্টি হয়েছে। এ খাত গুলো অধিক প্রশস্ত না হলেও খাড়া ঢালবিশিষ্ট। পৃথিবীর গভীর সমুদ্রখাত হলো ম্যারিয়ানা খাত এর গভীরতা ১০৯৬০ মি.।

উত্তর

চিত্রের 'B' বলতে মহীসোপান এবং 'C' বলতে মহীঢালকে বোঝানো হয়েছে। উক্ত ছোটো ভূমিরূপের মধ্যে মহীঢালে আন্তঃসাগরীয় গিরিখাত পরিলক্ষিত হয়। নিচে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

সমুদ্রের তলদেশে অবস্থিত মহীঢাল অঞ্চলে আন্তঃসাগরীয় গিরিখাত গঠিত হয় এবং গভীরভাবে অবস্থান করে। গিরিখাত মহীঢালের একচ্ছত্র বৈশিষ্ট্য। ঢাল থাকার কারণে পানির তীব্র স্রোত এবং তলদেশের ভূমিধসের কারণে পাথর ও পলি অপসারিত হয়ে বিশাল আকৃতির (V-Shape) গিরিখাত তৈরি হয়। যদিও কিছু গিরি খাতের মাথা মহীসোপানের ভেতর পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু মূল দীর্ঘতম অংশটি মহীঢাল বা তার পাদদেশে অবস্থিত। অন্যদিকে, মহীসোপানের ঢাল কম হওয়ায় গিরিখাত তেমন পরিলক্ষিত হয় না।

সুতরাং, মহীঢাল ও মহীসোপানের মধ্য ভূ-ভাগের মধ্যে মহীঢালে আন্তঃসাগরীয় গিরিখাত অধিক পরিলক্ষিত হয়।

৭.

দৃশ্যকল্প-১: রাহসা ও মৃদুল মায়ের সাথে রান্নাঘরে কাজ করছিল। তার মা চুলার কয়লা দেখিয়ে বললেন, দেখ এগুলো এক প্রকার শিলা।

দৃশ্যকল্প-২: রোহান দুর্যোগের উপর নির্মিত একটি প্রতিবেদনে দেখল, একটি দ্বীপের ভূত্বক ফেটে উত্তপ্ত পদার্থ বের হচ্ছে। আবার সাগরের তলদেশে সংঘটিত ভূমিকম্পে জলরাশি ফুলে উঠে স্থল ভাগে প্রবেশ করছে এবং মারাত্মক দুর্যোগ সৃষ্টি করছে।

উত্তর প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক খনিজের কঠিন মিশ্রণ হলো শিলা।
উত্তর

সিন্ধু নদীর গিরিখাতটি পূর্ববর্তী নদী, ভূআন্দোলন এবং প্রবল ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্টি হয়েছিল।

হিমালয় ও কারা কোরাম পর্বতমালা সৃষ্টির আগে থেকেই সিন্ধু নদী তিব্বতের মানস সরোবর এলাকার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হতে।। এছাড়া প্লেটে প্লেটে সংঘর্ষের ফলে হিমালয় ও তৎসংলগ্ন পর্বতমালা ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে শুরু করে, তখন সিন্ধু নদ তার নিজস্ব প্রবাহপথ বজায় রাখে। সর্বোপরি পর্বত থেকে বাহিত জলের সাথে পাথর, বালি ও কাঁকর প্রবলবেগে নদীর তলদেশে ঘষা লেগে নিচের দিকে বিশাল গিরিখাত সৃষ্টি করে।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ রাইসা ও মৃদুলের মায়ের দেখানো বস্তুটি জৈব পাললিক শিলা। নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

কোটি কোটি বছর আগে ভূগর্ভে চাপা পড়া মৃত গাছপালা ও উদ্ভিদের অবশিষ্টাংশ তীব্র তাপ ও চাপে রূপান্তরিত হয়ে এই শক্ত, দাহ্য পাললিক শিলায় পরিণত হয়। বৃষ্টি, বায়ু, তুষার, তাপ, সমুদ্রের ঢেউ প্রভৃতি শক্তির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয় প্রাপ্ত ও বিচূর্ণীভূত হয়ে রূপান্তরিত হয় এবং কাঁকর, কাদা, বালি ও ধুলায় পরিণত হয়। ক্ষয়িত শিলাকণা জলস্রোত, বায়ু এবং হিমবাহ দ্বারা পরিবাহিত হয়ে পলল বা তলানিরূপে কোনো নিম্নভূমি, হ্রদ এবং সাগরগর্ভে সঞ্চিত হয়ে থাকে। পরবর্তীতে ঐসব পদার্থ ভূগর্ভের উত্তাপে ও উপরের শিলাস্তরের চাপে জমাট বেঁধে কঠিন শিলায় পরিণত হয়। জীবদেহ থেকে উৎপন্ন হয় বলে কয়লাকে জৈব পাললিক শিলা বলা হয়। পাললিক শিলার মধ্যে নানা প্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম দেখা যায়। এ শিলা স্তরীভূত, নরম ও হালকা এবং সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ রোহানের দেখা দুর্যোগ দুটি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ও সুনামি। উক্ত দুর্যোগ দুটিই অত্যন্ত বিধ্বংসী প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রার দিক থেকে সুনামি তুলনামূলক ভাবে বেশি আকস্মিক, বিস্তৃত ও তাৎক্ষণিক প্রাণঘাতী। নিচে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

