১ম যন্ত্রে প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম এক ভাগের মান 0.1 cm এবং ভার্নিয়ার ভাগসংখ্যা 10।
ভার্নিয়ার ধ্রুবক, VC₁ = 0.1/10 = 0.01 cm।
মোট পাঠ, L = M + n × VC₁।
1.65 = 1.60 + n × 0.01
n = (1.65 − 1.60)/0.01 = 5।
অতএব ১ম স্লাইড ক্যালিপার্সে ভার্নিয়ার সমপাতন 5।
প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম ভাগ 0.1 cm হলে ১ম যন্ত্রের ভার্নিয়ার ধ্রুবক VC₁ = 0.1/10 = 0.01 cm এবং ২য় যন্ত্রের VC₂ = 0.1/20 = 0.005 cm।
অতএব ২য় যন্ত্রটি ১মটির তুলনায় অর্ধেক ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্যও শনাক্ত করতে পারে; অর্থাৎ তার সূক্ষ্মতা দ্বিগুণ। তারের ব্যাসের পার্থক্য = 1.655 − 1.650 = 0.005 cm, যা ২য় যন্ত্রের এক ন্যূনাঙ্ক কিন্তু ১ম যন্ত্রের ন্যূনাঙ্কের অর্ধেক।
দুটি যন্ত্রই যান্ত্রিক ত্রুটিমুক্ত হলেও ন্যূনাঙ্ক বা রেজল্যুশন ভিন্ন হওয়ায় ১ম যন্ত্র অতিরিক্ত 0.005 cm পৃথকভাবে ধরতে পারে না, কিন্তু ২য় যন্ত্র পারে। তাই পাঠদ্বয়ের ভিন্নতা হয়েছে।
সারণি থেকে 0–40 s সময়ে গাড়ির বেগ 0 থেকে 8 m s⁻¹ পর্যন্ত সমভাবে বাড়ে।
অতিক্রান্ত দূরত্ব = বেগ–সময় লেখচিত্রের নিচের ক্ষেত্রফল
= ½ × ভূমি × উচ্চতা
= ½ × 40 × 8
= 160 m।
অতএব গাড়িটি প্রথম 40 s-এ 160 m দূরত্ব অতিক্রম করে।
সারণির বিন্দুগুলো (t, v) = (0, 0), (20, 4), (40, 8), (60, 12), (80, 12), (100, 6) ও (120, 0) বসিয়ে সংযুক্ত করলে সংযুক্ত লেখচিত্র পাওয়া যায়।
0–60 s: বেগ 0 থেকে 12 m s⁻¹ পর্যন্ত সরলরৈখিকভাবে বাড়ে; ত্বরণ a₁ = (12 − 0)/60 = 0.20 m s⁻², তাই সমত্বরণ।
60–80 s: বেগ 12 m s⁻¹ অপরিবর্তিত; ত্বরণ শূন্য, তাই সমবেগ।
80–120 s: বেগ 12 থেকে 0 m s⁻¹ পর্যন্ত সরলরৈখিকভাবে কমে; ত্বরণ a₂ = (0 − 12)/40 = −0.30 m s⁻², তাই সমমন্দনে চলে এবং 120 s-এ থামে।
সিঁড়ির মোট উচ্চতা, h = 20 × 30 cm = 600 cm = 6 m।
বালকের ভর m = 60 kg এবং g = 9.8 m s⁻²।
সম্পন্ন কাজ, W = mgh
= 60 × 9.8 × 6
= 3528 J।
অতএব বালকটির সম্পন্ন কাজ 3528 J।
বালকের ক্ষমতা, P = W/t = 3528/10 = 352.8 W।
বন্ধু ও ব্যাগের মোট ভর = 55 + 20 = 75 kg।
একই সিঁড়ি বেয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় কাজ, W′ = 75 × 9.8 × 6 = 4410 J।
দুজনের ক্ষমতা সমান বলে বন্ধুর সময়, t′ = W′/P
= 4410/352.8
= 12.5 s।
12.5 s > 10 s। অতএব ব্যাগসহ বন্ধুটির সমান সময় লাগবে না; তার 2.5 s বেশি, অর্থাৎ মোট 12.5 s লাগবে।
25°C তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ, v = 330 + 0.6 × 25 = 345 m s⁻¹।
সাজিদ থেকে পাহাড়ের দূরত্ব d = 25 m।
শব্দের মোট যাতায়াত দূরত্ব = 2d = 50 m।
প্রতিধ্বনি শোনার সময়, t = 2d/v
= 50/345
≈ 0.145 s।
অতএব সাজিদ শব্দ করার প্রায় 0.145 s পরে প্রতিধ্বনি শুনবে।
বন্ধু পাহাড় থেকে 16 m এবং সাজিদ 25 m দূরে একই পাশে অবস্থান করে। তাই বন্ধুর শব্দ সরাসরি সাজিদের কাছে যেতে দূরত্ব = 25 − 16 = 9 m।
পাহাড়ে প্রতিফলিত হয়ে সাজিদের কাছে যেতে দূরত্ব = 16 + 25 = 41 m।
দুই শব্দের পথের পার্থক্য = 41 − 9 = 32 m।
সময় ব্যবধান, Δt = 32/345 ≈ 0.0928 s।
পৃথক প্রতিধ্বনি শোনার জন্য Δt ≥ 0.1 s প্রয়োজন। যেহেতু 0.0928 s < 0.1 s, তাই বন্ধু শব্দ করলে সাজিদ পৃথক প্রতিধ্বনি শুনতে পাবে না; শব্দ দুটি মিলিত হয়ে শোনা যাবে।