সমুদ্রের তলদেশে শক্তি শালী ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা ভূমিধসের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে বিশাল ও বিধ্বংসী ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। বিশাল জলরাশি উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবল বেগে আঘাত হানে। পুরো শহর, গ্রাম, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো নিমিষেই পানির নিচে তলিয়ে যায় বা ভেসে যায়। এর প্রভাব শুধু উপকূলেই সীমাবদ্ধ থাকে না, শত শত মাইল দূরে অন্য দেশেও আঘাত হানতে পারে। এটি উপকূলের মাটি ও ফসল নষ্ট করে দেয়।

অপরদিকে, পৃথিবীপৃষ্ঠের ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের গলিত লাভা, ছাই, গ্যাস ও পাথর বাইরে বেরিয়ে আসে। এর লাভা প্রবাহের কারণে আশপাশের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাতাসে নির্গত গ্যাস বিষাক্ত যা শ্বাসকষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ বিপর্যয় ঘটায়। এর প্রভাব শুধু স্থানীয় পর্যায়ে বেশি ধ্বংসাত্মক হয়।সুতরাং বলা যায়, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের চেয়ে সুনামি অধিক ক্ষতিকর ও ভয়ংকর। কারণ সুনামি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশাল এলাকা জুড়ে পানি ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে দেয়, যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের বাঁচার সুযোগ কম থাকে। সবচেয়ে ভয়ানক বিষয় হলো সুনামি উপকূলে আঘাত করে বলে ঐ এলাকার বিশাল অঞ্চলের কৃষি জমি, উদ্ভিদকুল, প্রাণিকুল ও মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়।

৮. উদ্দীপকটি পড়ো এবং নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
উদ্দীপকের ছবি
উত্তর যেসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বর্তমানে বন্ধ রয়েছে, কিন্তু অতীতে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোকে সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলে।
উত্তর

প্রাকৃতিক কারণ- (ভারী বৃষ্টিপাত, ভূমিরূপ, ভূ-গঠন ও মাটির ধরন) ও মানবসৃষ্ট কারণ (পাহাড় কাটা, বন উজাড়, ইটের ভাটা) এ ভূমিধস হয়।

এক টানা ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ি ছিদ্রগুলো পানি দ্বারা পূর্ণ হয়ে যায়, যা মাটির ভার বহন ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে এবং ভূমিধস হয়। এছাড়া তীব্র ভূমিকম্পের ফলে মাটির ভঙ্গুরতার কারণে ভূমিধস হয়। মানুষের বসতি নির্মাণে পাহাড় কাটা, বন উজাড় করা, ইটের ভাটা নির্মাণের কারণে ভূমিধস হয়।

উত্তর

এই চিত্র-১ এর 'A' দ্বারা চিহ্নিত ভূমিরূপটি হলো প্লাবন সমভূমি। নিচে এর গঠন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো:

নদীর মধ্য ও নিম্ন প্রবাহে জলের স্রোত আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত হয়। স্রোতের টানে বাঁকের বাইরের অংশে ক্ষয়কার্য চলতে থাকে এবং ভেতরের অংশে পলি জমতে থাকে। এর ফলে নদী উপত্যকা ধীরে ধীরে প্রশস্ত হতে থাকে। বর্ষা মৌসুমে যখন নদীর দুই কূল উপচে প্লাবিত হয়, নদী তার সাথে প্রচুর পরিমাণে বালু, পানি ও কাদা ইত্যাদি ভাসিয়ে নিয়ে আসে। উপচে পড়া পানি যখন আশেপাশের সমভূমিতে ছড়িয়ে পড়ে, তখন পানির বেগ ও স্রোতের বেগ কমে যায়। গতিবেগ কমে যাওয়ার কারণে পানি ভারী পলি বয়ে নিয়ে চলতে পারে না। তখন তা জমে সমভূমিতে পরিণত হয়, যা প্লাবন সমভূমি নামে পরিচিত।

উত্তর

চিত্র-১-এর ভূমিরূপটি প্লাবন সমভূমি এবং চিত্র-২-এর ভূমিরূপটি জলপ্রপাত। এ দুটির মধ্যে জলপ্রপাত নদীর ক্ষয়জাত ভূমিরূপ; প্লাবন সমভূমি নদীর সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ।

নদীর উজানে কঠিন ও কোমল শিলাস্তর পর্যায়ক্রমে থাকলে কোমল শিলা দ্রুত ক্ষয় হয়। কঠিন শিলা উঁচু ধাপের মতো থেকে যায় এবং পানি খাড়াভাবে নিচে পড়ে জলপ্রপাত সৃষ্টি করে। তাই চিত্র-২ নদীর ক্ষয়কার্যের ফল।

অন্যদিকে বর্ষায় নদীর পানি দুই তীর ছাপিয়ে বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্রোতের বেগ কমে যায় এবং বহন করা পলি তীরবর্তী ভূমিতে সঞ্চিত হয়। বছরের পর বছর এভাবে পলি জমে চিত্র-১-এর প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়। অতএব গঠনপ্রক্রিয়ার দিক থেকে জলপ্রপাত ক্ষয়জাত এবং প্লাবন সমভূমি সঞ্চয়জাত।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

বিস্তারিত উত্তর

এই প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।