গুলির ভর m = 20 g = 0.020 kg, গুলির বেগ v = 400 m s⁻¹ এবং বন্দুকের ভর M = 2 kg।
গুলি ছোড়ার আগে মোট ভরবেগ শূন্য। ভরবেগ সংরক্ষণ সূত্রে,
Mvᵣ + mv = 0
vᵣ = −mv/M
= −(0.020 × 400)/2
= −4 m s⁻¹।
অতএব বন্দুকের পশ্চাৎবেগের মান 4 m s⁻¹; দিক গুলির বিপরীত।
তক্তার তিন-চতুর্থাংশ দূরত্ব, s₁ = (3/4) × 16 mm = 12 mm = 0.012 m।
প্রাথমিক বেগ u = 400 m s⁻¹ এবং 12 mm পরে বেগ v = 200 m s⁻¹। তক্তার বাধাজনিত মন্দন সমান ধরে,
v² = u² + 2as₁
a = (200² − 400²)/(2 × 0.012)
= −5.0 × 10⁶ m s⁻²।
গুলির মোট থামার দূরত্ব s হলে,
0 = 400² + 2(−5.0 × 10⁶)s
s = 0.016 m = 16 mm।
অর্থাৎ গুলিটি তক্তার অপর পৃষ্ঠে পৌঁছেই শূন্য বেগে থামবে; তক্তা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য অবশিষ্ট বেগ থাকবে না। তাই গুলিটি তক্তা সম্পূর্ণ ভেদ করে বের হতে পারবে না।
q₁ = +10 C, q₂ = −20 C, r = 2 m এবং k = 9 × 10⁹ N m² C⁻²।
কুলম্বের সূত্রে বলের মান,
F = k|q₁q₂|/r²
= (9 × 10⁹ × 10 × 20)/2²
= 4.5 × 10¹¹ N।
আধান দুটি বিপরীত চিহ্নের বলে বলটি আকর্ষণধর্মী।
হ্যাঁ, C-কে ধনাত্মক করা সম্ভব।
A ধনাত্মক হওয়ায় পরিবাহী C-কে A-এর সংস্পর্শে আনলে C থেকে কিছু ইলেকট্রন A-তে চলে যায়। বিচ্ছিন্ন করার পর C-তে ইলেকট্রনের ঘাটতি থাকে, তাই C ধনাত্মক হয়।
আবার B ঋণাত্মক বস্তু ব্যবহার করেও আবেশে C-কে ধনাত্মক করা যায়। B-কে C-এর কাছে আনলে C-এর ইলেকট্রন দূর প্রান্তে সরে যায়। সেই প্রান্ত ভূমিসংযুক্ত করলে কিছু ইলেকট্রন পৃথিবীতে চলে যায়। আগে ভূমিসংযোগ এবং পরে B সরালে C-তে ইলেকট্রনের ঘাটতি থেকে যায়; ফলে C ধনাত্মক হয়।
অতএব A দ্বারা পরিবহনে অথবা B দ্বারা আবেশে C-কে ধনাত্মক আধানযুক্ত করা সম্ভব।
চিত্রে অবতল দর্পণের বক্রতার ব্যাসার্ধ CP = 12 cm, তাই ফোকাস দূরত্ব f = CP/2 = 6 cm। বস্তুর দূরত্ব PY = u = 24 cm; অর্থাৎ বস্তুটি C-এর বাইরে।
দর্পণ সূত্রে, 1/f = 1/u + 1/v।
1/6 = 1/24 + 1/v
1/v = 1/6 − 1/24 = 1/8
v = 8 cm।
বিবর্ধনের মান |m| = v/u = 8/24 = 1/3।
অতএব প্রতিবিম্বটি দর্পণের সামনে F ও C-এর মধ্যে 8 cm দূরে গঠিত হবে; এটি বাস্তব, উল্টো এবং বস্তুর এক-তৃতীয়াংশ আকারের। সংযুক্ত রশ্মিচিত্রে প্রধান অক্ষের সমান্তরাল রশ্মি প্রতিফলনের পর F দিয়ে গেছে; P-তে আপতিত অপর রশ্মিটি প্রধান অক্ষের সঙ্গে সমান কোণে প্রতিফলিত হয়ে প্রথম রশ্মির সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
অবতল দর্পণের ফোকাস দূরত্ব f = CP/2 = 12/2 = 6 cm।
3 গুণ বাস্তব প্রতিবিম্বের জন্য বিবর্ধনের মান |m| = v/u = 3, তাই v = 3u।
দর্পণ সূত্রে, 1/f = 1/u + 1/v
1/6 = 1/u + 1/(3u)
= 4/(3u)
u = 8 cm।
বর্তমানে PY = 24 cm। তাই বস্তুটিকে দর্পণের দিকে সরাতে হবে = 24 − 8 = 16 cm।
অতএব XY বস্তুকে দর্পণের দিকে 16 cm সরিয়ে P থেকে 8 cm দূরে, অর্থাৎ F ও C-এর মধ্যে রাখলে 3 গুণ বিবর্ধিত বাস্তব ও উল্টো প্রতিবিম্ব পাওয়া যাবে।
আলোর প্রতিফলনের সূত্র দুটি হলো—
১. আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে প্রতিফলক পৃষ্ঠের ওপর অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে থাকে।
২. আপতন কোণ প্রতিফলন কোণের সমান; অর্থাৎ i = r।
দেওয়া আছে, q = +3 C এবং F = 12 N।
তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা, E = F/q
= 12/3
= 4 N C⁻¹।
ধনাত্মক আধানের ওপর বলের দিকই তড়িৎ ক্ষেত্রের দিক। অতএব ঐ স্থানের ইলেকট্রিক ফিল্ড 4 N C⁻¹।